ই-পেপার রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন গ্রেপ্তার

আমার বার্তা অনলাইন
১৫ জানুয়ারি ২০২৫, ১১:৫২

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়োলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার স্থানীয় সময় ভোরবেলা রাজধানী সিউলে ইউনের ব্যক্তিগত বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সিউলের পাহাড়ি এলকার ওই বাসভবনে বসবাস করছিলেন ইউন। বাড়িটির চারদিক কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘেরা ছিল এবং তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য বাড়ির বাইরে ছিল সশস্ত্র বাহিনীর একটি ছোট দল।

মঙ্গলবার রাতে ৩০০ পুলিশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার দুর্নীতি দমন সংস্থার তদন্তকারীদের একটি দল ইউনের বাসভবনের বাইরে অবস্থান নেয়। তারপর ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করে মূল শহর অভিমুখে রওনা হয়।

তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় ইউনের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই গ্রেপ্তার অবৈধ এবং ইউনকে জনসমক্ষে হেয় করার জন্যই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে ইউন সুক ইয়োলই প্রথম প্রেসিডেন্ট, যিনি অভিশংসন ও গ্রেপ্তার পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইউনের বাড়ির আশেপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দুর্নীতি দমন সংস্থার কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন— এ খবর প্রচারিত হওয়া পর মঙ্গলবার রাতেই সেখানে জড়ো হতে থাকেন ইউনের সমর্থকরা। ভোরবেলা তাকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ইউনের সমর্থকদের খানিক ধস্তাধস্তিও হয়। তবে বড় কোনো সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি।

গত ৩ ডিসেম্বর রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে’ সমূলে উৎপাটনের কথা বলে হঠাৎ করেই সামরিক আইন জারির ঘোষণা দেন ইউন। তার এ ঘোষণায় পুরো দক্ষিণ কোরিয়া স্তম্ভিত হয়ে যায়।

পরে প্রবল বিরোধিতার মুখে সামরিক আইন প্রত্যাহারে বাধ্য হন প্রেসিডেন্ট।

কিন্তু তার এই পদক্ষেপে দক্ষিণ কোরিয়া কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর রাজনৈতিক সংকটে পড়ে। গণতান্ত্রিক সাফল্যের গাথা রচনাকারী দক্ষিণ কোরিয়ার অর্জিত সুনাম নষ্ট হওয়ার হুমকি তৈরি হয়। বিরোধী দলের অভিশংসন প্রস্তাবের মুখে পড়েন ইউন।

প্রথম দফা অভিশংসনের পর গত ১৪ ডিসেম্বর ইউনকে বরখাস্ত করেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত। তবে দায়িত্ব ও ক্ষমতা হারালেও জটিল আইনি প্রক্রিয়ার কারণে এখনও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের পদে আছেন ইয়ুন সুক ইয়োল।

আমার বার্তা/জেএইচ

পাকিস্তানে একযোগে ১২ স্থানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ৬৮ জন

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে ১২টি স্থানে একযোগে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এতে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ও

প্রতি মাসে ৫০ হাজার রুশ সেনা হত্যার পরিকল্পনা জেলেনস্কির

ইউক্রেন যুদ্ধের অচলাবস্থা কাটাতে এবং আলোচনার টেবিলে রাশিয়াকে দুর্বল করতে এক নতুন ও আক্রমণাত্মক রণকৌশল

মিয়ানমারে নির্বাচনকালে জান্তার বিমান হামলা, প্রার্থীসহ নিহত অন্তত ১৭০

মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচনের সময় বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে দেশটির বিমান বাহিনী। প্রার্থীসহ কমপক্ষে ১৭০ জন

গাজায় ৭০ হাজার ফিলিস্তিনি হত্যার কথা স্বীকার করলো ইসরায়েল

গাজায় গত ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জাতপাত নয়, আমাদের কাছে মুখ্য হচ্ছে মানুষ: তারেক রহমান

ভোটকেন্দ্রের সীমানায় জটলা সহ্য করা হবে না: ইসি সানাউল্লাহ

সাবালেঙ্কাকে কাঁদিয়ে মেলবোর্নে নতুন রানি রায়বাকিনা

বাণিজ্য মেলায় ২২৪ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ, বিক্রি ৩৯৩ কোটি

প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপে সংকট সমাধানের আশা কারিগরি শিক্ষার্থীদের

আ.লীগের প্রতিহিংসায় নির্বাচন ও শান্তি হুমকিতে: অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ

বিএনপি জয় পেলে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবে: সালাহউদ্দিন

স্বৈরাচারের পতন হয়েছে, এখন সময় দেশ গড়ার: তারেক রহমান

চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রত্যাহারের দাবিতে সর্বমিত্রের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ

বিশ্বকাপ খেললেই শর্ত মানা, আইসিসির প্রস্তাবে ক্ষুব্ধ ক্রিকেটারদের সংগঠন

পাকিস্তানে একযোগে ১২ স্থানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ৬৮ জন

মানুষের অধিকার ফেরাতে ১২ ফেব্রুয়ারি জবাব দিতে হবে: তারেক রহমান

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসছেন তিন শতাধিক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

জাইমা রহমানকে সামনে এনে কী বার্তা দিচ্ছে বিএনপি

আমি তো ঘরের সন্তান, আবার আসবো: তারেক রহমান

বোরকা পরে ভুয়া ভোট দেওয়ার চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করা হবে: মির্জা আব্বাস

রোহিঙ্গা ন্যায়বিচার ইস্যুতে কূটনৈতিক মতবিনিময়ের আয়োজন

তারেক রহমানের অপেক্ষায় বিসিক শিল্প পার্কে জনতার ঢল

ভোটের ফল দিতে দেরি হলে তা মেনে নেব না: মির্জা আব্বাস

আপনাদের ভোটের দায়িত্ব নিলে কখনো খেয়ানত করব না: ফখরুল