ই-পেপার মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ দুইবারের বেশি চান না ৬৪ ভাগ মানুষ: জরিপ

আমার বার্তা অনলাইন:
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৯:৪৭

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ দুবারের বেশি হওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন প্রায় ৬৪ শতাংশ মানুষ। তবে ১০ শতাংশের মতে, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ পরপর দুবারের বেশি হতে পারে। আর ১৫ শতাংশ মনে করে, মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সেই সঙ্গে একই ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের প্রধান পদে থাকা উচিত নয় বলে মনে করে ৪৯ শতাংশ এবং ৩৭ শতাংশের মতে, দুই পদে এক ব্যক্তি থাকতে পারেন। পাশাপাশি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্দলীয় সরকারের অধীনে ভোটের পক্ষে ৮৬ শতাংশ মানুষ।

সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত জাতীয় জনমত জরিপ-২০২৪-এ মানুষের এ ধরনের মতামত উঠে এসেছে। সংবিধান সংস্কার কমিশন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মাধ্যমে জরিপটি পরিচালনা করে। সম্প্রতি সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের সঙ্গে জরিপটি প্রকাশ করা হয়।

কমিশন তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, জরিপে ৫ থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। দেশের ৬৪ জেলা থেকে সরাসরি সাক্ষাৎকার পদ্ধতিতে ৪৫ হাজার ৯২৫টি খানার (পরিবার) ১৮ থেকে ৭৫ বছর বয়সি মানুষের কাছ থেকে মতামত নেওয়া হয়।

জরিপের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছে মাত্র ৬ শতাংশ মানুষ। আরও ৬ শতাংশের বেশি এ বিষয়ে না জানার কথা জানিয়েছে। উত্তর দিতে রাজি হয়নি প্রায় ২ শতাংশ মানুষ। জরিপে অংশ নেওয়াদের মধ্যে রাষ্ট্রপতির হাতে আরও ক্ষমতা দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ। ৪৫ শতাংশ মনে করে, ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতেই থাকা উচিত। জাতীয় সংসদের মেয়াদ চার বছর করার পক্ষে নন সাধারণ মানুষ। পাঁচ বছর মেয়াদের পক্ষে ৭৮ শতাংশ, চার বছরের পক্ষে ১৬ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ। সংসদ গঠনের ক্ষেত্রে নির্বাচন পদ্ধতি কী হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে ৭৮ শতাংশ মানুষ প্রার্থীর প্রাপ্ত সর্বোচ্চ ভোটের পক্ষে মত দিয়েছে।

বর্তমানের প্রচলিত ব্যবস্থাকে সমর্থন করেছেন তারা। রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত আনুপাতিক ভোটের ভিত্তিতে সংসদ গঠনের পক্ষে ৯ শতাংশের কম মানুষ।

সংসদকে দুইভাগে অর্থাৎ উচ্চ ও নিম্নকক্ষে বিভক্ত করার পক্ষে ৩৫ শতাংশ মানুষ। আর ৩৯ শতাংশ এর বিপক্ষে। ২৩ শতাংশের বেশি মানুষ এর উত্তর দিতে নারাজ। বর্তমান পদ্ধতিতে সংসদ-সদস্যরা সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিতে পারেন না। ৮৩ শতাংশ মানুষ মনে করে, এক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকা উচিত নয়। সংবিধান সংশোধনসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গণভোটের পক্ষে মত দিয়েছে প্রায় ৮২ শতাংশ মানুষ। নারী আসনের পক্ষে ৭৫ শতাংশ মানুষ। জাতীয় সংসদে এখন নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনসংখ্যা ৫০।

