চোখের বালি : অন্তর্জগতের জটিল রহস্য

প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৩৩ | অনলাইন সংস্করণ

  মো. রবিন ইসলাম:

চোখের বালি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি সামাজিক উপন্যাস। ১৯০১-০২ সালে নবপর্যায় বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। ১৯০৩ সালে উপন্যাসটি বই আকারে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসের বিষয় "সমাজ ও যুগযুগান্তরাগত সংস্কারের সঙ্গে ব্যক্তিজীবনের বিরোধ"।

'চোখের বালি' উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে নতুন দ্বার উন্মোচিত করে এবং রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসে নতুন ধারা সৃষ্টি হয়।'চোখের বালি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম আধুনিক উপন্যাস। উনিশ শতকের শেষ দশকের যুগান্তকারী বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার এবং সমসাময়িক কালের জাতিক ও আন্তর্জাতিক সময়,সমাজ ও সংস্কৃতির অন্তরাস্থিত মানব অস্তিত্বের সর্বগ্রাহী সমস্যাই প্রথম বাংলা সাহিত্যে 'চোখের বালি' উপন্যাসের মাধ্যমে শিল্পরূপ লাভ করে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস রচনার মধ্য দিয়ে উপন্যাসের জগতে প্রবেশ করেছিলেন।তবে এতে তার তৃপ্তি মেটেনি।কল্পনাকে বাদ দিয়ে বাস্তব জীবনের প্রেক্ষাপটকে আশ্রয় করে তিনি নতুনধারা সৃষ্টি করেন।তার এ চেষ্টার  প্রতিফলন দেখা যায় 'চোখের বালি' উপন্যাসে।

১৮৮০ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  'বিনোদিনী' নামে একটি গল্প লেখেন এবং পরবর্তীতে এটিই 'চোখের বালি' উপন্যাস আকারে প্রকাশিত হয়। মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ কুশলতা 'চোখের বালি' উপন্যাসের চরিত্রাঙ্কনের প্রধান বৈশিষ্ট্য। উপন্যাস টিতে রবীন্দ্রনাথ চরিত্র গুলোর ব্যক্তিত্বকে শুধু বাইরের ক্রিয়াকর্মে নয়,মনের দিক থেকে পূর্ণ বিকশিত করে বিশ্লেষণ করেছেন।পারিবারিক গন্ডির মধ্যকার ব্যাক্তিজীবনের সমস্যা ও টানাপোড়েন খুব গভীরভাবে বিশ্লেষায়িত হয়েছে।দৈনন্দিনের খুটিনাটি বিষয়কে অবলম্বন করে মনের বিমিশ্রি গভীর অনুভূতির বিবরণ দিয়ে শিল্পী চরিত্রে রুপ ফুটিয়ে তুলেছেন।উপন্যাসের শুরুতেই আমরা বিনোদিনীর পরিচয় পাই।বিনোদিনী চরিত্রকে ঔপন্যাসিক অতি সূক্ষ্ণ এবং জটিল মনস্তত্ত্বে বিশ্লেষণ করেছেন।বিনোদিনী 'চোখের বালি' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। বিনোদিনী যেমন সুশিক্ষায় শিক্ষিত,সুদর্শনা তেমনি কাজকর্মে নিপুণ।সে ছিল মার্জিত রুচিসম্মত অন্যন্য বাঙালি নারীদের থেকে একটু বেশিই শিক্ষিত।কারণ তার বাবা মেম সাহেব রেখে তাকে পড়াশোনা করিয়েছেন।অপর দিকে ধনির দুলাল মহেন্দ্র। সে ডাক্তারি পড়ে।সংসারে তার মা রাজলক্ষ্মী ও তার কাকিমা  অন্নপূর্ণা ছাড়া আর কেউ নেই।বাইরে আছে তার বন্ধু বিহারী।ধরতে গেলে সেও তাদেরই পরিবারের একজন।মহেন্দ্রের মা বিহারী কে নিজের পুত্র জ্ঞান করেন এবং তার কাকিমার সন্তান না থাকায় মহেন্দ্র এবং বিহারী কে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসেন।

মহেন্দ্রের সংজ্ঞে বিনোদিনীর বিয়ের কথা বলে মহেন্দ্রের মা।মহেন্দ্র প্রথমে সম্মতি দিলেও শেষ পর্যন্ত বিনোদিনী তার কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়।দরিদ্রের অপঘাতে অসুস্থ ও অযোগ্য ঘাটের মরার গলায় সে মালা পরাতে বাধ্য হয়।ভেঙে যায় তার সকল স্বপ।অল্প বয়সে বৈধবা বরণ করে তার জীবনে নেমে আসে দুঃখকষ্ট। বিহারীর প্রত্যাশায় সমাজের উপেক্ষা, অল্প বয়সে বৈধব্য বরণ,দরিদ্রের যন্ত্রণা বিনোদিনীর আত্নসম্মানে আঘাত হানে।চোখের বালি উপন্যাসে মহেন্দ্রর খামখেয়ালিপনা উপন্যাসের গতিপ্রকৃতিকে বাংরবার পরিবর্তন করেছে।যে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণহীন বলেই বিহারীর বিয়ের পাত্রী আশালতাকে বিয়ে করেছে।বিয়ের পর উদ্দাম প্রলয়লীলায় মত্ত হয়ে জগৎসংসার ভুলে যায়।তার মা রাজলক্ষ্মী ছেলের এমন অবস্থা দেখে কষ্ট পেয়েছে।সে অন্নপূর্ণাকে দোষারোপ করেছে।এতে অন্নপূর্ণা সংসার ছেড়ে কাশীতে চলে যায়।আর রাজলক্ষ্মী চলে যায় গ্রামের বাড়ি বারাসাতে।সেখানে বিনোদিনী তার সেবা করে মন জয় করে নেয়।ঘটনাচক্রে একদিন মহেন্দ্র তার দাম্পত্যজীবনের উচ্‌ছ্বসিত বর্ণনা ভরা একটি চিঠি বিনোদিনীর হাতে পড়ে।অত্যান্ত অকিঞ্চিৎকর মনে হলেও যুগসন্ঞিত অগ্নিসম্ভাবনার স্ফুলিঙ্গের মতো কার্যকর হয় এ চিঠি। বিনোদিনীর অচরিতার্থ প্রেমাকাঙ্ক্ষার ক্ষোভ প্রত্যাসন্ন বাহির পূর্বাভাসে ধূমায়িত হয়।বস্তুত মহেন্দ্রর চিঠি বিনোদিনীর চিন্তাভাবনান মধ্যে বিপ্লব ঘটিয়ে দেয়,তার অন্তরে সুপ্ত প্রেম জাগ্রত করে।নবোদ্বোধিতা প্রেমাক্ঙ্ক্ষা নিয়ে বিনোদিনী মহেন্দ্রর সংসারে প্রবেশ করে।

