ই-পেপার বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক জোরদার, ক্ষোভ বাড়ছে ভারতের

আমার বার্তা অনলাইন:
০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:০৫
আপডেট  : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:০৭

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে টানাপোড়েন বাড়ার মধ্যে এবার ওয়াশিংটনের নীতির সমালোচনা আরও প্রকাশ্যভাবে করতে শুরু করেছে ভারত। সন্ত্রাসবাদ, পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এবং বাণিজ্যনীতির মতো বিষয়গুলো নিয়ে ভারতের উদ্বেগ প্রকাশ্যে তুলে ধরেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে জয়শঙ্কর বলেন, সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারতের উদ্বেগের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট সংবেদনশীলতা দেখাচ্ছে না। একই সময়ে ওয়াশিংটন ভারতের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তার অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যনীতি অনেক ক্ষেত্রে ‘নিজস্ব স্বার্থকেন্দ্রিক’, যার প্রভাব বিশেষ করে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর ওপর পড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারত-মার্কিন সম্পর্কে কয়েক মাস ধরে উত্তেজনা বাড়ার পর নয়াদিল্লির বক্তব্যে নতুন ধরনের প্রকাশ্য সমালোচনার সুর দেখা যাচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রসহ বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে মতবিরোধের বিষয়গুলো প্রকাশ্যে না এনে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করেছে ভারত। ওয়াশিংটনের ক্ষেত্রেও সাধারণত একই নীতি অনুসরণ করা হয়েছে। কিন্তু ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে সম্পর্কের অনিশ্চয়তা বাড়ায় এবার নয়াদিল্লি আরও প্রকাশ্য অবস্থান নিচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের মত।

এর সঙ্গে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপও যুক্ত হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, মার্কিন চাপের কাছে বারবার নতিস্বীকার করছে মোদী সরকার। এর মধ্যেই বুধবার ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পরে তিনি কথোপকথনকে ‘ফলপ্রসূ’ বলে বর্ণনা করেন। আগের বছরগুলোতে ট্রাম্পকে ‘ভালো বন্ধু’ হিসেবে যে উষ্ণ ভাষায় বর্ণনা করতেন, তার তুলনায় এবারের বক্তব্য অনেক বেশি আনুষ্ঠানিক ছিল।

চ্যাথাম হাউসের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক জ্যেষ্ঠ গবেষক চিয়েটিগ বাজপেয়ির মতে, জয়শঙ্করের বক্তব্য ভারত-মার্কিন সম্পর্কের বর্তমান অবস্থার একটি ‘খোলামেলা মূল্যায়ন’। তার ভাষায়, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ নিয়ে শুরুতে ভারত আশাবাদী দেশগুলোর অন্যতম হলেও এখন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে সেই আগের উজ্জ্বলতা অনেকটাই কমেছে।

বাণিজ্য নিয়ে বড় মতবিরোধ

ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য অন্যতম বড় বিরোধের জায়গা। যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। ২০২৫ সালে দুই দেশের পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৪৯ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। তবে এতে ভারতের পক্ষে ৫৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত রয়েছে।

জয়শঙ্কর বলেন, কোনো দেশকে এমনভাবে নিজের স্বার্থকেন্দ্রিক হওয়া উচিত নয় যে অন্য দেশের জন্য তার সিদ্ধান্ত কতটা সমস্যার সৃষ্টি করছে, সেটি বিবেচনাই করা হবে না।

ইরান ও ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে প্রভাব পড়ছে, সেই প্রসঙ্গও তিনি তুলে ধরেন। তার মতে, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় বিভিন্ন দেশের মানুষের মৌলিক প্রয়োজনের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা উচিত।

ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা চললেও এখনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। জয়শঙ্কর বলেন, দুই দেশের মাথাপিছু আয়, উৎপাদন ব্যবস্থা এবং সামাজিক কাঠামোর মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে।

কৃষি খাত দুই দেশের আলোচনায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভারত দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের কৃষকদের সুরক্ষার জন্য কৃষিপণ্যের বাজার অনেকাংশে সুরক্ষিত রেখেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত বাজার উন্মুক্ত করার যে প্রত্যাশা করেছিল, বাস্তব পরিস্থিতি তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল বলে মন্তব্য করেন জয়শঙ্কর।

তার মতে, বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে মোটামুটি একটি বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে। তবে চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত নানা বাধা থাকছে।

