ই-পেপার বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১

সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে কর্তৃপক্ষের কৌশলী হওয়া জরুরি

ড. জান্নাতুল ফেরদৌস
২৭ ডিসেম্বর ২০২২, ১৬:৩৩

জনবসতির দিক থেকে বাংলাদেশ পৃথিবীতে অষ্টম এবং ঘনত্বের দিক থেকে বিশ্বে দশম ঘনবসতিপূর্ণ। এই বৃহদাকার বর্ধিত ঘনবসতির সঙ্গে সমান তালে বেড়ে চলেছে আমাদের সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যাটি। বর্তমানে আমাদের দেশে প্রতিবছর সৃষ্টির বর্জ্যের পরিমাণ প্রায় ২৩ মিলিয়ন টনের বেশি। অর্থাৎ মাথাপিছু ১৫০ কিলোগ্রামের উপরে। একইভাবে এই হার ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২৫ সালে দৈনিক প্রায় ৪৭ হাজার ৬৪ টন বর্জ্য উৎপন্ন হবে। এতে করে মাথাপিছু হার বেড়ে দাঁড়াবে ২২০ কিলোগ্রাম। ফলে এখনই প্রয়োজন সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উদ্যোগ নেওয়া।

বর্জ্য সংগ্রহে পরিবহন, পুনর্ব্যবহার ও নিষ্কাশন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বলা যেতে পারে। তবে বর্জ্য পদার্থের আধুনিক ও নিরাপদ অপসারণ ব্যবস্থার অপ্রতুলতা বাংলাদেশের অন্যতম পরিবেশগত সমস্যা।

ঢাকা শহরের ৫ হাজারের বেশি বস্তিতে অন্তত ৪০ লাখ মানুষের বসবাস। ময়লা ও নোংরা পরিবেশে বসবাসের কারণে এই মানুষেরা দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং সেবা সংস্থার প্রতিবেদনে এমনটিই আমরা দেখতে পাই। তবে এতে করে পারিবারিক সহিংসতা ও সামাজিক অসহিষ্ণুতাও বেড়েছে। বিষয়টি সামগ্রিক হওয়ায় সরাসরি কোন প্রতিবেদনে এটি দেখা যায় না। এ ছাড়া বস্তিবাসী শিশুদের বিদ্যালয়ে যেতে অনাগ্রহ, কিশোর ও যুবকদের শিক্ষা বা কাজে যেতে অনাগ্রহের মতো সামাজিক ক্ষতি হচ্ছে। একইসঙ্গে আয় কমে যাওয়া ও চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার মতো আর্থিক ক্ষতিও হচ্ছে তাঁদের।

আশংকার দিক হচ্ছে রাজধানীতে প্রতিনিয়ত এ সমস্যার পরিধি বাড়ছে। এমনকি এরসাথে নিত্যদিনের সঙ্গী শহরের দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বায়ুদূষণ, ধুলাবালি বৃদ্ধি এবং শব্দদূষণের মত ভয়াবহ সমস্যা নিয়মিত সঙ্গী। তবে বাসাবাড়ির ময়লাসহ রাজধানীতে প্রতিদিন উৎপন্ন হয় বিপুল পরিমাণ বর্জ্য। এসব বর্জ্য অপসারণে হিমশিম খেতে হয় দুই সিটি করপোরেশনকে। সমস্যা নিয়মিত সঙ্গী। তবে বাসাবাড়ির ময়লাসহ রাজধানীতে প্রতিদিন উৎপন্ন হয় বিপুল পরিমাণ বর্জ্য। এসব বর্জ্য অপসারণে হিমশিম খেতে হয় দুই সিটি করপোরেশনকে।

যদিও আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে গতি ফেরাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দুই সিটি করপোরেশন। নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়াসহ সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণ, আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে বর্জ্যে শৃঙ্খলা ফেরাতে কাজ করে যাচ্ছে সংস্থা দুটি। তবুও আছে নানা অভিযোগ, বর্জ্য অপসারণে অব্যবস্থাপনা গোটা নগরবাসীর মুখে মুখে! এ বিষয়ে বিশেষ নজর দিয়ে নাগরিকসেবা নিশ্চিত করার দাবি এখন সবার।

