লোক দেখানো নাকি জনকল্যাণেই যুবদলের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সচেতনতার যাত্রা

প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:০৪ | অনলাইন সংস্করণ

  রানা বর্তমান

জনকল্যাণমূলক ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল বর্তমানে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, তা সমসাময়িক রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অনন্য বার্তা বহন করছে।

ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে জনপদকে সুরক্ষিত রাখতে কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় দেশজুড়ে যে ৭ দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, তা কেবল একটি রুটিন কার্যক্রম নয়; বরং এটি দায়িত্বশীল রাজনীতির এক যুগান্তকারী বহিঃপ্রকাশ।

গণমাধ্যমে বা জনপরিসরে অনেক সময় সমালোচনা করার প্রবণতা দেখা যায় যে, রাজনৈতিক দলগুলো এসব কাজ কেবল ‘লোক দেখানোর’ জন্য করে থাকে। কিন্তু সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রয়োজনে এই লোক দেখানো বা দৃশ্যমান কাজের গুরুত্ব অপরিসীম। বিনোদন জগতের বৈশ্বিক বা জাতীয় সুপারস্টার যেমন শাহরুখ খান বা শাকিব খান যখন কোনো সামাজিক সচেতনতামূলক প্রচারে অংশ নেন, তখন তাঁদের উদ্দেশ্যও থাকে দৃশ্যমানতার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা।

কারণ, গণসচেতনতা তৈরি করতে হলে সেই কাজটিকে মানুষের চোখের সামনে নিয়ে আসতে হয়, যাতে তা দেখে সাধারণ মানুষ নিজ নিজ জায়গা থেকে জাগ্রত ও উৎসাহিত হয়। যুবদলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও ঠিক এই দর্শনটিকেই বাস্তবে রূপ দিয়েছেন।

যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের দূরদর্শী নেতৃত্বে দলটির নেতাকর্মীরা আজ মাঠপর্যায়ে লিফলেট বিতরণ, ডোবা-নালা পরিষ্কার এবং ব্লিচিং পাউডার ছিটানোর মতো কার্যক্রমে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়েছেন।

৭টি বিভাগে যুবদলের এই সুসংগঠিত টিমওয়ার্ক এবং সাধারণ মানুষের সরাসরি সম্পৃক্ততা প্রমাণ করে যে, যুবদল আজ ক্ষমতার রাজনীতি ছাপিয়ে গণমানুষের প্রকৃত সেবায় ব্রতী হয়েছে। রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের সুদূরপ্রসারী চিন্তা ও দিকনির্দেশনায় দেশের প্রতিটি নাগরিক এবং রাজনৈতিক শক্তিকে আজ দলীয় সংকীর্ণতা ভুলে ডেঙ্গু প্রতিরোধের এই জাতীয় লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

ইতিবাচক ও জনকল্যাণমূলক কাজের যথাযথ মূল্যায়ন না করলে সমাজে ভালো কাজের সংস্কৃতি হারিয়ে যায়। তাই জাতীয়তাবাদী যুবদলের এই সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ কেবল দলীয় অর্জন নয়, বরং এটি সমগ্র জাতির জন্য এক অনুকরণীয় দেশপ্রেমের দীক্ষা।