ই-পেপার রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩৩

সংস্কার প্রতিবেদনের আলোকে গণঅভ্যুত্থানের চার্টার তৈরি হবে

আমার বার্তা অনলাইন:
১৫ জানুয়ারি ২০২৫, ১৪:৩২
আপডেট  : ১৫ জানুয়ারি ২০২৫, ১৫:০৯
চারটি কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। ছবি সংগৃহীত

চারটি সংস্কার কমিশন যে প্রতিবেদন জমা দিয়ে তা ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই সংস্কার প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমরা যেটা গঠন করতে চাচ্ছি, যার উদ্দেশ্য হলো— এটা থেকে গণঅভ্যুত্থানের একটা চার্টার তৈরি হবে। যা হবে নতুন বাংলাদেশের একটা চার্টার। এটা মতৈক্যের ভিত্তিতে তৈরি হবে। নির্বাচন হবে, সবকিছুই হবে; কিন্তু চার্টার থেকে সরা যাবে না।’

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এসব প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন কমিশনের সদস্যরা। নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুদার, দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান আলী রীয়াজ প্রধান উপদেষ্টার হাতে প্রতিবেদন তুলে দেন। এসময় সংশ্লিষ্ট কমিশনের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

পরে তাদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা শুধু একটা আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটা এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বহুধরনের কমিটি হয়, রিপোর্ট প্রকাশ হয়, আনুষ্ঠানিকতা হয়; কিন্তু আজকের আনুষ্ঠানিকতা সেগুলোর চাইতে অনেক ঊর্ধ্বে। আজকের এই ঘটনা ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে। কারণ ইতিহাসের প্রবাহ থেকেই এই কমিশনগুলোর সৃষ্টি হয়েছে।’

একটা ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতির হঠাৎ পুনরুত্থান হয়েছে, মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সেখান থেকেই ইতিহাসের সৃষ্টি, আজকের এই অনুষ্ঠান সেই ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটা বিচ্ছিন্ন কোনও প্রতিবেদন নয়।

আজ যে প্রতিবেদনগুলো আমরা হাতে নিলাম, অবশ্যই এটা আমাদের দেশের জন্য বড় একটি চর্চা। কেউ সেটা অস্বীকার করবে না।

প্রধান উপদেষ্টা কমিশনের সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, আমরা একটা নতুন বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে সেটার কাঠামো তৈরির কাজ আপনাদের হাতে দিয়েছিলাম কমিশনের মাধ্যমে। স্বপ্ন আছে এখনও, সেই স্বপ্নের রূপরেখাগুলো তুলে ধরতে হবে। এটা শেষ নয়, একটা অধ্যায়ের শুরু হলো। স্বপ্ন এবং অভ্যুত্থান পরবর্তী তার যে যাত্রা, সেটা শুরু হলো। এর বড় একটি অংশ এই প্রতিবেদনের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হবে যে, আমরা কী করতে চাইছি। এটার মাধ্যমে আমরা সবার সঙ্গে আলোচনা শুরু করবো...। সবার মন এতে সায় দিচ্ছে কিনা; অঙ্গীকারগুলো পূরণ হচ্ছে কিনা- এই আলোচনার রসদ আপনারা তৈরি করে দিয়েছেন।

ড. ইউনূস বলেন, এরমধ্য দিয়ে সবার মতৈক্য হবে, আর কিছু অংশের সবাই একমত হবেন। তা না হলে আমরা কী স্বপ্ন দেখলাম? আমরা নিজেরা স্বপ্ন দেখলাম, আর সেই স্বপ্নে মানুষের অংশ নেই সেটাতো হতে পারে না। আমরা সেই স্বপ্নের কতটুকু এখানে নিয়ে এসেছি, সেটার জন্যেই এই আলোচনা। এটা বাইরে থেকের চাপানোর কোনও জিনিস নয়, ভেতর থেকে উদ্ভূত একটা জিনিস।

