জেন জির হাতে স্বৈরাচার পতন: নির্বাচনের দৌড়ে এগিয়ে পুরোনো শক্তিরাই

বিবিসির প্রতিবেদন

প্রকাশ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৭ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন

বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রায় প্রাণ হারাতে বসেছিলেন রাহাত হোসেন। সেই তরুণদের অভ্যুত্থানই পরে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম রক্তাক্ত অধ্যায়ে রূপ নেয়।

পুলিশের গুলিতে আহত ইমাম হাসান তাইম ভূঁইয়াকে টেনে নিরাপদে নেওয়ার চেষ্টা করতে দেখা যায় রাহাতকে—সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ওই অভ্যুত্থানেই দেশে স্বৈরশাসকের পতন ঘটে।

২০২৪ সালের ২০ জুলাই বিক্ষোভ দমনের অভিযানে রাহাত হোসেন (২৪) ও ইমাম হাসান তাইম ভূঁইয়া (১৯) ঢাকার একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নেন। পুলিশ সেখান থেকে তাদের টেনে বের করে মারধর করে এবং দৌড়াতে বলে।

পুলিশের গুলিতে আহত হন তাইম। মাটিতে লুটিয়ে পড়া বন্ধুকে দেখে রাহাত তাকে টেনে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু পুলিশ গুলি চালানো অব্যাহত রাখে। এক পর্যায়ে রাহাতের নিজের পায়েও গুলি লাগে।

‘আমাকে তাকে ফেলে আসতে হয়েছিল,’ বলেন রাহাত। পরে হাসপাতালে তাইমকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

এ ধরনের সহিংসতাই ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনকে সারাদেশব্যাপী গণবিক্ষোভে রূপ দেয়, যার কেন্দ্র ছিল ঢাকা। মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে সরকার ক্ষমতা হারায় এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।

জাতিসংঘের হিসাবে, ওই বিক্ষোভে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হন। তাদের বেশিরভাগই শেখ হাসিনার নির্দেশে চালানো নিরাপত্তা বাহিনীর দমন অভিযানে প্রাণ হারান।

শেখ হাসিনার পতনে নতুন যুগের আশার কথা শোনা যায়। বিশ্বজুড়ে জেন জির ধারাবাহিক আন্দোলনের মধ্যে এটিকেই প্রথম এবং সবচেয়ে সফল অভ্যুত্থান হিসেবে দেখা হয়।

বাংলাদেশে কিছু ছাত্রনেতা অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হন। তারা যে দেশের জন্য রাজপথে নেমেছিলেন, সেই দেশ গড়ার চেষ্টাই ছিল তাদের লক্ষ্য। কয়েক দশক ধরে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ এবং প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর শাসনের পর তারা ভবিষ্যৎ প্রশাসনে ভূমিকা রাখবেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল।

কিন্তু জাতীয় নির্বাচন সামনে আসতেই দেখা যাচ্ছে, ছাত্রদের নতুন গড়া রাজনৈতিক দলটি ভাঙনের মুখে এবং আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নারীরা অনেকটাই কোণঠাসা। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় শূন্যতা পূরণে এগিয়ে আসছে পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলোই।

রাহাত বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনে তিনি যোগ দিয়েছিলেন সরকারি চাকরিতে নতুন কোটা ব্যবস্থার প্রতিবাদে। কিন্তু আন্দোলন চলতে চলতে তা রূপ নেয় ‘স্বৈরশাসনের অবসান’—এই একক লক্ষ্যে। এতে ধর্মনিরপেক্ষ ও ধর্মীয় নানা পটভূমির তরুণ-তরুণীরা যুক্ত হন।

তবে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার তার প্রত্যাশিত ‘শান্তি, সমতা, ন্যায়বিচার ও সুবিচারের ভিত্তিতে সুন্দর বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে।

ছাত্রনেতৃত্বাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-কে তিনি অভিজ্ঞতাহীন মনে করেন। বরং তার দৃষ্টি কেড়েছে অনেক পুরোনো একটি দল—জামায়াতে ইসলামী।

ইসলামপন্থি দলটি দীর্ঘদিন ছোট জোটসঙ্গী হিসেবে থাকলেও ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে তারা নিজস্ব শক্তি নিয়ে সামনে এসেছে।

১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক রয়েছে। সে সময় প্রায় ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হন, ঘরছাড়া হন এক কোটির বেশি মানুষ। জামায়াতের তৎকালীন কিছু নেতার বিরুদ্ধে পাকিস্তানিদের সঙ্গে সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে।

তবে রাহাতের মতে, সেই ইতিহাস এখন আর বড় বাধা নয়। তার বিশ্বাস, জামায়াত আধুনিক হয়েছে। ‘জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের সহযোদ্ধা ও ছাত্রদের জামায়াত নানাভাবে সহায়তা করেছে,’ বলেন তিনি।

জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বিবিসিকে বলেছেন, তার দল দুর্নীতি বন্ধ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার করেছে। উচ্চমাত্রার দুর্নীতির ইতিহাস থাকা দেশে এসব বাস্তবায়ন কঠিন হলেও অনেক ভোটারের কাছে এই বার্তা সাড়া ফেলেছে।

ঢাকার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তৌফিক হক বলেন, একাত্তরের অনেক পরে জন্ম নেওয়া তরুণ ভোটাররা জামায়াতের অতীতকে আলাদা করে দেখতে পারেন এবং একে ‘লাল দাগ’ হিসেবে দেখেন না। তার কথায়, ‘এটি প্রজন্মগত বিষয়। তারা এই বিতর্কে আটকে থাকতে চায় না।’


তৌফিক হকের মতে, তরুণ ভোটারদের চোখে জামায়াতও শেখ হাসিনার শাসনের ভুক্তভোগী। রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি তাদের অনেক নেতা কারাবন্দি হয়েছিলেন।

গত বছরের সেপ্টেম্বর দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের ছাত্রসংগঠন–সমর্থিত প্রার্থীরা ভূমিধস জয় পায়। অনেকেই একে জাতীয় রাজনীতির মনোভাবের পূর্বাভাস হিসেবে দেখছেন।

বিশেষ করে, স্বাধীনতার পর এই প্রথম ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ইসলামপন্থি দল ছাত্র সংসদের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

দেশে যেখানে প্রতি ১০ জন ভোটারের মধ্যে প্রায় চারজনের বয়স ৩৭ বছরের নিচে, সেখানে এটি ছাত্রনেতাদের জন্য বড় সতর্ক সংকেত হয়ে উঠেছে।

বিতর্কিত সমঝোতা

এনসিপির প্রতি আস্থাহীনতা ছাত্রনেতাদের জন্য বড় ধাক্কা। এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ (২৭) বলেন, ‘আমরা আরও ভালো করার আশা করেছিলাম।’

তবে তার যুক্তি, ‘৫০ বছর ধরে মাত্র দুটি দল বাংলাদেশ শাসন করেছে… আমরা নিজেদের প্রমাণের চেষ্টা করছি।’

এর মধ্যেই গত ডিসেম্বর মাসে এনসিপি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বহুদলীয় জোটের ঘোষণা দেয়। দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকার ছাড়াও, এনসিপির ইশতেহারে তরুণদের লক্ষ্য করে কিছু প্রতিশ্রুতি রয়েছে—অভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের বিচার, ভোটের বয়স ১৬ বছরে নামানো এবং কর ও অর্থনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

আসিফ মাহমুদের কথায়, কিছু বিষয়ে মতভেদ থাকলেও জামায়াতের তৃণমূল সংগঠনের সহায়তা প্রয়োজন ছিল। ‘আমরা সব সময় বলেছি, আমরা ইসলামপন্থি দল নই। এটা আদর্শিক জোট নয়।’

তবে জামায়াত যে ৩০ আসনে এনসিপিকে প্রার্থী দিতে দিচ্ছে, তার মধ্যে মাত্র দুইজন নারী। জামায়াত নিজে দুই শতাধিক প্রার্থী দিচ্ছে, তাদের সবাই পুরুষ।

এনসিপির জ্যেষ্ঠ নারী নেত্রী তাসনিম জারা একে ‘নৈতিক লাল রেখা’ বলে আখ্যা দেন। এ কারণেই তিনিসহ আরও কয়েকজন দল ছাড়েন।

আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ২৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থী শিমা আখতার বলেন, ‘তারা আমাদের সরিয়ে দিতে চেয়েছে।’

তার অভিযোগ, আন্দোলনে নারীরা বড় ভূমিকা রাখলেও মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এখনো পুরুষপ্রধান। ‘নারীরা কোথায়?’—প্রশ্ন তার।

অভ্যুত্থানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারী আন্দোলনকারীদের নিশানা করে আক্রমণ শুরু হয়। শিমা বলেন, ‘কিছু মিম ভিডিও অত্যন্ত সহিংস ও হতাশাজনক ছিল। আমাদের চরিত্রহনন করা হয়েছে, ট্রল করা হয়েছে।’

ভিডিওগুলোতে তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা নিয়ে কটাক্ষ, বিয়ের সম্ভাবনা নষ্ট হওয়ার দাবি, এমনকি গায়ের রং নিয়েও আক্রমণ করা হয়।

দুই দলই নারীদের কোণঠাসা করার অভিযোগ অস্বীকার করে এবং একে বাংলাদেশের ‘সামাজিক কাঠামো’র ফল বলে দাবি করে। জামায়াতের শফিকুর রহমান বলেন, তিনি আশা করেন পরিস্থিতি বদলাবে।

তবে শিমার মতে, ‘এটি কেবল পিতৃতান্ত্রিক অজুহাত।’ তাই তিনি এখন বিএনপির দিকে ঝুঁকছেন। দলটি ২৫০ জনের বেশি প্রার্থীর মধ্যে ১০ জন নারী প্রার্থী দিয়েছে। শিমার কথায়, এটি ‘খারাপের চেয়ে ভালো।’

রাজনীতিতে বংশানুক্রম টিকে থাকবে?

এনসিপির দুর্বলতা ও আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা বিএনপিকেও লাভবান করছে। দলটি নিজেকে নতুন করে উদার গণতান্ত্রিক শক্তি হিসেবে তুলে ধরছে।

আওয়ামী শাসনে হাজারও নেতাকর্মী কারাবন্দি হওয়ার পর, বিএনপি এখন সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী দল হয়ে উঠেছে এবং ছাত্রদের দলকে আরও চাপে ফেলছে।

আওয়ামী লীগের মতোই বিএনপিও রাজনৈতিক বংশের সঙ্গে যুক্ত। শেখ হাসিনা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা। অন্যদিকে, বিএনপির বর্তমান নেতা তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়ার ছেলে। খালেদা জিয়া ছিলেন সামরিক অভ্যুত্থানে নিহত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী।

বিএনপির সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও বর্তমান প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিবিসিকে বলেন, ‘আপনি বংশানুক্রমে এসেছেন কি না, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।’

বিদ্রূপাত্মকভাবে, এই বংশগত রাজনীতির ধারাবাহিকতা সম্ভব হয়েছে ছাত্র অভ্যুত্থানের কারণেই। এর ফলে ১৭ বছর স্বেচ্ছা নির্বাসনের পর তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারেন। শেখ হাসিনার পলায়ন তারেক রহমান ও খালেদা জিয়াকে সেইসব দুর্নীতির মামলা থেকে খালাস পেতে সহায়তা করে, যেগুলো তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছিলেন।

তারেক রহমান জামায়াতের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার করে ভোট আদায়ের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি অর্থনৈতিক ও গণতান্ত্রিক সংস্কারের পাশাপাশি ‘রংধনু রাষ্ট্র’-এর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যেখানে নতুন একটি জাতীয় পুনর্মিলন কমিশন দেশের বিভাজন কাটাতে সহায়তা করবে।

টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকে শেখ হাসিনা বিরোধী কণ্ঠ দমনে ক্রমশ কঠোর হন। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গ্রেফতার, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ ওঠে তার শাসনামলে। ২০২৪ সালের দমন অভিযানের জন্য গত বছর বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

নির্বাসন থেকে তিনি তার দলের ওপর নিষেধাজ্ঞার নিন্দা করেছেন। অনেক জ্যেষ্ঠ আওয়ামী লীগ নেতা তার সঙ্গে ভারতেই আশ্রয় নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ দেশে গ্রেফতার হয়েছেন।

দলটির জেলা পর্যায়ের এক নেতা আত্মগোপনে থেকে বিবিসিকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।’

তিনি হুঁশিয়ারি দেন, শেখ হাসিনা নির্দেশ দিলে দল ও সমর্থকেরা নির্বাচন প্রতিহত করবে। ‘তিনি যদি বলেন ভোটকেন্দ্রে যাওয়া যাবে না, আমরা যাবো না। তিনি যদি বলেন নির্বাচন ঠেকাতে হবে, আমরা তা করবো।’

এ অবস্থায় আগামী সপ্তাহের ভোটের পর ছাত্ররা হয়তো বুঝতে পারবে, তাদের বিপ্লব এবং রক্তপাত আদৌ সার্থক ছিল কি না।

যেখানে বন্ধুকে হারিয়েছেন, সেই ঢাকার যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারের পাশে বসে রাহাত এখনো সব পুলিশ সদস্যের বিচার শেষ হওয়ার অপেক্ষায়।

তাইম ভূঁইয়ার বাবা নিজেই একজন পুলিশ কর্মকর্তা। ছেলের মরদেহ শনাক্তের সময় তিনি বাহিনীর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ফোন করে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘স্যার, একটি ছেলেকে মারতে কয়টা গুলি লাগে?’

বন্ধুকে গুলিবিদ্ধ হতে দেখার দিনটি এখনো রাহাতকে তাড়া করে ফেরে। আটদিন পর ইন্টারনেট চালু হলে তিনি ভিডিওটি দেখেন। ‘আমার চিৎকারের শব্দ পুরো শোনা যায়… আমি অনবরত কেঁদেছি।’

এক বছর পর, গত পাঁচ আগস্ট তিনি সহযোদ্ধাদের সঙ্গে শেখ হাসিনার পতনের প্রথম বার্ষিকী পালন করেন।

তবে রাহাত স্বীকার করেন, তাদের ‘নতুন বাংলাদেশ’ এখনো আসেনি। তার বিশ্বাস, নির্বাচিত সরকার সংস্কার না করা পর্যন্ত তা সম্ভব নয়। তার কথায়, ‘তেঁতুলগাছ থেকে আম আশা করা যায় না।’ - সূত্র: বিবিসি


আমার বার্তা /জেএইচ