ট্রাম্পের শুল্কনীতিও সম্পর্কে চাপ তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত একসময় ট্রাম্পের আরোপ করা সবচেয়ে বেশি শুল্কের মুখে পড়া দেশগুলোর মধ্যে ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের ব্যাপক শুল্ক বাতিল করার পর তাঁর প্রশাসন নতুন ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কসহ অন্যান্য পদক্ষেপ নেয়।

এরপর রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সুযোগ রেখে একটি আইনে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প। এই পরিবর্তনগুলোর কথা উল্লেখ করে জয়শঙ্কর বলেন, বাণিজ্য আলোচনা গত বছর দুই দেশের সম্পর্কে নানা ‘বাধা’ তৈরি করেছিল। তবে চুক্তি চূড়ান্ত হলে তা সম্পর্ক উন্নত করতে পারে।

সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক অজয় বিসারিয়ার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশ্য সমালোচনার পর ভারতও এখন নিজের অবস্থান প্রকাশ্যে তুলে ধরছে। তাঁর ভাষায়, ভারত এতদিন নীরব থাকলেও এখন দেশটির মধ্যে এমন একটি ধারণা তৈরি হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র চাপ সৃষ্টি করছে।

সন্ত্রাসবাদ ও পাকিস্তান নিয়ে ভারতের উদ্বেগ

বাণিজ্যের পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ এবং পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়েও নয়াদিল্লির উদ্বেগ রয়েছে।

গত বছরের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের সংঘাতের পর এই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ভারতীয় নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সশস্ত্র হামলায় ২৬ জন বেসামরিক মানুষ নিহত হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে ওই সংঘাত শুরু হয়েছিল।

পরবর্তীতে ট্রাম্প যুদ্ধবিরতিতে ভূমিকা রাখার দাবি করেন। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক ক্ষতির হুমকি দিয়ে দুই দেশকে সংঘাত বন্ধ করতে রাজি করিয়েছিলেন। কিন্তু কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত বরাবরই বলে আসছে, এটি ভারত ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় বিষয় এবং এতে তৃতীয় কোনো পক্ষের মধ্যস্থতার সুযোগ নেই।

ট্রাম্প এরপরও একাধিকবার ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে নিজের ভূমিকার কথা বলেছেন। সম্প্রতি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনেও তিনি একই দাবি করেন। বিষয়টি নয়াদিল্লিতে অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে।

অন্যদিকে পাকিস্তানের নেতারা ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন এবং তাঁর প্রশংসা করেছেন। এমনকি তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীতও করেছে পাকিস্তান। এরপর ইসলামাবাদ ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

জয়শঙ্কর বলেন, ভারতের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো সন্ত্রাসবাদ। পাকিস্তানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, প্রতিবেশী একটি দেশের কাছ থেকে বহু দশক ধরে যে ধরনের সন্ত্রাসবাদের মুখোমুখি হয়েছে ভারত, তা খুব কম দেশই হয়েছে।

তার বক্তব্য, ভারতের কাছে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পর্যাপ্ত বোঝাপড়া ও সংবেদনশীলতা না পাওয়া দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে সমস্যা তৈরি করছে।

সাবেক কূটনীতিক বিসারিয়ার মতে, যুদ্ধবিরতি নিয়ে মতবিরোধের পর ভারত-মার্কিন সম্পর্কের পরিবেশ বদলে যায়। অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি হর্ষ পান্তও মনে করেন, ট্রাম্প প্রশাসনের পাকিস্তানকেন্দ্রিক নীতিতে ভারতের সংবেদনশীলতার বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব না পাওয়ায় নয়াদিল্লি এখন নিজেদের অবস্থান আরও প্রকাশ্যে তুলে ধরছে।

অভ্যন্তরীণ চাপও বাড়ছে

যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচি থেকে বহু ভারতীয় পেশাজীবী উপকৃত হয়েছেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে এই কর্মসূচিতে আবেদনকারীদের জন্য বাধা ও ফি বাড়ানো হয়েছে। ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী নীতির কারণে বিষয়টি ভারতে নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

