
দেশে চলমান গ্যাস সংকটের মধ্যে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানিকারকদের জন্য ঋণ সুবিধা সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণ (সাপ্লায়ার্স বা বায়ার্স ক্রেডিট) সুবিধা পাওয়া যাবে।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে৷
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এলপিজি বাল্ক বা অনেক পরিমাণে কেনা হয় এবং পরে সিলিন্ডারে ভরে বাজারজাত করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় মজুত, সিলিন্ডারজাতকরণ এবং অন্যান্য কার্যক্রমে বাড়তি সময়ের প্রয়োজন হয়। তাই এলপিজিকে বাণিজ্যিক ঋণের ক্ষেত্রে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে বিবেচনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় বিধিমালা অনুযায়ী, শিল্প কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণ সুবিধা পাওয়া যায়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে, তারা যেন বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেতার ঋণ বা বায়ার্স ক্রেডিটের ব্যবস্থা করে। এ ছাড়া অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধাও দেওয়া যাবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে এলপিজি আমদানিকারকেরা আর্থিক চাপ সামলাতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, এখন থেকে ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে বা ঋণে এলপিজি আমদানি করা যাবে।
সরবরাহ সংকটের কারণে সিলিন্ডারের আকারভেদে এলপিজির দাম ৩৫০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সরকার নির্ধারিত দরের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। এই পরিস্থিতিতে বাসাবাড়ি ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় রান্নাবান্না ব্যাহত হচ্ছে।
আমার বার্তা/এমই

