ইবোলার নতুন ধরন মোকাবিলায় টিকা তৈরি করেছে রাশিয়া

প্রকাশ : ২৭ মে ২০২৬, ১৩:০০ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন

ভাইরাসজনিত প্রাণঘাতী রোগ ইবোলার নতুন ধরন বুন্দিবুগিও-কে মোকাবিলায় নতুন টিকা তৈরি করেছেন রুশ বিজ্ঞানীরা। গতকাল মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এ ঘোষণা দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার রুশ দূতাবাস।

রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাশকোর বরাত দিয়ে সেই এক্সবার্তায় বলা হয়েছে, “রুশ বিজ্ঞানীরা ইবোলার নতুন ধরনকে মোকাবিলায় একটি টিকা তৈরি করেছেন। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ইবোলার বুন্দিবুগিও ধরন থেকে সুরক্ষা দিতে সক্ষম এই টিকা।”

এক মাসের কিছু বেশি সময় আগে মধ্য আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক (ডি আর) কঙ্গো এবং প্রতিবেশী দেশ উগান্ডায় ইবোলার প্রাদুর্ভাব ঘটে। তবে ডি আর কঙ্গোতে প্রাদুর্ভাবের তীব্রতা অনেক বেশি। গত এক মাসে দেশটিতে ২২০ জনের মৃত্যু হয়েছে ইবোলায়।

ইবোলা ভাইরাসের বৈজ্ঞানিক নাম ‘অর্থোইবোলাভাইরাস জাইরেন্স’। এ পর্যন্ত ইবোলার ছয়টি ধরন বা প্রজাতি শনাক্ত হয়েছে। সেগুলো হলো—জাইর, সুদান, বুন্দিবুগিও, রেস্টন, তাই ফরেস্ট ও বোম্বালি। ২০১৪ সাল থেকে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ঘটিয়েছে ‘জাইর’ প্রজাতিটি। তবে কঙ্গো এবং উগান্ডায় প্রাদুর্ভাবের জন্য ইবোলার যে ভাইরাসটিকে দায়ী করা হচ্ছে, সেটি বুন্দিবুগিও প্রজাতি বলে জানা গেছে।

ইবোলা ভাইরাসের প্রধান শিকার মানুষ এবং প্রাইমেট গোত্রীয় বিভিন্ন প্রানী যেমন শিম্পাঞ্জি, গরিলা, ওরাংওটাং প্রভৃতি। এটি বাহুবাহিত কোনো রোগ নয়। আক্রান্ত ব্যক্তি বা প্রাণীর রক্ত, লালা, ঘাম, বমি, মল-মূত্র বা অন্যান্য শারীরিক তরলের সাথে সরাসরি সংস্পর্শে এলে এই ভাইরাস ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত সুঁই বা কাপড় থেকেও এটি সংক্রমিত হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির প্রত্যক্ষ ও ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শের মাধ্যমে, এমনকি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আচার-অনুষ্ঠানের সময় মৃতদেহের সরাসরি সংস্পর্শ থেকেও ছড়াতে পারে ভাইরাসটি।

ইবোলার প্রধান শিকার মানুষ এবং প্রাইমেট গোত্রীয় বিভিন্ন প্রানী যেমন শিম্পাঞ্জি, গরিলা, ওরাংওটাং প্রভৃতি। আক্রান্ত ব্যক্তি বা প্রাণীর রক্ত, লালা, ঘাম, বমি, মল-মূত্র বা অন্যান্য শারীরিক তরলের সাথে সরাসরি সংস্পর্শে এলে এই ভাইরাস ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত সুঁই বা কাপড় থেকেও এটি সংক্রমিত হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ, এমনকি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আচার-অনুষ্ঠানের সময় মৃতদেহের সরাসরি সংস্পর্শ থেকেও ছড়াতে পারে ভাইরাসটি।


আমার বার্তা/জেএইচ