ই-পেপার মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ দুইবারের বেশি চান না ৬৪ ভাগ মানুষ: জরিপ

আমার বার্তা অনলাইন:
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৯:৪৭

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ দুবারের বেশি হওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন প্রায় ৬৪ শতাংশ মানুষ। তবে ১০ শতাংশের মতে, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ পরপর দুবারের বেশি হতে পারে। আর ১৫ শতাংশ মনে করে, মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সেই সঙ্গে একই ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের প্রধান পদে থাকা উচিত নয় বলে মনে করে ৪৯ শতাংশ এবং ৩৭ শতাংশের মতে, দুই পদে এক ব্যক্তি থাকতে পারেন। পাশাপাশি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্দলীয় সরকারের অধীনে ভোটের পক্ষে ৮৬ শতাংশ মানুষ।

সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত জাতীয় জনমত জরিপ-২০২৪-এ মানুষের এ ধরনের মতামত উঠে এসেছে। সংবিধান সংস্কার কমিশন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মাধ্যমে জরিপটি পরিচালনা করে। সম্প্রতি সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের সঙ্গে জরিপটি প্রকাশ করা হয়।

কমিশন তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, জরিপে ৫ থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। দেশের ৬৪ জেলা থেকে সরাসরি সাক্ষাৎকার পদ্ধতিতে ৪৫ হাজার ৯২৫টি খানার (পরিবার) ১৮ থেকে ৭৫ বছর বয়সি মানুষের কাছ থেকে মতামত নেওয়া হয়।

জরিপের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছে মাত্র ৬ শতাংশ মানুষ। আরও ৬ শতাংশের বেশি এ বিষয়ে না জানার কথা জানিয়েছে। উত্তর দিতে রাজি হয়নি প্রায় ২ শতাংশ মানুষ। জরিপে অংশ নেওয়াদের মধ্যে রাষ্ট্রপতির হাতে আরও ক্ষমতা দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ। ৪৫ শতাংশ মনে করে, ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতেই থাকা উচিত। জাতীয় সংসদের মেয়াদ চার বছর করার পক্ষে নন সাধারণ মানুষ। পাঁচ বছর মেয়াদের পক্ষে ৭৮ শতাংশ, চার বছরের পক্ষে ১৬ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ। সংসদ গঠনের ক্ষেত্রে নির্বাচন পদ্ধতি কী হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে ৭৮ শতাংশ মানুষ প্রার্থীর প্রাপ্ত সর্বোচ্চ ভোটের পক্ষে মত দিয়েছে।

বর্তমানের প্রচলিত ব্যবস্থাকে সমর্থন করেছেন তারা। রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত আনুপাতিক ভোটের ভিত্তিতে সংসদ গঠনের পক্ষে ৯ শতাংশের কম মানুষ।

সংসদকে দুইভাগে অর্থাৎ উচ্চ ও নিম্নকক্ষে বিভক্ত করার পক্ষে ৩৫ শতাংশ মানুষ। আর ৩৯ শতাংশ এর বিপক্ষে। ২৩ শতাংশের বেশি মানুষ এর উত্তর দিতে নারাজ। বর্তমান পদ্ধতিতে সংসদ-সদস্যরা সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিতে পারেন না। ৮৩ শতাংশ মানুষ মনে করে, এক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকা উচিত নয়। সংবিধান সংশোধনসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গণভোটের পক্ষে মত দিয়েছে প্রায় ৮২ শতাংশ মানুষ। নারী আসনের পক্ষে ৭৫ শতাংশ মানুষ। জাতীয় সংসদে এখন নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনসংখ্যা ৫০।

তবে সেখানে সরাসরি ভোট হয় না। সংবিধানে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের অধিকার, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সুরক্ষিত করার সুস্পষ্ট বিধানের পক্ষে ৯১ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ। নাগরিকদের মতপ্রকাশ ও কথা বলার স্বাধীনতায় কোনো ধরনের বিধিনিষেধ সংবিধানে থাকা উচিত নয় বলে মনে করে ৫৩ শতাংশ উত্তরদাতা। আর ৪৩ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ সাংবিধানিক বিধিনিষেধের পক্ষে। সভা-সমাবেশ ও মিছিলে যোগ দেওয়ার স্বাধীনতা সীমিত করার ক্ষমতা সংবিধানে থাকার পক্ষে ৬১ শতাংশের বেশি মানুষ। ২৯ শতাংশ মনে করে, এ ক্ষমতা সংবিধানে থাকা উচিত নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৯১ সালে গণতন্ত্রে ফেরার পর থেকে বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনগুলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী (তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা) বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। এরপর সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের তিনটি জাতীয় নির্বাচন আওয়ামী লীগ দলীয় সরকারের অধীনে করেছে। নির্বাচনগুলো ছিল একতরফা, পাতানো ও প্রহসনের। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। হাইকোর্ট ১৮ ডিসেম্বর নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের দুটি ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে বাতিল ঘোষণা করেন।

আমার বার্তা/এমই

আসন্ন নির্বাচন দেশের ভাগ্য নির্ধারণের নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের ভাগ্য নির্ধারণের নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান

‘হ্যাঁ’-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে: প্রধান উপদেষ্টা

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর

নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া মেটানো হবে: শ্রম উপদেষ্টা

নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির শ্রমিকদের আইনানুগ বকেয়া বেতন ও সার্ভিস বেনিফিট পরিশোধের সিদ্ধান্ত

সংখ্যালঘু–সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ ঘটনাই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা নয়

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু–সংশ্লিষ্ট যেসব অপরাধমূলক ঘটনার কথা জানা গেছে, সেগুলোর অধিকাংশই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা নয় বলে জানিয়েছে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পাবনা-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টুর আবেগঘন আবেদন

গাইবান্ধায় গণভোট বিষয়ে মতবিনিময় সভায় আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বক্তব্য, ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান

শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি, চাঁদ দেখা যায়নি বাংলাদেশের আকাশে

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাবের ওপর হামলা, এক সদস্য আহত

আসন্ন নির্বাচন দেশের ভাগ্য নির্ধারণের নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা

মিটিং-মিছিল আর দোষারোপের নয়, আগামীর রাজনীতি হবে মানবকল্যাণে

‘হ্যাঁ’-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে: প্রধান উপদেষ্টা

আশ্বাস পেয়ে ইসি প্রাঙ্গণ ছাড়ল ছাত্রদল, কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত

আফ্রিকা কাপ অফ নেশনসে রানার্স-আপ মরক্কো: রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদের অভিনন্দন

আইসিসিকে ২১ তারিখের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে, যা বলছে বিসিবি

তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ জানুয়ারিতে শুরু না হওয়ার কারণ জানালেন উপদেষ্টা

ধামরাইয়ে জামায়াত জোট সমর্থিত প্রার্থী নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

উইজডেন ওয়েবসাইটের বর্ষসেরা টি–টুয়েন্টি দলে মোস্তাফিজ

নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া মেটানো হবে: শ্রম উপদেষ্টা

নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

ডিবির অভিযানে নারীসহ দুই মাদক কারবারি আটক ১৪০০ ইয়াবা উদ্ধার

আগাম নির্বাচনের ঘোষণা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর, ৮ ফেব্রুয়ারি ভোট

সংখ্যালঘু–সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ ঘটনাই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা নয়

খুব শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে: চীনা রাষ্ট্রদূত

আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির বিচার দেশের মাটিতেই হবে: ছাত্রদল সম্পাদক