ই-পেপার রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

লিবিয়ায় মানবপাচারকারী চক্রের মূল হোতা ফখরুদ্দীন গ্রেপ্তার

আমার বার্তা অনলাইন
১৭ মার্চ ২০২৫, ১০:৫৭
আপডেট  : ১৭ মার্চ ২০২৫, ১০:৫৯

লিবিয়ায় মানবপাচার ও মুক্তিপণ আদায় চক্রের মূল হোতা ফখরুদ্দীনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। রোববার (১৬ মার্চ) বিকেল পৌনে ৬টার সময় মিসরের কায়রো থেকে ঢাকায় অবতরণের পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় বিমানবন্দর থেকে তাকে পালাতে সহায়তার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ট্রাফিক হেলপার শওকত আলীকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযোগ আছে, দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশিদের লিবিয়া পাচার করত ফখরুদ্দীন ও তার চক্র। পরে বন্দিশিবিরে আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন চালানো হতো তাদের ওপর। মুক্তিপণ আদায়ের পর ভুক্তভোগীদের মুক্তি না দিয়ে অন্য চক্রের কাছে বিক্রি করে দিতেন ফখরুদ্দীন।

নির্যাতনের ভয়াবহতা সম্পর্কে পাচারের শিকার এক ভুক্তভোগী আশিকুর রহমান সুমন (২১) বলেন, আমাদের ছোট্ট একটি অন্ধকার কক্ষে আটকে রাখা হয়েছিল। দিনে একবার পচা খাবার দিত। আমাদের খাবার পানিও দিত না। যারা পরিবারের থেকে টাকা আনতে ব্যর্থ হতো তাদের লোহার রড দিয়ে পেটানো হতো। অনেককে বিদ্যুতের শক দিত তারা।

সুমন জানান, অমানবিক নির্যাতনের এই দৃশ্য সরাসরি দেখানো হতো পরিবারের সদস্যদের। স্বজনকে বাঁচাতে বাধ্য হয়ে মুক্তিপণের টাকা পাঠাতো ভুক্তভোগীর স্বজনরা। তবে টাকা দেওয়ার পরও মুক্তি মিলত না ভুক্তভোগীদের। তাদের আবার নতুন মাফিয়াদের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হতো। একইভাবে মুক্তিপণ আদায়ের পর সুমনসহ কয়েকজনকে অন্য একটি চক্রের কাছে বিক্রি করে দেয় ফখরুদ্দীন। সুমন সেখান থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও তার ১৬ সহযাত্রী এখনো সেখানে বন্দি রয়েছে।

জানা গেছে, কায়রো বিমানবন্দরে হঠাৎ ফখরুদ্দীনকে দেখতে পান সুমন। চিনতে পেরে দ্রুত তার ছবি তুলে ভুক্তভোগীদের পরিবারের কাছে পাঠান তিনি। পরে বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হলে বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে ফখরুদ্দিন ও তার সহযোগীকে বিমানবন্দর থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। চক্রের বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।

মুক্তিপণ আদায় করে ১৬ বাংলাদেশিকে অন্য একটি চক্রের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে ফখরুদ্দিন। ভুক্তভোগীরা বর্তমানে লিবিয়ার বেনগাজির একটি বন্দিশিবিরে রয়েছে। তাদের পরিবারের সদস্যরা ঢাকার বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন— আমাদের সন্তানদের মুক্তির জন্য লাখ লাখ টাকা দিয়েছি, কিন্তু তারা এখনো বন্দি! ফখরুদ্দিন আমাদের সর্বনাশ করেছে, ওর কঠোর শাস্তি চাই!

আমার বার্তা/জেএইচ

জুলাই হত্যা মামলা নিয়ে বাণিজ্য, বিএনপি নেতার দলীয় সাজা

জুলাই হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে ‘বাণিজ্যিক কার্যক্রমে’ জড়িত থাকার অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা বিএনপির দুই

এক ফ্ল্যাট দেখিয়ে কোটি টাকার প্রতারণা, সিআইডির অভিযানে গ্রেপ্তার ৩

রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় একই ফ্ল্যাট বারবার বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে কোটি টাকার প্রতারণা করা একটি চক্রকে

অবৈধ গ্যাস সংযোগ উচ্ছেদে তিতাস গ্যাস কর্তৃক অভিযান ও জরিমানা আদায়

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি অবৈধ সংযোগ উচ্ছেদে গাজীপুর, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে পৃথক অভিযানে

ময়দা-সয়াবিন-সারের বিনিময়ে মিয়ানমার থেকে আসছে মাদক

মিয়ানমার থেকে মাদকের বিনিময়ে বাংলাদেশি খাদ্য ও পণ্য সামগ্রী পাচারকালে ৯ চোরাকারবারিকে আটক করেছে কোস্ট
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নীল মসজিদে পোপ লিওর ঐতিহাসিক সফর

প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি চলছে, বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে শঙ্কা

দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ বন্যায় নিহত বেড়ে ৬০০, নিখোঁজ বহু

আপাতত এভারকেয়ারেই চলবে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা: ডা. জাহিদ

৩০ নভেম্বর ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা

শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা

টেকসই কৃষি উৎপাদনকে এগিয়ে নিতে উত্তরণ ইঞ্জিনিয়ারিং এর সাফল্য কামনা করছি

কড়াইল অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আনসার–ভিডিপির শীতবস্ত্র বিতরণ

নির্বাচন করতে চাইলে উপদেষ্টাদের এখনই পদত্যাগ করা উচিত: সাইফুল

ন্যায়বিচার নিশ্চিতেই ব্যক্তিত্ব, দক্ষতা ও সাহসিকতা জরুরি: কমিশন সভাপতি

বই ছাপার জামানতের অর্থছাড়েও এনসিটিবিতে ‘বকশিশ বাণিজ্য’

খালেদা জিয়ার অবস্থা সংকটাপন্ন, বিদেশে নেওয়ার মতো স্থিতিশীল নয়

শিক্ষাকেন্দ্রগুলোকে রাজনীতিমুক্ত রাখতে হবে: শিক্ষা উপদেষ্টা

জাকেরকে বাদ দিয়ে ৩ পরিবর্তন নিয়ে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

চাঁদা না দেওয়ায় রাস্তার নির্মাণকাজ বন্ধ, শ্রীনগরে মানববন্ধন

তারেক রহমানের দেশে ফেরার নিয়ে সরকারের বিধি-নিষেধ নেই

থাইল্যান্ডে ভয়াবহ বন্যায় মৃত্যুমিছিল, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২

শীতে প্রতিদিন বাদাম খাওয়ার উপকারীতা

বাকৃবিতে বিএসপিএসটি’র ৪র্থ জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধন