
ঢাকা-১৭ সংসদীয় আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ের রাজনীতি আরও সক্রিয় হয়ে উঠছে। এরই ধারাবাহিকতায় গনতান্ত্রিক জাগ্রত বাংলাদেশ টিমের উদ্যোগে আজ গুলশান থানাধীন ১৮ নং ওয়ার্ডের নর্দ্দা, কালাচাঁদপুর ও বারিধারা এলাকায় ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়েছে।
এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন টিমের সমন্বয়ক মো: জহিরুল ইসলাম কলিম। প্রচারণাকালে বিএনপির নেতাকর্মীরা সরাসরি ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং দলের রাজনৈতিক অবস্থান, ভবিষ্যৎ রূপরেখা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার তুলে ধরেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকা-১৭ আসন দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা। শিক্ষিত মধ্যবিত্ত ও পেশাজীবী শ্রেণির আধিক্যের কারণে এই আসনে ভোটারদের সিদ্ধান্ত নির্ধারণে জাতীয় রাজনীতি, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার বিষয়গুলো বড় ভূমিকা রাখে। সাম্প্রতিক গণসংযোগে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
প্রচার-প্রচারণাকালে অনেক ভোটার জানান, তারা কার্যকর সংসদ, জবাবদিহিমূলক সরকার এবং ভোটাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে আগ্রহী। এ কারণে তারা বিকল্প রাজনৈতিক শক্তির দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন। বিএনপির মাঠপর্যায়ের এই সক্রিয়তা তাদের কাছে নতুন করে আশার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।
এ বিষয়ে মো: জহিরুল ইসলাম কলিম বলেন, “ঢাকা-১৭ আসনের মানুষ সচেতন ও রাজনৈতিকভাবে পরিপক্ব। তারা গণতন্ত্র ও ন্যায্য অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আজকের গণসংযোগে যে সাড়া পেয়েছি, তা আমাদের আগামী দিনের আন্দোলন ও নির্বাচনী প্রস্তুতিকে আরও শক্তিশালী করবে।”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ধারাবাহিক গণসংযোগ, সংগঠনের সক্রিয়তা এবং ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা এভাবে যদি অব্যাহত থাকে, তবে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন।
গনতান্ত্রিক জাগ্রত বাংলাদেশ এর প্রচার-প্রচারণায় আরও উপস্থিত ছিলেন, মো: মোস্তফা, সৈয়দ মোজাম্মেল হোসেন শাহিন, রাজু আহম্মেদ শাহ, সৈয়দ মোহাম্মদ বেলাল হোসেন, মহিদুল ইসলাম খান জাকির, আশরাফুল কবির বাচ্চু, আলমগীর হোসেন লিটন, সিউলি আক্তার, মেহেদী হাসান মাহমুদুল হাসান, শিরিন আক্তার, এস কে সঞ্জয়, মোস্তাফিজুর রহমান সাগর, আলী আজগর শাওন, মো: মাহাবুব আলম, মো: আলাউদ্দিন, কমর উদ্দিন, রোজিনা বেগম, রতনা বেগম, আব্দুল আলিম, রবিনসহ সংগঠনের অসংখ্য নেতৃবিন্দ।
আমার বার্তা/জেএইচ