জয়শঙ্কর বলেন, একসময় বিদেশে কর্মীদের চলাচলকে অর্থনৈতিক সুবিধা হিসেবে দেখা হতো। এখন সেই অর্থনীতি এবং রাজনীতি অনেক ক্ষেত্রে পরস্পরের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপও ভারতের বর্তমান অবস্থানকে প্রভাবিত করছে। সাবেক কূটনীতিক বিসারিয়ার মতে, আগামী বছর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচন থাকায় মোদি সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ রয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ মেনে নেওয়ার মতো অবস্থান নেওয়া সরকারের জন্য রাজনৈতিকভাবে কঠিন হয়ে উঠছে।

হর্ষ পান্তের মতে, অভিবাসনসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন নীতি ভারতের সাধারণ মানুষের ওপরও প্রভাব ফেলে। দীর্ঘদিন এসব বিষয় যুক্তরাষ্ট্রকে ভারতীয়দের কাছে আকর্ষণীয় অংশীদার হিসেবে তুলে ধরেছিল। কিন্তু এখন একই বিষয়গুলো দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সম্পর্ক পুনর্গঠনের সম্ভাবনা

ট্রাম্প দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউজে ফেরার পর ভারতের কৌশলগত মহলে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদ ছিল। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে মোদীর সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্কও বেশ ঘনিষ্ঠ ছিল। কিন্তু পরবর্তী কয়েক মাসে দুই দেশের মধ্যে নানা বিষয়ে মতবিরোধ বাড়তে থাকে।

তবে চ্যাথাম হাউসের গবেষক বাজপেয়ির মতে, মতপার্থক্য বাড়লেও ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র কেউই সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টা পুরোপুরি ছেড়ে দেয়নি। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতি মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের লেনদেনভিত্তিক ও অনেক সময় অনিশ্চিত পররাষ্ট্রনীতির প্রতিফলন।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে স্বাভাবিক করার সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে একটি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যচুক্তি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

অন্যদিকে হর্ষ পান্তের মতে, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে অনেক দেশই। তাঁর ভাষায়, ট্রাম্প প্রচলিত কূটনৈতিক রীতি ও আন্তর্জাতিক আচরণের নিয়মকে খুব বেশি গুরুত্ব দেন না। ফলে তাঁর প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা করা অনেক দেশের জন্যই একটি কঠিন কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের বরফ গলাতে ভারতকেই উদ্যোগী হতে হবে

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক বর্তমানে টানাপোড়েনের মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও দুই

ইসরায়েলের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে সৌদি আরব

সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করা ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে থাকা ইসরায়েলি যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে নিতে সামরিক

যেভাবে ইরাক দখল করেছিল যুক্তরাষ্ট্র

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারে ভয়াবহ হামলা হয়। এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত ২২ জন

আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, হামলায় অন্তত ২২ জন জঙ্গি নিহত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চেতনার মশাল সাহিত্যের কাগজ 'শামাদান'

পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক জোরদার, ক্ষোভ বাড়ছে ভারতের

শাহপরীতে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড

ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের বরফ গলাতে ভারতকেই উদ্যোগী হতে হবে

৪৫ রানে অলআউট শ্রীলঙ্কা, ফাইনালে লড়বে ভারত-পাকিস্তান

ডেঙ্গু মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৫ লাখ কিট দিল যুক্তরাষ্ট্র

বিএনপির এমপি মিষ্টির পদত্যাগ নিয়ে যা বললেন রাশেদ খাঁন

ইসরায়েলের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে সৌদি আরব

যেভাবে ইরাক দখল করেছিল যুক্তরাষ্ট্র

৬ মাস নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো

ফুটপাত দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

বিএনপির এমপি মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মিরপুরে উচ্ছেদে ভাঙচুর-আগুন : চার মামলায় আসামি ১০০০

যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ৭ মাসে বিদেশে গেছে ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী

মালিবাগ-খিলগাঁওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-ড্রেন দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ

কিউআর কোডে লেনদেনে কোনো ফি লাগবে না: অর্থমন্ত্রী

ভূমি সংক্রান্ত প্রচারে ডিসিরা পাবেন ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা

আকিদাগত বিরোধ নাকি ব্যবসায়িক স্বার্থ? বেতবুনিয়ায় ৫৫ বছরের পুরোনো মসজিদ ভাঙা নিয়ে উত্তেজনা

বাংলাদেশে আসছেন না হেম্প, অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে দলে যোগ দেবেন

কমেছে বৃষ্টির প্রবণতা, টানা শুষ্ক আবহাওয়ার আভাস