ঈদযাত্রা: বাস-ট্রেন-লঞ্চে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৪ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন

আর এই সংকটকে পুঁজি করে বেশকিছু সুযোগসন্ধানী ফিটনেসবিহীন গাড়ি মহাসড়কে যাত্রী পরিবহন করে। পথে পথে সৃষ্টি হয় দুর্ভোগ, যানজট। ঘটে দুর্ঘটনাও।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মহাসড়কে স্বস্তি ফেরাতে নিতে হবে সমন্বিত পদক্ষেপ।
স্বস্তিদায়ক যাত্রায় মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে সমন্বিত উদ্যোগে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস এই খাতের মানুষদের।
ঢাকা পরিবহন মালিক সমিতির এম এ বাতেন বলেন, সভাপতি সিটি সার্ভিসের প্রতিটা গাড়ির কোম্পানিকে নিয়ে মিটিং করেছি যেন এই সব গাড়ি লং রুটে না চলে। সাধারণত এইসব গাড়ি চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকে হালকা যানবাহন চালানোর। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা করবো কোনো অবস্থাতেই সিটি সার্ভিসের গাড়ি লং রুটে না চলতে পারে।
ঈদে বাড়ি ফিরতে প্রতিবছরই যাত্রীদের গুণতে হয় বাড়তি ভাড়া। সাথে দৌরাত্ম্য বাড়ে টিকিট কালোবাজারি ও ফিটনেসবিহীন গণপরিবহনের। তবে এ বছর এসব বন্ধের উদ্যোগের কথা বলছেন পরিবহন নেতারা।
এদিকে, কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঢুকলেই আলাদা করে চোখে পড়বে ঈদের প্রস্তুতি। শৃঙ্খলা রক্ষায় এরইমধ্যে বসেছে বাঁশের বেষ্টনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবার ৫ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালাবে রেলওয়ে। আসা-যাওয়ার অগ্রিম টিকিটের শতভাগ দেওয়া হয়েছে অনলাইনে।
অন্যদিকে, নৌপথের প্রস্তুতিটাও সমানতালের। রঙের আচড়ে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সদরঘাটের লঞ্চ। বাসের চাপে জৌলুস হারালেও ঈদের এই সময়ে কদর বাড়ে নৌযানগুলোর। এই ছুটিতে দৈনিক প্রায় দেড় লাখ মানুষ নৌপথে ছুটবেন গন্তব্যে।
ঈদযাত্রার পুরো সময়ে ঘাটের নিরাপত্তা নিশ্চিতে টহলে থাকবে কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও র্যাব। অতিরিক্ত যাত্রী বহন আর ভাড়া আদায় ঠেকাতে টার্মিনালগুলোয় নজরদারি জোরদার করার কথা জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঈদযাত্রায় মহাসড়কে লোকাল বাস নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সব ধরনের শৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা নিতে হবে হাইওয়ে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। তবেই আনন্দযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হবে।
আমার বার্তা /জেএইচ
