ডাবল স্ট্যান্ড নিয়ে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়নের পক্ষে আমরা নই: ত্রাণমন্ত্রী

প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ১৮:১৫ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ভিন্ন মতটাকেই গণতন্ত্র বলা হয়। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। কিন্তু ডাবল স্ট্যান্ড নিয়ে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়নের পক্ষে আমরা নই। আমরা সবাইকে নিয়ে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই। মানুষ যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আমাদের ম্যান্ডেট দিয়েছেন, সেটি যথাযথভাবে পালন করতে চাই।

রোববার (১০ মে) বিকেলে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনের নিচতলায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন, কুড়িগ্রামকে এখনো পশ্চাৎপদ জেলা হিসেবে দেখা হয়। এই জেলাকে উন্নত জেলার কাতারে নিতে জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যম—উভয়ের দায়িত্ব রয়েছে। সাংবাদিকরা সঠিকভাবে সমালোচনা করলে জনপ্রতিনিধিরা সঠিক পথে থাকেন। এতে দেশ ও জনপদের উন্নয়ন হয়।

তিনি বলেন, সত্যতা যাচাই ছাড়া কোনো সংবাদ প্রকাশ করা উচিত নয়। নির্ভুল ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ হলে সাংবাদিকতার মান যেমন বাড়ে, তেমনি এলাকার উন্নয়নও ত্বরান্বিত হয়।

ত্রাণমন্ত্রী আরও বলেন, একটি তিস্তা নদীর কারণে একটি জনপদ কীভাবে পশ্চাৎপদ হয়ে পড়েছে, রংপুর বিভাগ তার উদাহরণ। অথচ নদীকেন্দ্রিক সভ্যতা গড়ে ওঠার কথা ছিল।

কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সফি খানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকারের সঞ্চালনায় সভায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার সাংবাদিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, উন্নয়নকর্মী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান ও শফিকুল ইসলাম বেবুসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া, জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ এবং কুড়িগ্রাম পৌরসভার সাবেক মেয়র আবু বকর সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, সকালে লালমনিরহাটের বাসভবন থেকে সড়কপথে কুড়িগ্রামে পৌঁছান ত্রাণমন্ত্রী। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এরপর কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য স্থান নালিয়ারদোলা এলাকা পরিদর্শন শেষে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।


আমার বার্তা/এমই