
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এই প্রার্থীকে ঘিরে ধামরাইবাসীর মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
স্থানীয়দের একটি বড় অংশের দাবি, ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ ধামরাই অঞ্চলে অপরিচিত মুখ। রাজনৈতিক বা সামাজিক কার্যক্রমে তাকে কখনোই দৃশ্যমানভাবে না পাওয়ায় ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ ও প্রত্যাশার ঘাটতি দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।
এদিকে, জামায়াতের সম্ভাব্য হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচিত মাওলানা আব্দুর রউফের মনোনয়ন না পাওয়ায় ধামরাইয়ের জনসাধারণ ও দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থকদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। স্থানীয় পর্যায়ে দীর্ঘদিন সাংগঠনিক কার্যক্রম, জনসংযোগ ও রাজনৈতিক ভূমিকার কারণে মাওলানা আব্দুর রউফ ছিলেন পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ-এমনটাই মত ধামরাইবাসীর।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভিন্ন স্থানীয় ভোটাররা জানান, “ধামরাইয়ের মানুষ চেনে এমন একজন প্রার্থী আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম। হঠাৎ করে অপরিচিত মুখ আসায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে। এর মাধ্যমে ঢাকা-২০ আসনের নির্বাচনী আনন্দ ও গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট হচ্ছে।” এনসিপি প্রার্থী নাবিলা তাসনিদ একেবারেই নতুন মুখ। অনলাইনে তাঁর সরব ভূমিকা থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর কোনো উল্লেখযোগ্য সম্পৃক্ততা নেই বললেই চলে। এমনকি জুলাই আন্দোলনেও কোনো পর্যায়ে তাঁর ভূমিকা দৃশ্যমান হয়নি—এ নিয়েও জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনী মাঠে ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ কীভাবে ধামরাইবাসীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেন এবং এই আসনে জামায়াত জোটের অবস্থান কতটা শক্তিশালী করতে পারেন।
এ ঘটনার ফলস্বরূপ হিসেবে ধামরাইবাসীর নির্বাচনী প্রত্যাশা অনেকাংশেই ক্ষুণ্ন হয়ে গেছে। পাশাপাশি স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যেও চরম হতাশা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আমার বার্তা/এমই

