ই-পেপার শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩৩

করের আওতায় আসছে চিকিৎসক ও গ্রামীণ পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা

আমার বার্তা অনলাইন
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১১:৫৭
আপডেট  : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১২:২০
ডিসি সম্মেলনের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অর্থ উপদেষ্টা

জেলা, উপজেলা ও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের যেসব ব্যবসায়ীরা পর্যাপ্ত আয় করেন কিন্তু ট্যাক্স দেন না সেসব ব্যবসায়ী ও চিকিৎসকদের ট্যাক্সের আওতায় আনতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে তিন দিনের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বীতিয় দিনের অর্থ বিভাগ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত দ্বিতীয় কার্য-অধিবেশন শেষে অর্থ উপদেষ্টা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, দেশের সব চিকিৎসক এবং আইনজীবীরা যে ফি নেয় সেটাও রশিদ বা ডিজিটাল পেমেন্ট মেথডে এনে তাদেরও করের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আজ ডিসিরাই উত্থাপন করেছেন গ্রামাঞ্চলের ব্যবসায়ীরা অনেক আয় করেন৷ তখন এনবিআর এ বিষয়টি নিয়ে ড্রাইভ দিতে বলেছে৷ আমাদের ট্যাক্সের আওতা না বাড়ালে তো হবে না৷ এমনিতেই তো দাবি থাকে ভ্যাট কমান-ট্যাক্স কমান৷ সুতরাং ভ্যাট-ট্যাক্স সহনীয় পর্যায়ে রেখে ট্যাক্স গ্রহণের পরিধিটা বাড়ানোর বিষয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে এ ট্যাক্স নেটটা বাড়িয়ে রাজস্ব আরও বিস্তৃত করতে পারি৷ মোটকথা জোর করে করের পরিমাণ না বাড়িয়ে ট্যাক্সের নেট বাড়ানো হবে৷ আমাদের শিল্প প্রতিষ্ঠান আছে ৫০ থেকে ৬০ লাখ কিন্তু কর দেয় মাত্র পাঁচ লাখ৷

তিনি বলেন, দেশের সব চিকিৎসক এবং আইনজীবীরা যে ফি নেয় সেটাও রশিদ বা ডিজিটাল পেমেন্ট মেথডে এনে তাদেরও করের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসক-আইনজীবীরা সরাসরি ক্যাশ ট্রানজেকশন করেন৷ এর কারণে কিন্তু তাদের করের আওতায় আনা যায় না ৷ চিকিৎসকরা যে ফি নেন তার রিসিট তো আপনারা নেন না৷ এ ফি যদি ডিজিটাল মাধ্যমে দেওয়া হয় তাহলে কিন্তু তার একটা রেকর্ড থাকে৷ বিদেশে কিন্তু এগুলো সব রেকর্ডেড৷

চিকিৎসকদের করের আওতায় কি উদ্যোগ নেওয়া হবে জানতে চাইলে অর্থ উদেষ্টা বলেন, তাদের যেসব সহকারী বসে থাকে তারা টাকা নেয় কিন্তু রিসিট দেওয়া৷ এক্ষেত্রে চিকিৎসকদের ইনসিস্ট করা যে আপনারা রিসিট দেন৷ আমি তো কোনো চিকিৎসককে দেখিনা তারা রিসিট দেয়৷

তিনি বলেন, আমাদের কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে৷ স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান বাড়ানো সহজ৷ চায়নাতে গ্রাম্য শিল্পের সঙ্গে গভীর যোগাযোগ৷ চায়নার প্রত্যন্ত একটি গ্রামে তৈরি হওয়া পণ্য আমেরিকার ওয়ালমার্টেও পাবেন৷ অথচ বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের এ জিনিসগুলো যোগাযোগের অভাবে উঠে আসে না৷ যোগাযোগ না থাকায় ব্যালেন্স উন্নয়নটা করা সম্ভব হবে না।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন সরকারের যেকোনো সিদ্ধান্ত আমরা বাস্তবায়ন করি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দিয়ে৷ মাঠ পর্যায়ের অফিসাররা যদি দক্ষ এবং সেবক হয় তাহলে জনগণ যে সেবাটা পান সেটা কার্যকর হয়।

আমার বার্তা/জেএইচ/এমই

ভারত থেকে পাইপলাইনে এলো ৫ হাজার টন ডিজেল

ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি কেন্দ্র থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পৌঁছেছে দিনাজপুরের

জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণে তিন লাখ টন ডিজেল কিনছে সরকার

দেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে (দরপত্র বা প্রতিযোগিতা ছাড়া) মোট তিন

মুরগির বাজার চড়া, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে গরু-খাসি

ঈদ পরবর্তী বাজারে দাম কমে ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি। তবে সোনালী

এলপি গ্যাস আমদানিতে সুবিধা বাড়িয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত

দেশের বাজারে জ্বালানির সরবরাহ নিয়ে চলমান পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাশিয়ার আহ্বানে ইরান যুদ্ধ নিয়ে জাতিসংঘে রুদ্ধদ্বার বৈঠক আজ

মুস্তাফিজের কাছ থেকে শিখতে চান রউফ

আত্মগোপন থেকে বাড়ি ফিরেই গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ নেতা

ভারত থেকে পাইপলাইনে এলো ৫ হাজার টন ডিজেল

আয়াতুল্লাহ খামেনির জীবনের শেষ ছবি প্রকাশ করল ইরান

দেশে গত ১০ দিনে সড়কে ঝরল ২৭৪ প্রাণ

জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণে তিন লাখ টন ডিজেল কিনছে সরকার

বাংলাদেশিসহ সব বিদেশি কর্মীর জন্য বড় দুঃসংবাদ দিলো মালয়েশিয়া

মুরগির বাজার চড়া, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে গরু-খাসি

চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে ১ লাখ ৯৩ হাজার টন গ্যাস

চল্লিশের পর প্রোটিন জরুরি কেন?

৬ বিভাগে আজ বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে গরম

থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের মারধরের মামলায় জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ নেতাকে গুলি করে হত্যা

ঢাকায় ডিবির বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার সাবেক এমপি জিন্নাহ

আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন শেষের শঙ্কা স্ট্রাইকারের

আবাসিক ভবনে ১৮ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

তসবিহর দানা গলায় আটকে দেড় বছরের শিশুর মৃত্যু

বাংলাদেশের প্রতি অবিচল সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের

যুদ্ধের মধ্যেই প্রতিদিন প্রায় ১৪ কোটি ডলার আয় করছে ইরান