আচারপ্রেমী পরিণীতি চোপড়া

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১২:৫৬ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

আচার অনুসন্ধানকারী পরিণীতি বলেন, আমি মানুষের বাসায় খেয়ে রিসার্চ করি। তাদের মা- দাদীদের কাছ থেকে গোপন রেসিপি বানিয়ে আমি আচার কালেক্ট করি। যেখানে থাকে পুরোনো দিনের আচারের স্বাদ।

পরিণীতি বলেন, ‘আমার বাড়ির সর্বত্র আচার থাকতে হবে। যেখানেই থাকি চোখ বন্ধ করলে হাত বাড়ালেই আচার থাকতে হবে।’

আর বাড়ির যেকোনো ঘরেই আচার থাকা চাই। কারন আমি যেকোনো জায়গায় বসেই খাবার খেতে পারি। আর খাবারের প্রথমেই আচার থাকতে হবে। এরপর দই ও অন্যান্য জিনিস।

তার আচারের কালেকশন সংখ্যায় গুনে শেষ করার মতো নয়। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার আচারের কালেকশন ড্রেস, ব্যাগ এমনকি ডায়মন্ডের থেকেও বেশি। আমি দুনিয়ার যে প্রান্তেই যাই সবার আগে আচার নেই।’

স্বামী রাঘব চাড্ডার সাথে পরিণীতি

তিনি বলেন এক ফিল্ম এর শ্যুটিং এর সময় তার সহকারীর মা আসাম থেকে তার জন্য প্রতিদিন বোম্বাই মরিচের আচার পাঠাতো।

মজার ছলে তিনি আরো এক আচারের গল্প বলেন, ‘এক বন্ধু আমাকে রসুনের মসলাদার মুখোরোচক আচার দেন যা আমি আমার বাসার যে কোনো অতিথি আসলে খেতে ‍মানা করি যাতে আমি আরো বেশি খেতে পারি।’

তার আচারের কালেকশনের মধ্যে আরো রয়েছে বেনারসের ঝাল মরিচের আচার, সবুজ ঝাল মরিচের তৈলাক্ত আচার যা টক, মিষ্টি ,ঝাল ধরনের।

আরেকাটি বিশেষ মিক্স আচার রয়েছে গাজর, শালগম, ফুলকপি দিয়ে তৈরি। এটি খেয়ে নস্টালজিয়া হয়ে পড়েন পরিণীতি। ছোটোবেলায় শীতকালে দাদী নানীরা এই সবজিগুলো রোদ দিয়ে শুকিয়ে আচার বানাতো।

আরো রয়েছে আমলার আচার। মায়ের বানানো দু বছর পুরোনো কালো লেবুর আচার তার সবচেয়ে প্রিয়। এছাড়াও আমের আচার দিয়ে পিজ্জা খেতে ভালোবাসেন তিনি।

একটা সময় পরিণীতির বাড়ির লোক তাকে নিয়ে মজা করতো এতো আচার সংগ্রহ। এমনকি তার স্বামী রাঘব চাড্ডা ও বলতো কীভাবে এতো আচার খায় সে। তবে মজার ব্যাপার হলো এখন রাঘব নিজেই আচার প্রেমী হয়ে গেছেন।

আমার বার্তা/এল/এমই