আগামীতে মতৈক্য প্রতিষ্ঠার জন্য যে আলোচনা হবে, সেখানে কমিশনের সদস্যরাই নেতৃত্বে দেবেন বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, যেহেতু আপনারাই তাদের পক্ষ থেকে স্বপ্ন দেখেছেন, কীভাবে তাদের স্বপ্ন আপনাদের সঙ্গে একাকার হয়ে যাবে। তার মাধ্যমে আমরা যেটা গঠন করতে চাচ্ছি, যার উদ্দেশ্য হলো এটা গণঅভ্যুত্থানের একটা চার্টার তৈরি হবে। ওই যে নতুন বাংলাদেশের একটা চার্টার, সেরকম চার্টার মতৈক্যের ভিত্তিতে তৈরি হবে। নির্বাচন হবে, সবকিছুই হবে; কিন্তু চার্টার থেকে যাবে না। এই চার্টার থেকে যাবে, ইতিহাসের অংশ হিসেবে এটা আমাদের জাতীয় কমিটমেন্ট। এটা কোনও দলীয় কমিটমেন্ট না। আমরা আশা করছি, সব দল এই চার্টারে সাইনআপ করবে।

‘এটা বাংলাদেশি, বাঙালি জাতির একটা সনদ, যে সনদ আমরা বুকে নিয়ে অগ্রসর হবো। যত দ্রুত পারি, যত বেশি পরিমাণে এটা বাস্তবায়ন করতে পারি করতে থাকবো। ভবিষ্যতে যে নির্বাচন হবে, এটাও হবে এই চার্টারের ভিত্তিতে। সেটাও যেন ঐকমত্যের সরকার হয়- (পরবর্তী সরকারও যেন বলে) যে, চার্টারকে আমরা ধরে রেখেছি। যত কিছুই হোক, এটা যেন হাত থেকে ছেড়ে না দেই। তা না হলে এই স্বপ্নের যে কনটিনিউইটি সেটি থাকবে কী করে! আমরা সেই স্বপ্নের কনটিনিউইটি চাই, বাস্তবায়ন চাই।’

তিনি বলেন, নির্বাচনও এই চার্টারের একটা অংশ হবে, ঐকমত্যের নির্বাচন হবে। তা নাহলে চার্টার হারিয়ে যাবে। কাজেই এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ জিনিস।

আমার বার্তা/এমই

প্রধানমন্ত্রী ও ড. ইউনূসের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা

শনিবার (২১ মার্চ) ঈদুল ফিতরের পবিত্র দিনে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং

প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জনগণ যে দেশ দেখতে

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মিলনমেলা

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায়ের পর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়

ঈদে দায়িত্বে যেসব পেশার মানুষ

ঈদ মানেই আনন্দ, মিলনমেলা ও ছুটির দিন। কিন্তু সব মানুষ একসাথে এই আনন্দ ভোগ করতে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরানের হামলায় লণ্ডভণ্ড ইসরায়েলের আরাদ শহর, নিহত ৬ জন

ইসরায়েলি শহর-উপসাগরীয় ঘাঁটিতে হামলা, আইআরজিসির দাবি নিহত ২০০’র বেশি

ইরানের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের, পাল্টা হুঁশিয়ারি তেহরানের

ফেনীতে বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ৩ জন

কুমিল্লায় ১২ প্রাণহানিতে ২ গ্যাটম্যান বরখাস্ত, তদন্তে দুই কমিটি

কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার পাবে ২৫ হাজার টাকা

কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহত ১২, তিন ঘণ্টা বন্ধ ছিল রেল চলাচল

২২ মার্চ ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা

জামালপুরে ব্রিজ ভেঙে নদীতে শতাধিক মানুষ, ৩ শিশু নিহত

ঢাকার ফাঁকা সড়কে ব্যস্ত রিকশা ও সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধি

প্রধানমন্ত্রী ও ড. ইউনূসের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা

সৌদি ঘাঁটি খুলে মার্কিন-ইরান সংঘাতের প্রস্তুতি

ভাঙ্গায় ঈদের দিনে দুই গ্রামের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

ঈদে স্বর্ণের দাম কমেছে

কাবুলে পাকিস্তানি হামলায় পুনর্বাসন কেন্দ্র বিধ্বস্ত, শতাধিক নিহত

ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে কূটনীতিকদের ঈদ শুভেচ্ছা

প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মিলনমেলা

কুমিল্লায় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চালক নিহত

ঈদে দায়িত্বে যেসব পেশার মানুষ