ই-পেপার রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩৩

গাজায় জাতিগত নির্মূলের বিরুদ্ধে ট্রাম্পকে সতর্ক করলেন জাতিসংঘ মহাসচিব

আমার বার্তা অনলাইন
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১২:৪৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গাজায় 'জাতিগত নিধন' এড়ানোর বিরুদ্ধে সতর্ক করলেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘে ফিলিস্তিনি জনগণের অবিচ্ছেদ্য অধিকার অনুশীলন বিষয়ক কমিটিতে দেওয়া ভাষণে তিনি দুই রাষ্ট্র সমাধানের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, সমাধানের সন্ধানে আমাদের অবশ্যই সমস্যাটিকে আরও খারাপ করা উচিত নয়। আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তির প্রতি সবার অবিচল থাকা অত্যাবশ্যক। যে কোনো ধরনের জাতিগত নিধন এড়িয়ে চলা অপরিহার্য।

গুতেরেস ভাষণে ট্রাম্পের কথা সরাসরি উল্লেখ না করলেও তার মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক সাংবাদিকদের বলেন, গুতেরেসের মন্তব্যকে প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা 'ন্যায্য অনুমান' হবে।

গুতেরেস বলেন, যে কোনো টেকসই শান্তির জন্য প্রয়োজন দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের দিকে বাস্তব, অপরিবর্তনীয় ও স্থায়ী অগ্রগতি, দখলদারিত্বের অবসান এবং গাজাকে অবিচ্ছেদ্য অংশ করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।

তিনি বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে পাশাপাশি বসবাসকারী একটি টেকসই, সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রই মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার একমাত্র টেকসই সমাধান।

এর আগে বুধবার গুতেরেস ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ে জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহর সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানান তার মুখপাত্র ডুজারিক।

জাতিসংঘে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের দূত রিয়াদ মনসুর কমিটিকে বলেন, ফিলিস্তিন ছাড়া আমাদের আর কোনো দেশ নেই। গাজা এর একটি মূল্যবান অংশ। আমরা গাজা ছেড়ে যাচ্ছি না। পৃথিবীর এমন কোনো শক্তি নেই যা ফিলিস্তিনি জনগণকে গাজাসহ আমাদের পূর্বপুরুষের জন্মভূমি থেকে সরিয়ে দিতে পারে।

মনসুর জানান, আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটন সফরে আরব দেশগুলো থেকে ট্রাম্পকে একটি সমন্বিত বার্তা দেবেন বাদশাহ আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, আমরা গাজাকে পুনর্গঠন করতে চাই। আমরা এটাকে আবার জোড়া লাগাতে চাই। আমরা সব দেশকে এই প্রচেষ্টায় আমাদের সহায়তা করার জন্য অনুরোধ করছি। আমরা অন্য দেশ বা অন্য জায়গা খুঁজছি না।

প্রসঙ্গত, ফিলিস্তিনিরা পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম এবং গাজা উপত্যকা নিয়ে একটি রাষ্ট্র চায়, যা প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোর সাথে ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে ইসরায়েল দখল করেছিল।

আমার বার্তা/জেএইচ

নির্বাচন-পরবর্তী অর্থনীতি ও পোশাক খাতে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বাংলাদেশ

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে জয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

বাইবেল অনুসারে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ওপর অধিকার আছে ইসরায়েলের: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

বাইবেলের বর্ণনা অনুসারে, প্রায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ওপর অধিকার রয়েছে ইসরায়েলের। এমন মন্তব্য করেছেন পশ্চিম জেরুজালেমে,

থাইল্যান্ডে ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাস, একে একে মারা যাচ্ছে বাঘ

থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলে অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। এতে করে সেখানে এখন পর্যন্ত ৭২টি বাঘের মৃত্যু

ভারতে ২০ শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ধর্মগুরু ও শিষ্যের বিরুদ্ধে

ভারতের উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে ২০ শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে জ্যোতিষ পিঠের ধর্মগুরু স্বামী অবিমুক্তেশ্বরানন্দ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশের অর্থনীতি সকল মানুষের জন্য হতে হবে: অর্থমন্ত্রী

আমরা কথা কম বলে কাজ বেশি করতে চাই: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী

চাঁদাবাজি-ছিনতাই প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ আইজিপির

মিরপুরে সিটি কর্পোরেশনের এই ভবনটি একটি অভিশাপ

১৮ মাস পর নিজ দায়িত্বে ফিরলেন অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূস

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন করা হবে

পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে কিছু পরিবর্তন আসবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৬ বছর বয়সীদের এনআইডি নিবন্ধনের ঘোষণা দিলো নির্বাচন কমিশন

সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিটি নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে কি না, সিদ্ধান্ত বিএনপির কাছে: ইসি

বগুড়া ও শেরপুরের উপনির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ জানাল ইসি

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী থার্ড টার্মিনাল নিয়ে পদক্ষেপ: আশিক চৌধুরী

আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান

বাসায় কাজে এসে ওষুধ খাইয়ে গৃহকর্ত্রীকে হত্যা, রহস্য উন্মোচন করল পিবিআই

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বরদাশত করা হবে না

‘আগে যেভাবে কাজ করেছি এখনও তাই, আমরা নির্বাচিত বোর্ড’

টুকুর বক্তব্য ইতিহাস-ভাষাতত্ত্ব, গণআকাঙ্ক্ষাকে অস্বীকারের শামিল: জামায়াত

হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত বিএনপির সেলিমা রহমান, সিসিইউতে ভর্তি

বুড়িগঙ্গায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় চার আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড