
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলার দ্রুত বিচার সম্পন্ন হলে দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য সেলিমা রহমান।
শুক্রবার (২২ মে) সকালে দলটির নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের উদ্যোগে একটি প্রতিনিধিদল শিশু রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তাদের পল্লবীর বাসায় যায়। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ফোরামের আহ্বায়ক সেলিমা রহমান এবং সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য নিপুন রায় চৌধুরী।
এসময় তারা রামিসার পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা এবং ফোরামের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা দেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও পরিবারটির পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সেলিমা রহমান বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। রাষ্ট্র যখন এই হত্যার বিচার নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিয়েছে, তখন জনগণ আশা করছে খুব দ্রুতই অপরাধীদের বিচার হবে এবং এর মাধ্যমে বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার হবে।
তিনি আরও বলেন, এমন নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রয়োজন।
এসময় নিপুন রায় চৌধুরী বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার কাজ করছে। রামিসা হয়তো আর ফিরে আসবে না, কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হলে ভবিষ্যতে অনেক শিশুর জীবন রক্ষা পাবে।
গত মঙ্গলবার রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসার খাটের নিচ থেকে আট বছর বয়সী রামিসা আক্তারের মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বাসার বাথরুম থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হলে প্রথমে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল রানা রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আমার বার্তা/জেএইচ