যদি সহজভাবে বিনোদিনীর প্রেমতৃষ্ঞা জাগ্রত হতো তবে প্রথম থেকেই হয়তো তার ভেতকার নারীত্বই মাধুর্যশক্তির বিকাশ লক্ষ করা যেত।কিন্তু বঞ্চনার ক্ষোভ এবং ঈর্ষার অভিঘাতের বাঁকাপথে তার অবরুদ্ধ গোপন বাসনাটি প্রকাশিত হওয়ায় তার চরিত্রের কুটিল দিকটিই প্রথমে উদঘাটিত হয়েছে।তার যতই সে মহেন্দ্রকে দেখেছে ততই আশা মহেন্দ্রের দাম্পত্যজীবনের বিচিত্র লীলা   তার নিকট প্রত্যক্ষ হয়েছে।যতই সে আশাকে খুঁটিয়ে পথের প্রণয়লীলার তুচ্ছতম কথাটি পর্যন্ত শুনে পরোক্ষ পরিতৃপ্তির পথে খুঁজেছ ততই যেন তার শিরায় শিরায় আগুন ধরে গেল।সে যেদিনকে চায় তার চোখ যেন অগ্নিস্ফুলিঙ্গ বর্ষণ হতে থাকে।তার মনে হতে থাকে-"এমন সুখের ঘরাকান্না এমন সোহাগের স্বামী আমার জায়গায় কিনা এই কচি খুকি,এই খেলার পুতুল!"এ ধরনের চিন্তা কম্রেই তার রীতিমতো পীড়িত করেছে,অথচ বাহিরে নিখুঁত অভিনয়ে সে আশার সঙ্গে সখী সম্পর্ক স্হাপন করে মহেন্দ্রের অন্তর জয়ের দিকে অগ্রসর হয়েছে।বিহারীর চরিত্রের ঔদার্য, ব্যাক্তিত্ব বিনোদিনীকে তার প্রতি শ্রদ্ধকবনত করে তুলেছে।তবে তার প্রতি বিহারীর ঔদাসীন্যে,বিশেষ করে আশার সম্পর্কে বিহারীর দুর্বলতার কথা জানতে পারায়,বিনোদিনীর ব্যগ্র পূজা  প্রতিহত হয়েছে।তাই বাধ্য হয়ে বিনোদিনী মহেন্দ্রকে আকড়ে ধরেছে।যে মহেন্দ্র তাকে উপেক্ষা করে আশার মতো ক্ষীনবুদ্ধিসম্পন্না মেয়েকে বরণ করেছে "তাহাকে বিনোদিনী ভালোবাসবে কি বিদ্বেষ করে,তাহাকে কঠিন শাস্তি দিবে না হৃদয়সম্পন্ন করিবে,তাহা বিনোদিনী ঠিক করিয়া বুঝিতে পারে নাই।একটা জাল্বা মহেন্দ্র তারহার অন্তরে জ্বালাইয়াছে,তা হিংসার না প্রেমের, না দুয়ের মিশ্রন,বিনোদিনী ভাবিয়া পায়না,.কিন্তু যে কারনে বল দগ্ধ হোক বা দগ্ধ করিতে হোক,মহেন্দ্রকে তার একান্ত প্রয়োজন।" সমগ্র উপন্যাসে বিনোদিনী কখনো সংহার মূর্তি ধারণ কখনো আবার ন্সিগ্ধ পূজার আয়োজন করেছে।মহেন্দ্রকে অবলম্বন করে বিনোদিনীর প্রেমকাঙ্ক্ষা জাগ্রত হলেও  তার সম্পর্কে অবিমিশ্র প্রেমের মনোভাব তার কোনদিনি ছিল না।বিহারীর সংজ্ঞে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিনোদিনীর  চোখ প্রথম থেকে যে ম্লান হয়ে গেছে।মহেন্দ্র যতই কামুক হওক কিংবা তাকে যতই কাছে টানুক বিনোদিনীর মনকে ততই আকর্ষণ করেছে বিহারী।বিনোদিনী বুঝতে পারছিল যে বিহারীকে বুদ্ধি ও ছলনা দিয়ে জয় করা সম্ভব নয়।বিহারীকে জয় করতে হলে প্রয়োজন আত্মসমর্পন।অতঃপর বিহারী যখন তাকে বিয়ে চেয়েছে তার মধ্যে লেখকের আর্দশ প্রচারিত হয়েছে।বিনোদিনী বিহারীকে সমজা সংসারে ছোট করতে চায়নি কারনি সে বিধবা তাকে বিয়ে করলে লোকে নিন্দে করবে তাই সে বিয়ের প্রস্তাব পেয়েও বিহারী কে সমাজ সংসারে ছোট না করে বড় করে সে বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়।এটাও বিনোদিনীর শেষ  কথা নয়।বিহারী যখন একাকী জীবন পার করার জন্য প্রস্তত তখন আবার তার সেবাদাসী হয়ে থাকার ইচ্ছে প্রকাশ কিন্তু তখন বিহারী তাকে বিনয় আর শ্রদ্ধার সাথে প্রত্যাখ্যান করেছে।

'চোখের বালি'র দুটি পুরুষ চরিত্রের মধ্যে প্রধান মহেন্দ্রকে লেখক গঠন করেছেন আত্মকেন্দ্রিকতার ধাতুতে।বাল্যকাল থেকেই সে পিতা হারা হয়ে মা ও কাকিমার আদরে প্রশয়ে সে শুধু নিজেকেই ভালোবাসতে শিখেছে।তার মধ্যে মানবিক গুণাবলির জন্ম হয়নি।প্রথেম দেখা যায় মায়ের প্রতি ভালোবাসার ঘাটতির অভাব হবে বিয়ে করলে এই কারণে সে বিয়ে করতে চায়না।পরে আবার বিহারীর পছন্দের মেয়ে কে বিয়ে করে জগৎ সংসার, মা সবাইকে ভুলে স্ত্রীর প্রতিই বেশি মনোযোগী হয়ে পড়ে।বিনোদিনীর ক্ষেতেও তার আত্মকেন্দ্রীকতায় কাজ করেছে।প্রথমে সে বিনোদিনীর সম্পর্কে উদাসীন কিন্তু তার সম্পর্কে যে বিনোদিনীও উদাসীন এটি তাকে বেদনাহত করেছে।

উপন্যাস বিহারী কে আবিষ্কার করেছে বিনোদিনী। এই চরিত্রের অপূর্নতা দূর করে, গোপনো আবেগের দূর্বলতার খাদ মুক্ত করে তাকে খাঁটি সোনায় পরিণত করার দায়িত্ব বিনোদিনীই পালন করেছে।বিহারীর অন্তের শুধু প্রেম নয় বরং তার পৌরুষ জাগরণ ঘটেছে বিনোদিনীর সংস্পর্শে।মহেন্দ্র বিহারীর সম্পর্কে বলেন যে বিহারী পোষনামার বিদ্যাে জানে,তা যদি তাকে শিখাইতো তাহলে বন্ধুত্বের কাজ করতো।বিহারীকে রবীন্দ্রনাথ মনস্তাত্ত্বিক একটি সূক্ষ্ম সূত্রের  ওপর প্রতিষ্ঠিত করে তাকে বিকশিত করেছে।

রাজলক্ষ্মী চরিত্রটিও অতি সুক্ষ্ম একটি মনস্তাত্ত্বিক সূত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।মহেন্দ্র সম্পর্কে রাজলক্ষ্মী স্নেহের মনোভাব বাড়াবাড়ি মনে হলেও মনস্তাত্ত্বিক বিচারে তার মনোভাব আত্মপ্রতিষ্ঠার নামান্তর। মহেন্দ্রর ভিতর দিয়ে রাজলক্ষ্মী রসিয়ে রসিয়ে নিজের প্রাধান্য উপভোহগ করেছে।মায়ের প্রাধান্য ক্ষুণ্ণ হবে মনে করে বিবাহ করলে রাজলক্ষ্মী যেমন খুশি হয়েছে তেমনি তার অমতে বিয়ের পর বউ নিয়ে মাতামাতি রাজলক্ষ্মীর ক্ষোভে পরিনত হয়েছে। তখনি সে বিনোদিনী কে দেখে বলে উঠে, "মা তুই আমার ঘরের বউ হলিনে কেন,তা হইলে তোকে বুকের মধ্যে করিয়া রাখতাম।" রাজলক্ষ্মী তার স্বরুপ বুঝিতে না পারলে বিনোদিনী ঠিকি বুঝেছিল।তাই সে বলেছিল-"সে কথা ঠিক পিসিমা,কেহ কাহাকেও জানে না।নিজের মনও কি সব জানে।তুমি কি কখনো তোমার বউয়ের উপর দ্বেষ করিয়া এই মায়াবিনীকে দিয়ো তোমার ছেলের মন ভুলাইতে চাও নাই?একবার ঠাওর করিয়া দেখো দেখি।"এখানেই রাজলক্ষ্মী চরিত্রের পূর্ণরূপটি ধরে পড়েছে।

উপন্যাসে আশা চরিত্র টি অকিঞ্চিতকর বলে মনে হলেও তার বিবর্তনও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।প্রথম দিকে অবলা,সরলা,অপরিণতবুদ্ধি বালিকা আশা শেষর দিকে কিছুটা আত্মবোধ সম্পন্ন হয়েছে।মহেন্দ্র বিনোদিনীর প্রতি আসক্ত হলে তার একসময় মনে হয়েছিল,"যে লোক অন্য কে ভালোবাসে তাহার নিকট সোহাগ চাইতে যাওয়ার মতো এমন নিরতিশয় লজ্জাকর চেষ্টা সে কেমন করিয়া করিবে।"শেষের দিকে আশার চরিত্রের পরিবর্তন ঘটেছে ব্যাপক।তা মহেন্দ্রও লক্ষ্য করেছে।শেষে আশা তার কাছে যে মূর্তিতর ধরা দিয়েছিল এ যেন মহেন্দ্রর কাছে নতুন।এ আশার মধ্যে কোন সংকোচ নাই,দীনতা নাই,এই আশা নিজের অধিকারের মধ্যে অধিষ্ঠিত।যে টুকুর জন্য সে মহেন্দ্রর কাছে ভিক্ষাপ্রার্থী নয়।

উপন্যাসে অন্নপূর্ণার বিশেষ ভূমিকা নেই,তবে অবানন্তর বলা যায়না।তিনিই বিহারী ও আশার,বিশেষ করে আশার আত্মাধিক শক্তি।সে চাইলে মহেন্দ্র কে ফিরাতে পারতো আবার আশাকেও শিক্ষিত করতে পারতো।কিন্তু আপত অশান্তি এড়াতে তিনি অভিমানবশত কাশি গমন করেন।বাহ্যত নির্বিবাদ এ চরিত্রটির মধ্যে সূক্ষ্ণ অভিমানের রেশ,সরলরেখার অক্ঙিত চরিত্রটির মধ্যে সামান্য একটু জটিলতার সঞ্চার করেছে উপন্যাসের কাহিনির ওপর ভর করে রবীন্দ্রনাথ চরিত্রের অন্তর্জগতের জটিল রহস্য উদ্ঘাটনে উৎসাহী হয়েছেন। বিধবা তরুণীর মনোবেদনা ও সামাজিক অবস্থান মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণের প্রয়াস রয়েছে।


লেখক : শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ ঢাকা কলেজ।

আমার বার্তা/মো. রবিন ইসলাম/এমই