এদিকে অন্যান্য বর্জ্যের পাশাপাশি বর্তমানে অধিক পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া ই-বর্জ্য এবং মেডিকেল বর্জ্যরে ভয়াবহতাও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। যার বিপরীতে অবকাঠামোগত সক্ষমতার চেয়ে সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাব অনেক বেশি দায়ী। তবে অবকাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কেন্দ্রীয়ভাবে এসকল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সক্রিয়করণ অধিক জরুরি।

ই-বর্জ্যের কারণে বর্জ্য প্রবাহ বেড়ে চলেছে। গবেষণা মতে, বিশ্বে ২০২৫ সালে ই-বর্জ্যের পরিমাণ হবে ছয় কোটি ৫৩ লাখ টন এবং ২০৩৫ পর্যন্ত হবে সাত কোটি ৪৭ লাখ টন।”

বাংলাদেশে বছরে কী পরিমাণে ই-বর্জ্য পুনর্ব্যবহার, ধ্বংস ও পরিবেশে মিশে যায়, তা নিয়ে সরকারি সুনির্দিষ্ট কোনো হালনাগাদ পরিসংখ্যান নেই। পরিবেশ অধিদপ্তর ২০১৮ সালে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছিল। এতে বলা হয়, ওই বছর দেশে ৪ লাখ টন বৈদ্যুতিক ও বৈদ্যুতিন (ইলেকট্রনিকস) বর্জ্য জমা হয়। এর মধ্যে কেবল ৩ শতাংশ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ বা রিসাইক্লিংশিল্পে ব্যবহার করা হয়। বাকি ৯৭ শতাংশের ঠাঁই হয় ভাগাড়ে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দেশে প্রতিবছর ২০ শতাংশ হারে ই-বর্জ্য বাড়ছে। ২০৩৫ সাল নাগাদ এই ই-বর্জ্য বছরে ৪৬ লাখ টনে দাঁড়াবে।

ই-বর্জ্য সারা বিশ্বেই বড় উদ্বেগের কারণ। ই-বর্জ্য নিয়ে কাজ করা বৈশ্বিক জোট গ্লোবাল ই-ওয়েস্ট স্ট্যাটিসটিকস পার্টনারশিপের (জিইএসপি) এক হিসাব বলছে, বিশ্বে প্রতি পাঁচ বছরে ই-বর্জ্য ২১ শতাংশ হারে বাড়ে। ২০১৯ সালে সারা পৃথিবীতে ৫ হাজার ৩৬০ কোটি কেজি ই-বর্জ্য জমা হয়। সে বছর মোট উৎপাদিত ই-বর্জ্যের শুধু ১৭ দশমিক ৪ শতাংশ পুনর্ব্যবহার করা হয়েছে। ই-বর্জ্য বেশি জমা হচ্ছে নিম্ন আয় ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সম্প্রতি ই-বর্জ্য ও শিশুস্বাস্থ্য নিয়ে একটি বৈশ্বিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদনে ই-বর্জ্য থেকে কার্যকর ও বাধ্যতামূলকভাবে শিশুদের রক্ষা করতে আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

সংস্থাটি বলছে, ই-বর্জ্যের অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ শিশু, কিশোর-কিশোরী এবং গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এদের রক্ষা করতে কার্যকর ও বাধ্যতামূলক পদক্ষেপ জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন।

