ই-পেপার শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২

রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহার বাস্তবায়নে আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন সুজনের

আমার বার্তা অনলাইন:
০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:১১
আপডেট  : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:১৩

রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে একটি সাধারণ দুর্বলতা হলো কর্মসূচির আর্থিক প্রাক্কলনের অভাব। ফলে নীতিগতভাবে আকর্ষণীয় হলেও বাস্তবায়নের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন আয়োজিত ‘কোন দলের কেমন ইশতেহার’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এ কথা জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকার। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকার বলেন, ইশতেহারে রাজনৈতিক দলগুলো শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নারীর ক্ষমতায়নের কথা বললেও নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে। ইশতেহারগুলোতে ভালো কথার ফুলঝুড়ি কিন্তু প্রান্তিক মানুষ ও প্রবাসীদের জন‍্য কোনো নির্দেশনা নেই। এক কোটি লোককে চাকরি দেওয়ার কথা আছে কিন্তু এজন‍্য অর্থের সংস্থান কোথা থেকে হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট নয়। তবে রাজনৈতিক দলগুলো সবাই সংস্কারের পক্ষে তাদের মত দিয়েছে। নির্বাচনে যে দল বিজয়ী হবে তারা ইশতেহার কতটা বাস্তবায়ন করলো সে বিষয়টি তদারকি করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ইশতেহারগুলোর একটি সাধারণ দুর্বলতা হলো কর্মসূচির আর্থিক প্রাক্কলনের অভাব। ফলে নীতিগতভাবে আকর্ষণীয় হলেও বাস্তবায়নের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিয়ে নাগরিকদের মধ্যে প্রশ্ন থেকে যায়। এটি আগ্রহ উদ্দীপক যে কোনো দলই তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে কী পরিমাণ অর্থের সংস্থান করতে হবে এবং সে অর্থ কোন কোন উৎস থেকে সংগৃহীত হবে, তার কোনো বিবরণ ইশতেহারে নেই।

‘আমাদের বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, বড় দুটি দলের ইশতেহারই অতিমাত্রায় উচ্চাভিলাসী। জামায়াতের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করতে গেলে সবার আগে সুশাসন নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা আছে, কারণ দুর্নীতিকে অন্তত সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে না পারলে একদিকে করের হার কমিয়ে ব্যয় বৃদ্ধির পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ লাভ করবে কিনা ভেবে দেখা প্রয়োজন। তবে করের আওতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা গেলে সরকারি নিয়োগ, বিনিয়োগ, ক্রয়, ইত্যাদি ক্ষেত্রে মেধাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হলে এবং রাষ্ট্রায়ত্ত খাতে লোকসান কমিয়ে আনা গেলে এ ইশতেহার বাস্তবায়ন সম্ভব হতে পারে। একইভাবে বিএনপির ইশতেহারে প্রতিশ্রুত এক কোটি কর্মসংস্থান, ২০৩৫ সালের মধ্যে অর্থনীতি এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীতকরণ, ক্রমান্বয়ে চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা, এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ ইত্যাদি অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রকল্প।

কৃষক কার্ড এবং এর আওতায় প্রতিশ্রুত ভর্তুকির পরিমাণ স্পষ্ট নয়। ফলে এ কার্ডে কী পরিমাণ রাজস্ব ব্যয় হবে তা নির্ণয় করা দুষ্কর। দেশের কর-জিডিপির হার বাড়াতে হলে অবশ্যই করের আওতা বহুগুণে সম্প্রসারণ করতে হবে। ধনীদের করের জালে আবদ্ধ করার বিএনপির পরিকল্পনা বিত্তশালীদের প্রতিরোধের মুখে পড়ার সম্ভাবনা নাকচ করা যায় না।’

সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, এবারের ইশতেহারে একটি বৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কিছু দল নীতি-নৈতিকতার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে, আবার কিছু দল ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বা সামাজিক সুরক্ষার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছে। প্রতিটি দলই মূলত ভালো কথার ‘ফুলঝুরি’ দিয়ে সাজিয়েছে।

কোন দলের ইশতেহার অধিকতর ভালো এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কোন দলের ইশতেহার সবচেয়ে ভালো, তা নির্দিষ্ট করে বলা অসম্ভব। একেক জনের কাছে একেকটি ইশতেহার ভালো মনে হতে পারে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রতিটি ইশতেহারে আসলে কী কী বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তা সাধারণ মানুষের কাছে পরিষ্কারভাবে পৌঁছানো। সব দলই তাদের ইশতেহারে ইতিবাচক কথা বলেছে। তবে কোনো একটিকে অন্যটির চেয়ে সরাসরি সেরা বা খারাপ বলা কঠিন। বরং খাতওয়ারি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কোনোটিতে নির্দিষ্ট কিছু দিক আছে আবার কোনোটিতে নেই। বিস্তারিত পর্যালোচনা ও বিভিন্ন ডাইমেনশন থেকে দেখলে প্রতিটি ইশতেহারের নিজস্ব বৈশিষ্ট্যগুলো ধরা পড়বে।

আমার বার্তা/এমই

ফেব্রুয়ারিতে সড়কে ঝরল ৪৪৭ প্রাণ

সদ্য বিদায়ী মাস ফেব্রুয়ারিতে সড়ক, রেল ও নৌপথে ৪৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সড়ক, রেল ও

এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনকে সামনে রেখে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং নতুন

হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্রের ধারায় ফিরেছে বাংলাদেশ: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, হাজারো মানুষের প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্রের ধারায় ফিরেছে বাংলাদেশ। সকল শহীদের আকাঙ্ক্ষায়

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ওপর সামরিক উত্তেজনার প্রভাব
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সাবেক দুই উপদেষ্টাকে গ্রেফতার দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ

গ্যাসের দাম যদি বাড়ে, তো বাড়ুক : ট্রাম্প

আমরা মার্কিন স্থলবাহিনীর জন্য অপেক্ষা করছি: আরাঘচি

রাজবাড়ীতে পাম্পে জ্বালানি তেল সংকট, যানবাহন চালকদের ক্ষোভ

কুয়েতে মিসাইল হামলায় সন্দ্বীপের প্রবাসী নিহত

ইরানের বিদেশি মুদ্রা জব্দের পরিকল্পনা করছে আমিরাত, দাবি মার্কিন দৈনিকের

নিউজিল্যান্ড সিরিজ দিয়ে বাংলাদেশ দলে ফেরার আশা সাকিবের

প্রতিটি পর্বে পর্বে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে: গোলাম পরওয়ার

দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, নতুন অস্ত্র আসছে: রেভল্যুশনারি গার্ড

পূর্বের বক্তব্য থেকে সরে ইরানে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

উত্তরায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারী-শিশুসহ দগ্ধ ১০

ফেব্রুয়ারিতে সড়কে ঝরল ৪৪৭ প্রাণ

মির্জাপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশি জোবাইদুল আমিনকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়েছে এফবিআই

বরিশালে বাস-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২

আরও এক দেশে সরকার পরিবর্তনের হুমকি ট্রাম্পের

পাচারকালে ভোলা থেকে চার ট্রাকে ১৪২০ বস্তা সার জব্দ

ব্রয়লারের কেজি ২৩০, সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বাড়ল ৫০ টাকা

এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

নওগাঁয় স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা