ই-পেপার রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩১ মাঘ ১৪৩৩

বিএনপি নিরপেক্ষ সরকারের নামে আরেকটি ১/১১ চাইছে: নাহিদ ইসলাম

আমার বার্তা অনলাইন:
২৩ জানুয়ারি ২০২৫, ১৭:৫৭

বিএনপি মহাসচিবের নিরপেক্ষ সরকারের দাবী মূলত আরেকটা ১/১১ সরকার গঠনের ইঙ্গিত বহন করে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দেওয়া বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

উপদেষ্টা নাহিদ বলেন, ১/১১ এর বন্দোবস্ত থেকেই আওয়ামী ফ্যাসিজমের উত্থান ঘটেছিলো। বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যে সামনে আরেকটা ১/১১ সরকার, সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও নতজানু পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতা এবং গুম-খুন ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ার আলামত রয়েছে।

তিনি বলেন, ছাত্র এবং অভ্যুত্থানের নেতৃত্বকে মাইনাস করার পরিকল্পনা ৫ অগাস্ট থেকেই শুরু হয়েছে। ৫ অগাস্ট যখন ছাত্র-জনতা রাজপথে লড়াই করছে, পুলিশের গুলি অব্যাহত রয়েছ, তখন আমাদের আপোষকামী অনেক জাতীয় নেতৃবৃন্দ ক্যান্টনমেন্টে জনগণ কে বাদ দিয়ে নতুন সরকার করার পরিকল্পনায় ব্যস্ত ছিলেন (অনেকে ছাত্রদের কথাও বলেছেন সেখানে)।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা ৩ অগাস্ট থেকে বলে আসছি আমরা কোনো প্রকারের সেনা শাসন বা জরুরি অবস্থা মেনে নিবো না। আমাদেরকে বারবার ক্যান্টেন্টমেন্টে যেতে বলা হলেও আমরা যেতে অস্বীকার করি। শেষ পর্যন্ত বঙ্গভবনে আলোচনা ও বার্গেনিং এর মাধ্যমে ড. ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আমরা চেয়েছিলাম ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ও নাগরিক সমাজের সমন্বয়ে একটা জাতীয় সরকার। জাতীয় সরকার হলে ছাত্রদের হয়তো সরকারে আসার প্রয়োজন হতো না। জাতীয় সরকার অনেকদিন স্থায়ী হবে এই বিবেচনায় বিএনপি জাতীয় সরকারে রাজী হয় নাই। কিন্তু অভ্যুত্থানের পরেই দেশে জাতীয় সরকারের প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি ছিল। অথচ বিএনপি জাতীয় সরকারের কথা বলতেছে সামনের নির্বাচনের পরে।

তিনি বলেন, ছাত্ররাই এই সরকারের এবং বিদ্যমান বাস্তবতার একমাত্র ফ্যাক্টর যেটা ১/১১ এর সরকার থেকে বর্তমান সরকারকে সম্পূর্ণভাবে আলাদা করে। বিএনপি কয়েকদিন আগে মাইনাস টু এর আলোচনা করলেও এখন ক্ষমতায় যাওয়ার পথ সুগম করার জন্য নিরপেক্ষ সরকারের নামে আরেকটি ১/১১ সরকারের প্রস্তাবনা করছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, এ ধরনের পরিকল্পনা গণতন্ত্র ও জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে যাবে এবং ছাত্র-জনতা কোনোভাবেই এটা মেনে নিবে না। এবং আমি মনে করি এটা বিএনপির বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্র। আর এই সরকার জাতীয় সরকার না হলেও সরকারে আন্দোলনের সব পক্ষেরই অংশীদারত্ব রয়েছে এবং সব পক্ষই নানান সুবিধা ভোগ করছে। সরকার গঠনের আগেই ৬ই অগাস্ট এটর্নি জেনারেল এবং পুলিশের আগের আইজির নিয়োগ হয়েছিল যারা মূলত বিএনপির লোক। এরকমভাবে সরকারের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত নানান স্তরে বিএনপিপন্থী লোকজন রয়েছে। নির্বাচনের নিরপেক্ষতার কথা বললে এই বাস্তবতায়ও মাথায় রাখতে হবে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির পরিবর্তন, সংস্কার, নতুন সংবিধান, জুলাই ঘোষণা সব ইস্যুতেই বিএনপি বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। অথচ এগুলা কোনোটাই ছাত্রদের দলীয় কোনো দাবী ছিল না। কিন্তু দেশের স্থিতিশীলতা, বৃহত্তর স্বার্থ এবং জাতীয় ঐক্য ধরে রাখার জন্য ছাত্ররা বারবার তাদের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। কিন্তু এর মানে এই না যে গণতন্ত্রবিরোধী ও অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বিরোধী কোনো পরিকল্পনা হলে সেখানে আমরা বিন্দু পরিমাণ ছাড় দিবো।