অন্যদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী হাসপাতাল ডিজাইনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হচ্ছে মেডিকেল বর্জ্যরে নিরাপদ নিষ্কাশন ব্যবস্থা। বাংলাদেশে হাসপাতাল ডিজাইনের ক্ষেত্রে যা সম্পূর্ণ অনুপস্থিত হিসেবে দেখা যায়। মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরেরও তেমন কোন উদ্যোগ দেখা যায়নি। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বর্তমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দেয়া অত্যন্ত জরুরি বলে জানান তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দেশে প্রাথমিক, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্তরের সরকারি হাসপাতাল আছে ৬৪৫টি এবং বিশেষায়িত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ৯৪টি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে ৪৪৫২টি, ক্লিনিক ২২৩৬টি, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ১০২৯১, সর্বমোট ১৬৯৭৯টি। ২০০০ সালে ছিল যথাক্রমে ১১২৫টি, ৬৩৩টি, ১৭৭৮টি, সর্বমোট ৩৫৩৬টি। দুই দশকে হাসপাতাল বেড়েছে চার গুণ, ক্লিনিক সাড়ে তিন গুণ, ডায়গনোস্টিক সেন্টার প্রায় ছয় গুণ, মোট বেড়েছে প্রায় পাঁচ গুণ। সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সংখ্যা মোট ১৭৭১৮টি। সরকারি হাসপাতালে বেড রয়েছে ৫২৮০৭টি এবং বেসরকারি হাসপাতালে ১০৫১৮৩টি।

প্রিজম নামক একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ঢাকায় ১২০০টি হাসপাতালের সাথে চুক্তিবদ্ধ। করোনার আগে এ সংস্থা প্রতিদিন ১৪ টন বর্জ্য সংগ্রহ করতো। গড়ে প্রতিটি হাসপাতাল থেকে ১১ দশমিক ৭ কেজি। বর্তমানে প্রতিদিন ৭-৮ টন বর্জ্য সংগ্রহ করছে। অথচ একটি হিসাব মতে ঢাকায় দৈনিক নূনতম ২০৬ টন বর্জ্য উৎপাদিত হয়। হাসপাতালগুলো তাদের বর্জ্য যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করছে না- এটাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।'

তবে সামগ্রিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বাস্তবিক চিত্র এতটা ভয়াবহ হলেও আমাদের দেশের অধিকাংশ পৌর এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এখনও সেকেলে। রাস্তার পাশে ডাস্টবিনগুলো ময়লা-আবর্জনায় উপচানো থাকে। এতে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ায়। পরিবেশ নোংরা হয়ে থাকে। পৌরকর্তৃপক্ষ সেখান থেকে ময়লা সরিয়ে শহরের আশপাশের খাল বা খানাখন্দে ফেলে রাখে। সেখান থেকে নতুন করে আরও বিশদ আকারে জীবাণু ও দুর্গন্ধ ছড়ায়।

বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে যদি আমরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সার্বিক চিত্র খুঁজে দেখি, সেখানে বর্জ্যকে তারা সম্পদে রুপান্তরিত করেছে। এমনকি এ প্রক্রিয়াকে বেগবান করে অধিক মুনাফা অর্জনের জন্য দেশগুলো বিশ্বের অন্য দেশগুলো থেকে বর্জ্য আমদানি করছে। যেটা আমাদের দেশে এখনও স্বপ্নের মত। উদাহরণস্বরূপ, সুইডেন ও নরওয়েতে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে ব্যবহারযোগ্য অন্য বস্তুতে রূপান্তরিত করা হচ্ছে, এবং এ ব্যবসাটি সেখানে অত্যন্ত লাভজনক। একে ঘিরে তারা অন্য দেশ থেকেও বর্জ্য আমদানি করছে।

কাজেই আমাদের বৃহদাকার এসকল বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এখন সময়ের দাবি। মানুষসৃষ্ট বর্জ্য জলবায়ুর ওপর যে আঘাত এনেছে তা নিয়ে সারা পৃথিবী উদ্বিগ্ন। জলবায়ুর ওপর বর্জ্যের প্রভাব কমাতে জাতিসংঘ বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। তাদের কর্মসূচিগুলো হলো- সব দেশে জলবায়ু সম্পর্কিত বিপদ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্থিতিস্থাপকতা ও অভিযোজন ক্ষমতা জোরদার, জলবায়ু পরিবর্তন ব্যবস্থাকে জাতীয় নীতি, কৌশল এবং পরিকল্পনায় একীভূতকরণ, জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমন, অভিযোজন, প্রভাব হ্রাস এবং শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি, মানবিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নতকরণ ও প্রারম্ভিক সতর্কতা ইত্যাদি।

