ই-পেপার সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩

করের আওতায় আসছে চিকিৎসক ও গ্রামীণ পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা

আমার বার্তা অনলাইন
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১১:৫৭
আপডেট  : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১২:২০
ডিসি সম্মেলনের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অর্থ উপদেষ্টা

জেলা, উপজেলা ও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের যেসব ব্যবসায়ীরা পর্যাপ্ত আয় করেন কিন্তু ট্যাক্স দেন না সেসব ব্যবসায়ী ও চিকিৎসকদের ট্যাক্সের আওতায় আনতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে তিন দিনের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বীতিয় দিনের অর্থ বিভাগ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত দ্বিতীয় কার্য-অধিবেশন শেষে অর্থ উপদেষ্টা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, দেশের সব চিকিৎসক এবং আইনজীবীরা যে ফি নেয় সেটাও রশিদ বা ডিজিটাল পেমেন্ট মেথডে এনে তাদেরও করের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আজ ডিসিরাই উত্থাপন করেছেন গ্রামাঞ্চলের ব্যবসায়ীরা অনেক আয় করেন৷ তখন এনবিআর এ বিষয়টি নিয়ে ড্রাইভ দিতে বলেছে৷ আমাদের ট্যাক্সের আওতা না বাড়ালে তো হবে না৷ এমনিতেই তো দাবি থাকে ভ্যাট কমান-ট্যাক্স কমান৷ সুতরাং ভ্যাট-ট্যাক্স সহনীয় পর্যায়ে রেখে ট্যাক্স গ্রহণের পরিধিটা বাড়ানোর বিষয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে এ ট্যাক্স নেটটা বাড়িয়ে রাজস্ব আরও বিস্তৃত করতে পারি৷ মোটকথা জোর করে করের পরিমাণ না বাড়িয়ে ট্যাক্সের নেট বাড়ানো হবে৷ আমাদের শিল্প প্রতিষ্ঠান আছে ৫০ থেকে ৬০ লাখ কিন্তু কর দেয় মাত্র পাঁচ লাখ৷

তিনি বলেন, দেশের সব চিকিৎসক এবং আইনজীবীরা যে ফি নেয় সেটাও রশিদ বা ডিজিটাল পেমেন্ট মেথডে এনে তাদেরও করের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসক-আইনজীবীরা সরাসরি ক্যাশ ট্রানজেকশন করেন৷ এর কারণে কিন্তু তাদের করের আওতায় আনা যায় না ৷ চিকিৎসকরা যে ফি নেন তার রিসিট তো আপনারা নেন না৷ এ ফি যদি ডিজিটাল মাধ্যমে দেওয়া হয় তাহলে কিন্তু তার একটা রেকর্ড থাকে৷ বিদেশে কিন্তু এগুলো সব রেকর্ডেড৷

চিকিৎসকদের করের আওতায় কি উদ্যোগ নেওয়া হবে জানতে চাইলে অর্থ উদেষ্টা বলেন, তাদের যেসব সহকারী বসে থাকে তারা টাকা নেয় কিন্তু রিসিট দেওয়া৷ এক্ষেত্রে চিকিৎসকদের ইনসিস্ট করা যে আপনারা রিসিট দেন৷ আমি তো কোনো চিকিৎসককে দেখিনা তারা রিসিট দেয়৷

তিনি বলেন, আমাদের কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে৷ স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান বাড়ানো সহজ৷ চায়নাতে গ্রাম্য শিল্পের সঙ্গে গভীর যোগাযোগ৷ চায়নার প্রত্যন্ত একটি গ্রামে তৈরি হওয়া পণ্য আমেরিকার ওয়ালমার্টেও পাবেন৷ অথচ বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের এ জিনিসগুলো যোগাযোগের অভাবে উঠে আসে না৷ যোগাযোগ না থাকায় ব্যালেন্স উন্নয়নটা করা সম্ভব হবে না।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন সরকারের যেকোনো সিদ্ধান্ত আমরা বাস্তবায়ন করি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দিয়ে৷ মাঠ পর্যায়ের অফিসাররা যদি দক্ষ এবং সেবক হয় তাহলে জনগণ যে সেবাটা পান সেটা কার্যকর হয়।

আমার বার্তা/জেএইচ/এমই

টানা ৮ মাস কমার পর এপ্রিলে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩৩ শতাংশ

টানা আট মাসের রপ্তানি নিম্নমুখী ধারা ভেঙে চলতি বছরের এপ্রিলে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়।

জাতিসংঘকে এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দিতে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব

এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা ২০২৬ সাল থেকে পিছিয়ে ২০২৯ সাল পর্যন্ত করার জন্য জাতিসংঘের কাছে আনুষ্ঠানিক

দেশের অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাবের শঙ্কা, পোশাক শিল্প ভয়াবহ হুমকির মুখে

 উৎপাদন ব্যয় বেড়ে ৩৫ থেকে ৩৭ শতাংশ, বন্ধ রয়েছে প্রায় ৪শ’ কারখানা  লোডশেডিং ও জ্বালানি সংকটে

এপ্রিল মাসেও ইতিবাচক প্রবাসী আয়, এলো ৩১২ কোটি ডলার

সদ্যবিদায়ী এপ্রিল মাসেও রেমিট্যান্স প্রবাহের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রেখেছেন প্রবাসীরা। এপ্রিলের পুরো সময়ে প্রবাসীরা দেশে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভোট দেওয়ার মাধ্যমে জনগণ গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেয়েছে: স্পিকার

শুধু ঢাকায় ৩২ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

একজন অতিরিক্ত ডিআইজি ও ১৬ ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসর

টানা ৮ মাস কমার পর এপ্রিলে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩৩ শতাংশ

প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষকের কেউ বাদ পড়বে না: শিক্ষামন্ত্রী

আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তরগুলোতে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা

এমপি হিসেবে এনসিপির নুসরাতের গেজেট প্রকাশ না করার আবেদন মনিরার

প্রতি উপজেলায় মাল্টিপারপাস এক্সামিনেশন হল হবে : শিক্ষামন্ত্রী

জাতিসংঘকে এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দিতে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব

জাইমা রহমানের ক্রীড়া কূটনীতি নিয়ে যা বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

যুক্তরাজ্যের পর এবার শাহজালালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং করতে চায় তুরষ্ক

পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে জাতীয় পর্যটন পরিষদ গঠন

দেশের অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাবের শঙ্কা, পোশাক শিল্প ভয়াবহ হুমকির মুখে

জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার জন্য স্বাধীন গণমাধ্যম অপরিহার্য: ডা. জাহেদ

হামের টিকা পেয়েছে ৮১ শতাংশ শিশু, বাকিরাও শিগগির পাবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এপ্রিল মাসেও ইতিবাচক প্রবাসী আয়, এলো ৩১২ কোটি ডলার

সুন্দরবনের দস্যুতা দমনে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে কোস্ট গার্ড

১২ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের হজপালনের অনুমতি

খনিজ সম্পদের সরবরাহ চেইন গড়তে এডিবির নতুন উদ্যোগ

এপ্রিলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের রেকর্ড