নাহিদ বলেন, আওয়ামী লীগ বিষয়ে ভারতের প্রধান দলগুলোর মধ্যে ঐক্য সম্ভব হয়েছে অথচ বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ বিষয়ে আমরা ঐক্য করতে পারি নাই এত হত্যা ও অপরাধের পরেও। হায় এই ‘জাতীয় ঐক্য’ লইয়া আমরা কি রাষ্ট্র বানাবো!

পোস্টের শেষে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশকে দুর্বল করা সহজ কারণ বাংলাদেশকে সহজেই বিভাজিত করা যায়। এ দেশের বড় বড় লোকেরা অল্পমূল্যে বিক্রি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে। আমি মনে করিনা সমগ্র বিএনপি এই অবস্থান গ্রহণ করে। বরং বিএনপির কর্মী সমর্থকদের বড় অংশই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন চায়।বিএনপির দেশপ্রেমিক ও ত্যাগী নেতৃত্বকে আহবান করব, ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে না গিয়ে ছাত্র-জনতার সাথে বৃহত্তর ঐক্য ও সংহতির পথ বেছে নিন।

আমার বার্তা/এমই

শিক্ষামন্ত্রী কে? আলোচনায় ওবায়দুল ইসলাম, মিলন ও ওসমান ফারুক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। মন্ত্রিসভার কাঠামো

তারেক রহমানের সঙ্গে কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ফোনালাপ

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স‌ঙ্গে টে‌লি‌ফোনে কথা বলেছেন কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ বিন আব্দুল

আমরা সৌভাগ্যবান যারা সুযোগ পেয়েছিলাম: শেষ বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

উপদেষ্টা পরিষদের ৬১তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনুসের

এটা স্মরণীয় নির্বাচন হয়ে থাকবে মনে করে বিদায়ী উপদেষ্টা পরিষদ

উপদেষ্টা পরিষদের শেষ বৈঠক করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৈঠকে গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিক্ষামন্ত্রী কে? আলোচনায় ওবায়দুল ইসলাম, মিলন ও ওসমান ফারুক

জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের বাসায় তারেক রহমান

তারেক রহমানের সঙ্গে কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ফোনালাপ

আমরা সৌভাগ্যবান যারা সুযোগ পেয়েছিলাম: শেষ বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশে বৈশ্বিক নারী বিজ্ঞানীদের প্রাতরাশ অনুষ্ঠিত

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে পরমাণু সমঝোতায় রাজি ইরান

এটা স্মরণীয় নির্বাচন হয়ে থাকবে মনে করে বিদায়ী উপদেষ্টা পরিষদ

নবনির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নিলেই ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান

পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন আইজিপি বাহারুল আলম

টিউলিপকে ফেরাতে যুক্তরাজ্যের কাছে দাবি জানাবে বিএনপি সরকার

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী চেষ্টা করেছি: পরিবেশ উপদেষ্টা

নির্বাচনে কোন দল কত শতাংশ ভোট পেয়েছে জানালো ইসি

‘ফিরোজা না যমুনা’ কোথায় উঠবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ইবিতে রোভার স্কাউট গ্রুপের নেতৃত্বে সাঈম-সাজ্জাদ

নির্বাচনের মাধ্যমে পুলিশ তার আত্মমর্যাদা ফিরে পেয়েছে: প্রেস সচিব

চাকরি ফিরে পেলেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৪৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী

সরকারের পক্ষ থেকে সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধিদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে

এলএনজি সরবরাহ হ্রাস, কম থাকবে গ্যাসের চাপ

তারেক রহমানের শপথে আসছেন ভারতের স্পিকার ও পররাষ্ট্র সচিব