সার্বিক পরিস্থিতিতে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মত বাংলাদেশেরও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত। বর্জ্য বা অপদ্রব্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকর্তৃক বর্জ্য সংরক্ষণ, নিরপেক্ষায়ন, নিষ্ক্রীয়করণ অথবা প্রক্রিয়াজাতকরণ করে ব্যবহারের উপযোগী বিভিন্ন নতুন জিনিস বানানো উচিত। এতে যেমন পরিবেশ লাভবান হবে, অর্থনৈতিকভাবেও লাভবান হবে এ দেশের মানুষ।

লেখক: ড. জান্নাতুন ফেরদৌস, সহযোগী অধ্যাপক, লোক প্রশাসন বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।


এবি/ইজা

৮১ বছরের বিবিসি বাংলার রেডিও সম্প্রচার বন্ধ হচ্ছে আজ

দীর্ঘ ৮১ বছর পর বিবিসি বাংলার রেডিও সম্প্রচার বন্ধ হতে যাচ্ছে আজ শনিবার রাতে। আজ

২০২৩ সালকে বরণ করতে প্রস্তুত বিশ্ব

করোনা মহামারি, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, পণ্যের দাম বৃদ্ধি আর ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসির বিশ্বকাপ অর্জন এসবের

কালের বিবর্তনে জর্জরিত শ্রীধরপুর শ্যামা ও শিব মন্দির

যশোরের অভয়নগরে শ্রীধরপুর গ্রামে অবস্থিত প্রায় ৪শ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়ির শ্যামা ও শিব

বাচ্চা হলে অর্থ দেবে জাপান

জন্মহার উদ্বেগজনকভাবে কমে যাওয়ায় দম্পতির বাচ্চা হলেই বিপুল অর্থ দেবে জাপান সরকার। সন্তানের জন্ম দিলেই
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাণিজ্যমেলায় অংশ নিচ্ছে ১০ দেশের ১৭ প্রতিষ্ঠান: টিপু মুনশি

ফোন চুরি ঠেকাতে গুগলে নতুন ফিচার

সবার জীবনে আসুক অনাবিল সুখ, শান্তি: প্রধানমন্ত্রী

উইজডেনের বর্ষসেরা দলে একমাত্র বাংলাদেশি মিরাজ

বিএনপির বড় বিশৃঙ্খলার চেষ্টা আওয়ামী লীগের সতর্কতায় বিফল : তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে পাকিস্তানও হতবাক: সালমান এফ রহমান

সবার আগে নিউজিল্যান্ড নতুন বছরকে বরণ করল

মেট্রোস্টেশনের গেট খুলবে সকাল সাড়ে ৭টায়, বন্ধ বেলা সাড়ে ১১টায়

৮১ বছরের বিবিসি বাংলার রেডিও সম্প্রচার বন্ধ হচ্ছে আজ

মেয়েকে সাথে নিয়ে মায়ের বিষপানে মৃত্যু

জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের চার মামলা

মারা গেছেন সাবেক পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট

জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের পক্ষে ভোট দিল বাংলাদেশ

২০২৩ সালকে বরণ করতে প্রস্তুত বিশ্ব

সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় সাকিব

গুগলের ডুডল চমকে বর্ষ বিদায়

দেশে ভিক্ষুকের সংখ্যা কমেছে: খাদ্যমন্ত্রী

শিক্ষাই দারিদ্র্য মুক্তির প্রধান হাতিয়ার : প্রধানমন্ত্রী

কাউকে আক্রমণ করব না, তবে আক্রান্ত হলে ছাড় দেব না: ওবায়দুল কাদের

চীনকে করোনার তথ্য প্রকাশ করতে বলেছে ডব্লিউএইচও