ই-পেপার শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩

চাঁদাবাজি-সিন্ডিকেট আগে ছিল, এখনো আছে: সারজিস আলম

আমার বার্তা অনলাইন:
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৮:৩৯

জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, এ বাংলাদেশ চাঁদাবাজি ছিল, চাঁদাবাজি হচ্ছে। সিন্ডিকেট ছিল, সিন্ডিকেট হচ্ছে। এগুলো বন্ধ করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে একটি সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

সারজিস আলম বলেন, সোনারগাঁয়ের শিল্প নগরীর বিভিন্ন জায়গায় দখলদারিত্ব যা ছিল তাই আছে। বিভিন্ন প্লট থেকে শুরু করে যতো টাকার ভাগবাটোয়ারা হতো এখন তার চেয়ে কম হয়না বরং আরও বেশি হয়। মনে রাখতে হবে অভ্যুত্থানের লড়াইয়ে ৫-৬ জুনে আমরা ৫০০ জনও রাজপথ ছিলাম না। কিন্তু ৫ আগস্টে আমরা ৫ কোটি মানুষ পুরো বাংলাদেশের রাজপথে নেমেছিলাম। এ জন্য সময় দিতে হবে, সাহসিকতার সঙ্গে রাজপথ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের রাজনৈতিক দল ফেব্রুয়ারি মাসে আসছে। আমাদের অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। বিগত ১৬ বছর যে চর্চাগুলো ছিল আমরা এখন আবার সে চর্চাগুলো নতুন করে দেখতে পারছি। স্পষ্ট কথা যারা এসব চর্চাগুলো করে এসেছে তাদের রক্তে ওই চর্চা একদম মিশে গেছে। সেই চর্চা থেকে বের হয়ে আসতে তাদের নেতৃত্ব দিতে হবে যারা এ অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছিল।

সারজিস আলম বলে, আমাদের লড়াইয়ে খুনি হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। খুনি হাসিনা নিজে বাঁচার জন্যে এবং পরিবারকে বাঁচানোর জন্যে পালালেও তার নেতাকর্মীদের নিয়ে যাননি। এককথায় খুনি হাসিনা তার দলীয় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগকে টিসুর মতো ব্যবহার করেছেন।

তিনি বলেন, এখন অনেকে রাজনীতি করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের ব্যানারে। এখন চেনার সময় হয়েছে। বিগত ১৬-১৫ বছরে কোন নেতাকে কাছে পেয়েছেন এবং কোন নেতা আত্মগোপন কিংবা দেশের বাহিরে থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সুবিধা আদায় করেছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বহু নেতা আছে যাদের বিগত ১৬ বছর জনগণ খুঁজেও পায়নি। তারা এখন নতুন করে নতুন রূপে এ বাংলাদেশে এসেছেন। তারাই এখন আপনাদের মাঝে হাত গোলাচ্ছেন। কঠিন সময়ে যাদের পাশে পাওয়া যায়নি তাদের নেতা হিসেবে মেনে নেওয়ার দয়া দেখাবেন না।

যদি তা দেখান তাহলে শেখ হাসিনা যেভাবে কঠিন সময়ে তার নেতাদের ফেলে পালিয়েছে আপনাদের অবস্থাও একই হবে। আপনাদের ফেলে অনেক নেতা আবার জান নিয়ে পালাবেন।

আমার বার্তা/এমই

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ জন

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় যাত্রীবাহী মারসা পরিবহণের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চারজন নিহতের খবর

রাঙামাটিতে ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে সশস্ত্র হামলায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-প্রসীত) এক সদস্য নিহত হয়েছেন।

হিলিতে জমে উঠেছে মসলার বাজার, দামে স্বস্তি

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দিনাজপুরের হিলি বন্দর বাজারে জমে উঠতে শুরু করেছে মসলার বেচাকেনা।

গাজীপুরে পাঁচ খুনের ঘটনায় উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন কন্যাসন্তান ও শ্যালককে গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন ট্রাকচালক
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৯ জনের মৃত্যু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

মিয়ানমারের চিন ও রাখাইন রাজ্যের সশস্ত্র দলগুলোর সমঝোতা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা

দেশের ক্ষতি হলে আমরা নীরবে বসে থাকব না : জামায়াত আমির

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ জন

শহীদের সঙ্গে বেইমানি নয়, প্রকৃত খুনিদেরই বিচার হবে: চিফ প্রসিকিউটর

গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আশার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর

মেসির মতে তিনটি দেশ ২০২৬ বিশ্বকাপের শীর্ষ ফেভারিট

শিক্ষা খাতের সমস্যা সমাধানে নীতিমালায় পরিবর্তন আনছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী

 বাঘাবাড়ি ডিপোতে সক্রিয়  "তেলচোর  সাদেকীন সিন্ডিকেট" নেপথ্যে জি এম এইচ আর মাসুদুল 

সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার, হাই অ্যালার্টে বিজিবি

জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

রাঙামাটিতে ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা

হিলিতে জমে উঠেছে মসলার বাজার, দামে স্বস্তি

ব্যবসা ও রাজনীতির যোগসাজশের প্রভাব গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর পড়ছে

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী

স্কুলপড়ুয়া শিশুর জন্য যে পুষ্টি উপাদানগুলো জরুরি

গাজীপুরে পাঁচ খুনের ঘটনায় উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য

গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ছাড়া সংবাদমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা সম্ভব নয়: কামাল আহমেদ

দেশেই তৈরি হবে ডেঙ্গু ও হামের টিকা, কমবে অ্যান্টিভেনম সংকট