
পাবনায় পদ্মা নদী থেকে হাত বাঁধা-বস্তাবন্দি এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এখনো তার পরিচয় পাওয়া যায়নি।
বুধবার (৩ মে) সকাল ১০টার দিকে সদরের ভাড়ারা ইউনিয়নের বলরামপুর পীরপুর-সংলগ্ন পদ্মা নদীর তীর থেকে ভাসমান অবস্থায় এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা, মৃত কিশোরীর বয়স আনুমানিক ১৪-১৬ বছর হতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে পদ্মার চরে কৃষকেরা কাজে যাওয়ার সময় তীরে ঠেকানো নৌকার পাশে একটি বস্তা ভাসতে দেখেন। এমন সময় একজন বস্তার কাছে গিয়ে বুঝতে পারেন ভেতরে মরদেহ রয়েছে। এরপর কৃষকের কাজে ব্যবহৃত কাঁচি দিয়ে বস্তার মুখ খুলে কিশোরীর মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা আরও বলেন, গতকাল মঙ্গলবার (২ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই এলাকায় একটি অজ্ঞাত পরিচয়ের প্রাইভেটকার আসে। প্রাইভেটকারে ৪ জন যুবক ছিল। নদী তীর থেকে বলরামপুরের দিকে যেতে প্রাইভেটকারটি হঠাৎ নষ্ট হয়ে যায়। এরপর স্থানীয় লোকজন গাড়িটিতে ধাক্কা দিয়ে বলরামপুর মুজিব বাঁধ পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। ধর্ষণের পর হত্যা করে এই গাড়িতে করেই মরদেহটি গত রাতে ফেলে গেছে বলে স্থানীয়দের ধারণা। বলরামপুর স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলে বিষয়টি জানা যাবে।
পাবনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম পাঠানো হয়েছে। এখনো পরিচয় পাওয়া যায়নি। কি কারণে হত্যা করা হয়েছে এটাও জানা যায়নি। তবে পুলিশ কাজ করছে।

