ই-পেপার বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন গ্রেপ্তার

আমার বার্তা অনলাইন
১৫ জানুয়ারি ২০২৫, ১১:৫২

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়োলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার স্থানীয় সময় ভোরবেলা রাজধানী সিউলে ইউনের ব্যক্তিগত বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সিউলের পাহাড়ি এলকার ওই বাসভবনে বসবাস করছিলেন ইউন। বাড়িটির চারদিক কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘেরা ছিল এবং তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য বাড়ির বাইরে ছিল সশস্ত্র বাহিনীর একটি ছোট দল।

মঙ্গলবার রাতে ৩০০ পুলিশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার দুর্নীতি দমন সংস্থার তদন্তকারীদের একটি দল ইউনের বাসভবনের বাইরে অবস্থান নেয়। তারপর ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করে মূল শহর অভিমুখে রওনা হয়।

তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় ইউনের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই গ্রেপ্তার অবৈধ এবং ইউনকে জনসমক্ষে হেয় করার জন্যই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে ইউন সুক ইয়োলই প্রথম প্রেসিডেন্ট, যিনি অভিশংসন ও গ্রেপ্তার পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইউনের বাড়ির আশেপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দুর্নীতি দমন সংস্থার কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন— এ খবর প্রচারিত হওয়া পর মঙ্গলবার রাতেই সেখানে জড়ো হতে থাকেন ইউনের সমর্থকরা। ভোরবেলা তাকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ইউনের সমর্থকদের খানিক ধস্তাধস্তিও হয়। তবে বড় কোনো সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি।

গত ৩ ডিসেম্বর রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে’ সমূলে উৎপাটনের কথা বলে হঠাৎ করেই সামরিক আইন জারির ঘোষণা দেন ইউন। তার এ ঘোষণায় পুরো দক্ষিণ কোরিয়া স্তম্ভিত হয়ে যায়।

পরে প্রবল বিরোধিতার মুখে সামরিক আইন প্রত্যাহারে বাধ্য হন প্রেসিডেন্ট।

কিন্তু তার এই পদক্ষেপে দক্ষিণ কোরিয়া কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর রাজনৈতিক সংকটে পড়ে। গণতান্ত্রিক সাফল্যের গাথা রচনাকারী দক্ষিণ কোরিয়ার অর্জিত সুনাম নষ্ট হওয়ার হুমকি তৈরি হয়। বিরোধী দলের অভিশংসন প্রস্তাবের মুখে পড়েন ইউন।

প্রথম দফা অভিশংসনের পর গত ১৪ ডিসেম্বর ইউনকে বরখাস্ত করেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত। তবে দায়িত্ব ও ক্ষমতা হারালেও জটিল আইনি প্রক্রিয়ার কারণে এখনও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের পদে আছেন ইয়ুন সুক ইয়োল।

আমার বার্তা/জেএইচ

চাকরি, সুশাসন আর কথা বলার স্বাধীনতা চায় বাংলাদেশের জেন-জি

চাকরি, সুশাসন আর ভয় ছাড়া কথা বলার স্বাধীনতা চায় বাংলাদেশের জেন-জি। ২০২৪ সালের আগস্টে তরুণদের

বাংলাদেশে চীনের প্রভাব কমাতে বিকল্প প্রতিরক্ষা প্রস্তাব দেবে যুক্তরাষ্ট্র

দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের আগামী সরকারকে

বিশ্বে ৯ কোটি ৪০ লাখের বেশি মানুষের চোখে ছানি

বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের চোখের ছানি দূর করে দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিতে দেশগুলোকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার

মুসলিমকে বাঁচানোয় হিন্দু যুবকের জিম বয়কট করছে উগ্রবাদীরা

উত্তরাখণ্ডের কোটদ্বারের এক বহু পুরোনো দোকান ‘বাবা স্কুল ড্রেস’। এর মালিক ৭০ বছর বয়সী এক
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছেছে ১০ লাখ পোস্টাল ব্যালট

ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে: ফয়জুল করীম

ভোটগ্রহণ চলাকালে ৪ ধাপে ভোটের শতকরা হার পাঠাতে ইসির নির্দেশ

একটি বিশেষ পোশাক নিয়ে শঙ্কা জোনায়েদ সাকির

মানিকগঞ্জে ১৩ লাখ ভোটারের জন্য প্রস্তুত ৫১৫ কেন্দ্র, পাঠানো হয়েছে নির্বাচনী সরঞ্জাম

নওগাঁয় ভোট কেন্দ্রের পাশে ৫ টি পেট্রোল বোমা উদ্ধার নিষ্ক্রিয় করে যৌথবাহিনি

চাকরি, সুশাসন আর কথা বলার স্বাধীনতা চায় বাংলাদেশের জেন-জি

আলেম-ওলামাদের প্রতি তারেক রহমানের কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন

গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

কাল ভোট শুরু হবে সকাল সাড়ে ৭টায়, চলবে একটানা ৯ ঘণ্টা

ভোটকেন্দ্রে গিয়ে জনগণকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে বললেন প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশে চীনের প্রভাব কমাতে বিকল্প প্রতিরক্ষা প্রস্তাব দেবে যুক্তরাষ্ট্র

টাকাসহ জামায়াত নেতা আটক বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়: মাহদী আমিন

বিমানবন্দরে আটক জামায়াত নেতার কাছে ছিল ৭৪ লাখ টাকা: পুলিশ

পাবনায় স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র-গুলিসহ ৩ জন আটক

দেশ ও দেশের মানুষের জন্য ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান বিএনপির

জামায়াত আমিরের সঙ্গে জাপানি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবার আসনে লড়ছেন যারা

জাতীয় সংসদ নির্বাচন: গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এগিয়ে বিএনপি

বনানীতে ফ্রি অ্যানিমেল ক্লিনিক উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান