ই-পেপার শনিবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩৩

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ মাসে গুণগত কোনো পরিবর্তন দেখছি না: মান্না

আমার বার্তা অনলাইন:
১৪ জানুয়ারি ২০২৫, ১৬:০৬

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ মাসেও গুণগত কোনো পরিবর্তন চোখে পড়ছে না বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ভ্যাট বাড়ানোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ‘দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও’ আন্দোলন আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত পাঁচ মাসেও আমরা গুণগত কোনো পরিবর্তন দেখতে পাইনি। আবার নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন জিনিসের দামও বেড়েই চলছে।

প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে মান্না বলেন, আপনি কেন জিনিসের দাম কমাতে পারছেন না, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক করতে পারছেন না এবং কেন পাঁচ মাসে কোন গুণগত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি না— সেটা জানতে চাই, জানাতে হবে।

ড. ইউনূসের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, বৈষম্যহীন দেশ হওয়ার মতো একটা পদক্ষেপ কি আপনি গ্রহণ করেছেন? কোনো একটা জায়গাতে বৈষম্য দূর হয়েছে? আমরা যারা রাজনৈতিক দল করি, তারা কিন্তু আপনাকে অযথা উত্ত্যক্ত করে না। আমরা জানি, ৫০ বছর ধরে যে বৈষম্য বাংলাদেশের মাটিতে টিকে আছে, সে বৈষম্য এক দিনে দূর করা যাবে না। কিন্তু, আমরা তো আপনাকে জিজ্ঞেস করতেই পারি, কোন যুক্তিতে আপনি টিসিবির ট্রাকের পণ্য বন্ধ করে দিয়েছেন? এক কোটি পরিবারকে আপনি যদি কার্ড দিয়ে থাকেন, তাহলে ৪৪ লাখ কার্ড কোন যুক্তিতে আপনি বন্ধ করে দিয়েছেন? আপনি পরিবারের যে কার্ডগুলো বন্ধ করে দিয়েছেন, এটা করার কোনো দরকার ছিল না।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, জিনিসপত্রের দাম কমানোর ব্যাপারে এই সরকারের কোনো উদ্যোগ নিতে আমরা দেখিনি। পাঁচ মাসে এ সরকারের কোনো সাফল্য নেই। অর্থনীতিতে যিনি নোবেল পেয়েছেন, তিনি অর্থনৈতিক কোনো গতি দিতে পারেননি। ড. ইউনূসকে খুবই সম্মান করি। কিন্তু যেটা বাস্তব, সেটা বলতে হবে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি আরও বলেন, আপনি মেট্রো লেভেলে বড় কাজ করেছেন, তা তো নয়। আপনি ক্ষুদ্র ঋণের ওপরে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। কিন্তু, এখন দ্রব্যমূল্যের কারণে গরিব মানুষের মধ্যে শান্তি বিরাজ করে না। যে কারণে ড. ইউনূস নোবেল পেয়েছেন, সেটি এখন নস্যাৎ হয়ে গেছে। সেই কাজ এখন মানুষের কোনো কল্যাণে আসছে না।

সমাবেশে বিএনপি চেয়াপারসনের উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম বলেন, নির্বাচনের জন্য মানুষ রক্ত দিয়েছে। নির্বাচন দরকার, নির্বাচিত সরকার দরকার। অনির্বাচিত সরকার বেশি দিন থাকতে পারে না। আগামীতে আমরা নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছি। এ সরকারকে আমরা ক্ষমতায় নিয়ে এসেছি। আমরা চাই, এ সরকার সফল হোক।

দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধানসহ অন্যান্যরা।

আমার বার্তা/এমই

ফ্যামিলি কার্ড না দিয়ে চাঁদাবাজি থেকে বাঁচার কার্ড দেন: মঞ্জু

আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান ও ফেনী-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মজিবুর রহমান

সমাজের প্রতিটি মানুষের মর্যাদা নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সমাজের প্রতিটি মানুষের মর্যাদা নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব হওয়া

এনসিপির ৩৬ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

নতুন রাজনৈতিক দল ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন

ফ্যাসিস্ট আ.লীগের মতোই হত্যার পথ বেছে নিয়েছে বিএনপি: আবদুল হালিম

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মতোই বিএনপি হত্যার পথ বেছে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফ্যামিলি কার্ড না দিয়ে চাঁদাবাজি থেকে বাঁচার কার্ড দেন: মঞ্জু

লোহাগাড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা উচিত : বুচার

ইরান সরকারের পতন ঘটাতে সরকারি অবকাঠামোতে হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

সরকারে যে আসুক, চীন-বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: ড. ইউনূস

দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য লড়াই শুরু হয়েছে

সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার থ্রিলার জিতে ‘ইনজুরড’ আলকারাজ ফাইনালে

প্রবৃদ্ধির চাকচিক্যের আড়ালে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ভারত

২০ হাজার টাকায় দেশে ফিরতে পারবেন সৌদি প্রবাসীরা

সমাজের প্রতিটি মানুষের মর্যাদা নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব

এনসিপির ৩৬ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

ছদ্মবেশে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুদকের অভিযান

গরুর মাংসের স্পাইসি কাবাব তৈরির রেসিপি

লেসোথোর রাজার কাছে বাংলাদেশি দূ‌তের পরিচয়পত্র পেশ

ফ্যাসিস্ট আ.লীগের মতোই হত্যার পথ বেছে নিয়েছে বিএনপি: আবদুল হালিম

বেবিচককে বিভক্ত করে পৃথক রেগুলেটর ও অপারেটর সংস্থা গঠনের সিদ্ধান্ত

৭ বছরের অপেক্ষা শেষে অস্ট্রেলিয়াকে হারাল পাকিস্তান

১৯ বছর পর বগুড়ায় ফিরে আবেগাপ্লুত তারেক রহমান

আপনাদের রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, ব্যবসায়ীদের বললেন জামায়াত আমির

৩০ জানুয়ারি ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা