ই-পেপার বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩৩

১১৬ অনুচ্ছেদের কারণে বিচারকরা সরকারের কাছে জিম্মি: শিশির মনির

আমার বার্তা অনলাইন
২৩ জানুয়ারি ২০২৫, ১৩:১২

সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অধস্তন আদালতের দায়িত্বপালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি দান ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) শৃঙ্খলাবিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত থাকা কেন অসাংবিধানিক হবে না, এই মর্মে জারি করা রুলের শুনানিতে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের কারণে অধস্তন আদালতের বিচারকরা সরকারের কাছে জিম্মিদশায় থাকতে হয়। তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন না। রাতে কোর্ট বসিয়ে বিচারকদের সাজা দিতে বাধ্য করার ঘটনা ঘটেছে। সরকারের পছন্দমতো আদেশ না দেওয়ার কারণে আদেশের পরদিন বিচারককে বান্দরবানে পাঠানো হয়েছে। অনেক বিচারককে এ কারণে চোখের পানি ফেলতে দেখেছি। এই অনুচ্ছেদের কারণে বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয়ের স্বপ্ন স্থবির হয়ে রয়েছে।

এই অনুচ্ছেদ সরিয়ে বা বাদ দেওয়া হলে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের স্বপ্ন পূরণ হবে বলেও মন্তব্য করেন এ আইনজীবী।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চে এ রুলের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদ উদ্দিন, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।

এর আগে গত, ২৭ অক্টোবর সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অধস্তন আদালতের দায়িত্বপালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি দান ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) শৃঙ্খলাবিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত থাকা কেন অসাংবিধানিক হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তামিম খান।

গত ২৫ আগস্ট ওই বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। রিটে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ কেন অসাংবিধানিক হবে না, এই মর্মে রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে। অধস্তন আদালতের দায়িত্বপালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত থাকলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা খর্ব হয়, এ কারণে এই বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের ১০ জন আইনজীবী এ রিট দায়ের করেন।

রিট আবেদনকারীরা হলেন- আইনজীবী মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, মো. আসাদ উদ্দিন, মো. মুজাহিদুল ইসলাম, মো. জহিরুর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, শাইখ মাহাদী, আবদুল্লাহ সাদিক, মো. মিজানুল হক, আমিনুল ইসলাম শাকিল এবং যায়েদ বিন আমজাদ। রিটে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও পার্লামেন্টারি অ্যাফেয়ার্স বিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব এবং সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারকে বিবাদী করা হয়। আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির রিট মামলাটি দায়ের করেন। রিটে ২০১৭ সালে প্রণীত বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (ডিসিপ্লিনারি) রুলসের সাংবিধানিক বৈধতাকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়। রিট আবেদনে একটি পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে আদালতের নির্দেশনা এবং মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির পূর্বে সুপ্রিম কোর্টের ২০১২ সালের আদেশ প্রতিপালনে অগ্রগতি রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশনা চেয়ে অন্তবর্তীকালীন আদেশ চাওয়া হয়।

রিট আবেদনে যুক্তি তুলে ধরে বলা হয়

১. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো। ১১৬ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে এই মৌলিক কাঠামো বিনষ্ট করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির বাস্তবায়ন কার্যত আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে।

২. সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী এরইমধ্যে বিলুপ্ত হয়েছে। পঞ্চম সংশোধনী অসাংবিধানিক ঘোষিত হয়েছে এবং পঞ্চদশ সংশোধনীতে ১১৬ এর বিধান বহাল রাখা হয়েছে, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের পরিপন্থি।

৩. পৃথক সচিবালয় না থাকায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। অধস্তন আদালতের উপর আইন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণের কারণে বিচার বিভাগের কর্মকর্তাগণ স্বাধীনভাবে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারছেন না।

আমার বার্তা/জেএইচ

সরকারি প্রকল্পের গাছ কাটতেও নিতে হবে অনুমতি: হাইকোর্ট

এখন থেকে কোনো সরকারি প্রকল্পের জন্য শহর বা রাস্তার পাশের গাছ কাটার প্রয়োজন হলে অনুমতি

মানবতাবিরোধী অপরাধে জয়-পলকের অভিযোগ গঠনের আদেশ ২১ জানুয়ারি

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ

শেখ হাসিনার আমৃত্যু কারাদণ্ডের মামলা আপিলের কার্যতালিকায়

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিন ধরনের আদালত-ট্রাইব্যুনালকে বিশেষ আদালত ঘোষণা

সারাদেশে পারিবারিক আপিল আদালত, শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল এবং ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালকে বিশেষ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গণভোট নিয়ে পরিকল্পিত মিথ্যাচার ছড়ানো হচ্ছে: অধ্যাপক আলী রীয়াজ

সৌদিতে থাকা ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দেওয়ার আশ্বাস দিলো বাংলাদেশ

‘হ্যাঁ’ বা ‘না’, উভয় পক্ষেই কথা বলার অধিকার সবার আছে: আসিফ নজরুল

বিপিএল বন্ধ হলে সব ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বিসিবিকেই

সরকারি প্রকল্পের গাছ কাটতেও নিতে হবে অনুমতি: হাইকোর্ট

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে সবুজ শিল্পায়ন সম্ভব: শিক্ষা উপদেষ্টা

এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২১ এপ্রিল

পঞ্চম বারের মত শ্রেষ্ঠ অফিসারের পদক পেলেন এএসআই শরীফ

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

মাঠ পর্যায়ে ইসি অফিসের নিরাপত্তায় ২৭৫৪ আনসার নিয়োগের অনুমোদন

গণভোট নিয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে সভা

যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে আমি আগ্রহী: ক্রিস্টেনসেন

আজ মাঠে না ফিরলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিপিএল বন্ধ

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি-সুরক্ষা আইনের অধ্যাদেশ অনুমোদন

শীতার্ত শিশুদের পাশে ঢাকা ভলান্টিয়ার ফাউন্ডেশন

রাজনৈতিক ও নির্বাচনি পরিবেশ কলুষিত হয়ে পড়েছে: বদিউল আলম

পরিচালক নাজমুলকে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিচ্ছে বিসিবি

গোপন আইডি-পাসওয়ার্ড দিয়ে এনআইডি তথ্য বিক্রি, অবৈধ আয় প্রায় ১১ কোটি

দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালটে প্রতীকের সঙ্গে প্রার্থীর নাম চায় বিএনপি

নতুন শক্তির কথা বলে ওনারা উগ্র গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য