স্বাধীনতাই যারা বিশ্বাস করে না, তারাই এখন ধর্মীয় বিভাজন তৈরিতে ব্যস্ত: সালাহউদ্দিন

প্রকাশ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:৫৩ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

চকরিয়া উপজেলার পশ্চিম বড় ভেওলায় বিএনপির নির্বাচনী পথসভা।

স্বাধীনতাই যারা বিশ্বাস করে না, তারাই এখন ধর্মের ভিত্তিতে রাজনৈতিক বিভাজন করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘এ দেশের মানুষ সেটা চায় না। আমরা সবাই বাংলাদেশি পরিচয়ে পরিচিত। আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, এ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। কিন্তু তারা দেশে ধর্মীয় বিভাজন তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছে।’

আজ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পশ্চিম বড় ভেওলায় এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এ দেশের গণতন্ত্র বিলুপ্ত হয়েছিল, সেই গণতন্ত্রকে বারে বারে বিএনপির নেতৃত্বে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। ছাত্ররা গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত করেছে। একটি বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা ও সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য আমাদের সন্তানেরা রক্ত দিয়েছে, শহীদ হয়েছে।

‘যারা রাজপথে রক্ত দিয়েছে, তাদের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও একটি বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।’ এই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা ও শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সারা দেশে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন তিনি।

বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘বিএনপির উদ্দেশ্য হচ্ছে—আমরা শিক্ষিত বেকার তৈরি করতে চাই না, আমরা কর্মক্ষম হাত সৃজন করতে চাই। ১৮ কোটি মানুষের ৩৬ কোটি কর্মের হাত হিসেবে তৈরি করতে চাই। এটাই হচ্ছে আমাদের পরিকল্পনা। অন্যান্য দল যারা নেমেছে, তাদের কোনো পরিকল্পনা-কর্মসূচি নেই।’

সারা দেশে বিএনপির প্রার্থীদের জন্য ভোট প্রার্থনা করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপির পরিবেশের জন্য বৃক্ষরোপণ, খাল খনন, প্লাস্টিকের ব্যবহার কম করাসহ নানা পরিকল্পনা রয়েছে। বিগত সরকারের সময় যে পরিমাণ দেশ থেকে বিদেশে টাকা পাচার হয়েছে, তার শতকরা ১০ শতাংশ দিয়ে সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব। দেশে অর্থনৈতিক যে বিশৃঙ্খলা, তা ফিরিয়ে আনবে বিএনপি।

এ সময় মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইবরাহিম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হেফাজুতুর রহমান টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শোয়াইবুল ইসলাম সবুজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আমার বার্তা/এমই