তবে সেখানে সরাসরি ভোট হয় না। সংবিধানে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের অধিকার, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সুরক্ষিত করার সুস্পষ্ট বিধানের পক্ষে ৯১ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ। নাগরিকদের মতপ্রকাশ ও কথা বলার স্বাধীনতায় কোনো ধরনের বিধিনিষেধ সংবিধানে থাকা উচিত নয় বলে মনে করে ৫৩ শতাংশ উত্তরদাতা। আর ৪৩ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ সাংবিধানিক বিধিনিষেধের পক্ষে। সভা-সমাবেশ ও মিছিলে যোগ দেওয়ার স্বাধীনতা সীমিত করার ক্ষমতা সংবিধানে থাকার পক্ষে ৬১ শতাংশের বেশি মানুষ। ২৯ শতাংশ মনে করে, এ ক্ষমতা সংবিধানে থাকা উচিত নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৯১ সালে গণতন্ত্রে ফেরার পর থেকে বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনগুলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী (তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা) বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। এরপর সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের তিনটি জাতীয় নির্বাচন আওয়ামী লীগ দলীয় সরকারের অধীনে করেছে। নির্বাচনগুলো ছিল একতরফা, পাতানো ও প্রহসনের। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। হাইকোর্ট ১৮ ডিসেম্বর নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের দুটি ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে বাতিল ঘোষণা করেন।

আমার বার্তা/এমই

টেকনাফে গুলিবিদ্ধ শিশু: ঢাকায় মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতকে তলব

টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে সাম্প্রতিক গোলাগুলি এবং এতে এক বাংলাদেশি শিশু আহত হওয়ার

মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় এখনও মাসেল পাওয়ার ও ব্যবসায়ী অগ্রাধিকার পাচ্ছে

আগামী জাতীয় নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় এখনও মাসেল পাওয়ার ও ব্যবসায়ীদের অগ্রাধিকার পাচ্ছে বলে

আগামী নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: প্রধান উপদেষ্টা

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, শিক্ষা ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য কেবল চাকরির উপযোগী জনশক্তি তৈরি
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সাতক্ষীরার তালায় বাসচাপায় ছাত্রদল নেতা নিহত

সাবেক সংসদ সদস্য কণ্ঠশিল্পী মমতাজের চার বাড়িসহ পূর্বাচলের প্লট জব্দ

বিলাসবহুল ‘স্বপ্নের’ প্রাসাদ বিক্রি করছেন রোনালদো

জ্বালানি সরবরাহ আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ, তবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হচ্ছে

জনগণের আস্থা তৈরি করার দায়িত্ব রাজনীতিবিদদেরই: আমীর খসরু

শুরু হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ইয়ার্ন অ্যান্ড ফেব্রিক শো ও ডেনিম শো

দায়িত্ব শুধু ক্ষমতায় যাওয়া নয়, বরং দেশ ও মানুষের সেবা করা: হাবিব

নিউইয়র্কে ব্যাহত চিকিৎসা সেবা, কর্মবিরতিতে ১৫ হাজার নার্স

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৫১টি দলের মধ্যে ৩০টির কোনো নারী প্রার্থী নেই

৫ চীনা নাগরিকসহ অনলাইন প্রতারক চক্রের ৮ জন গ্রেপ্তার, ৫১ হাজার সিম জব্দ

বিএনপি নেতা ডাবলুর মৃত্যু: সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা ফখরুলের

টেকনাফে গুলিবিদ্ধ শিশু: ঢাকায় মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতকে তলব

আইসিসি থেকে এখনো চিঠি পায়নি বিসিবি: আসিফ আকবর

আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমল, স্মার্টফোনের দাম কত কমবে

সহজে ঋণ পেতে সরকারের সহযোগিতা চান নারী উদ্যোক্তারা

রূপসা নদীতে নিখোঁজের ৩দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

প্রতিবেদন পাওয়ার পর পে-স্কেলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত: অর্থ উপদেষ্টা

মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় এখনও মাসেল পাওয়ার ও ব্যবসায়ী অগ্রাধিকার পাচ্ছে

আগামী নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: প্রধান উপদেষ্টা

হাসিনা, টিউলিপ ও আজমিনার মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি