ই-পেপার রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বিদ্যুৎ দাম বৃদ্ধির আদেশ কাল, বাড়তে পারে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ

আমার বার্তা অনলাইন:
০২ জুন ২০২৬, ১৫:১০

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বুধবার (৩ জুন) বিকেলে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির আদেশ দিতে যাচ্ছে । পাইকারিতে কমবেশি ১৯ শতাংশের মতো বাড়তে পারে। আর খুচরায় (গ্রাহক পর‌্যায়ে) সর্বোনিম্ন ১৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশের মতো বাড়তে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে।

সেচ থেকে শুরু করে শিল্প, লাইফলাইনসহ সব ধরণের গ্রাহকের দাম বাড়ছে বলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সুত্র নিশ্চিত করেছে। নতুন দর ১ জুন থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে।

বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, আগামীকাল (৩জুন) আদেশ দেওয়া হতে পারে।

কি পরিমাণে দাম বাড়ছে সে বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি বিইআরসি চেয়ারম্যান।

বিইআরসির এই ওই আদেশ দুই দিক থেকে রেকর্ড করতে যাচ্ছে। একদিকে ঝড়োগতিতে অর্থাৎ ১৯ কর্মদিবসের মধ্যে আদেশ প্রদান। অন্যদিকে অতীতে গ্রাহক পর‌্যায়ে কখনও এতো বেশি পরিমাণে দাম বাড়ানোর নজীর নেই। ২০১১ সালে ১ ডিসেম্বর পাইকারিতে সর্বোচ্চ ২১.৪৬ শতাংশ এবং গ্রাহক পর‌্যায়ে ১৪.১৬ শতাংশ দাম বাড়ানোর রেকর্ড রয়েছে।

একইসঙ্গে শুনানির পর মাত্র ৪ কর্মদিবসে আদেশ দেওয়ার ঘটনাও নজির বিহীন। গত ২০ এবং ২১ মে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের উপর গণশুনানি গ্রহণ করা হয়। এরপর সরকারি কর্মদিবস ছিল মাত্র ৪দিন। বন্ধের মধ্যেই বিশেষ ব্যবস্থায় গুছিয়ে আনা হয়েছে আদেশের প্রস্তুতি।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) পাইকারি পর্যায়ে ইউনিট প্রতি ১.২০ টাকা (১৭ শতাংশ) থেকে ১.৫০ টাকা (২১ শতাংশ) দাম বাড়ানোর আবেদন করে। দাম বৃদ্ধির আবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিদ্যুতের সম্ভাব্য উৎপাদন খরচ পড়বে প্রায় ১ লাখ ৪৩ হাজার ১০৮ কোটি টাকা। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম পড়বে ১২.৯১ টাকার মতো। বিদ্যমান পাইকারি দামে বিক্রিতে আয় হবে ৭৭ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা। এতে করে ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ৬৫ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা। ইউনিট প্রতি ১.২০ টাকা (১৭ শতাংশ) বৃদ্ধি হলে ঘাটতি কমবে ১ হাজার ৩২৯ কোটি আর ১.৫০ টাকা (২১ শতাংশ) হারে দাম বাড়লে ঘটতি কমবে ১ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা।

সর্বশেষ ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। ওই আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দর ৬.৭০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭.০৪ টাকা করা হয়। যদিও কোম্পানি ভিত্তিক বিক্রির পার্থক্যের কারণে গড় বিক্রি মূল্য ৬.৯৯ টাকা দাঁড়িয়েছে বলে দাবি বিপিডিবির।

বিপিডিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে বিদ্যুতের গড় উৎপাদন খরচ ছিল ২.১৩ টাকা, ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৩.১৬ টাকা আর ২০২২ সালে সাড়ে ৮ টাকার মতো, এখন গড় উৎপাদন খরচ ১৩ টাকার কাছাকাছি। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, ডলারের দাম বেড়ে যাওয়াকে কারণ দেখানো। তবে সংশ্লিষ্টরা নানা রকম দুর্নীতি অনিয়ম, অসম চুক্তি ও অব্যবস্থাপনাকে দায়ি করে আসছেন।

বিদ্যুতের বিদ্যমান পাইকারি দরে লোকসান দিচ্ছে বলে দাবি করেছে বিতরণ সংস্থা ও কোম্পানিগুলো। লোকসান ঠেকাতে ডেসকো ৯.৬৭ শতাংশ, ডিপিডিসি ৬.৯৬ শতাংশ ওজোপাডিকো ১০ শতাংশ, আরইবি ৫.৯৩ শতাংশ অন্যদিকে নেসকো ইউনিট প্রতি ৩ পয়সা এবং বিপিডিবি ২৯ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে।

পাশাপাশি পাইকারি দাম এবং সঞ্চালন চার্জ বেড়ে সমানহারে দাম বাড়ানোর আবেদন করেছে কোম্পানিগুলো। বিদ্যুতের একমাত্র সঞ্চালন কোম্পানি পিজিসিবি (পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি), প্রতি ইউনিটে যথাক্রমে ৩০ ও ৩১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪৮ ও ৪৯ পয়সা করার প্রস্তাব করেছে।

ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসির (ডেসকো) প্রস্তা বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত পাইকারি দাম ৩৬.৯৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। ওই সময়ে গ্রাহক পর্যায়ে দাম বাড়ানো হয়েছে মাত্র ২৫.০২ শতাংশ। এতে করে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১ হাজার ৬২ কোটি, পরবর্তী দুই অর্থবছরে যথাক্রমে ৯৫২ এবং ৫৯৬ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। লোকসান ঠেকাতে হলে দাম ৯.৬৭ শতাংশ বাড়ানো জরুরি।এছাড়া নতুন করে পাইকারি দাম বাড়লে সমহারে বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) তার প্রস্তাবে বলেছে পাইকারি দাম যে হারে বেড়েছে খুচরা সে হারে বাড়েনি। তাই ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৬৪৩ কোটি টাকা, পরের বছর ৩০২ কোটি, এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৩৬ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। লোকসান সামাল দিতে হলে ৬.৯৬ শতাংশ হারে দাম বাড়ানো প্রয়োজন।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) তার প্রস্তাবে বলেছে, ৮০ টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নীট লোকসান দিয়েছে ১৬৯৮ কোটি টাকা। গ্রাহক পর্যায়ে দাম না বাড়লে চলতি অর্থবছরে ২ হাজার ৮৯৭ কোটি টাকা লোকসান হবে। লোকসান ঠেকাতে হলে ৫.৯৩ শতাংশ হারে দাম বাড়ানো প্রয়োজন। পাইকারি দাম বাড়লে ৫.৯৩ শতাংশের সঙ্গে সেই পরিমাণও যোগ করার আবেদন করেছে আরইবি।

বিতরণ কোম্পানিগুলো ধাপ প্রথায় কিছুটা রদবদলের আবেদন করলেও এবার তা কার‌্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে বিইআরসি সুত্র জানিয়েছে। একইসঙ্গে সঞ্চালন চার্জ বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা জানা গেছে।

আমার বার্তা/এমই

এলএনজিকে বাড়তি কর সুবিধা দিয়ে ১৩০০ কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

নবায়নযোগ্য জ্বালানির সমপরিমাণ শুল্ক-কর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির ওপর আরোপ করা হলে সরকার

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের কর ছাড়ের পরিকল্পনা

বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি সম্প্রসারণ ও অনলাইনভিত্তিক উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিতে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কনটেন্ট ক্রিয়েটর

দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমল ৫৪৮২ টাকা

দেশের বাজারে আরও এক দফা স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার

ভ্যাট রিটার্নে আসছে বড় পরিবর্তন

এবার দেশের মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের পথে হাঁটছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সংসদে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে স্টাডি করে নেবেন: মন্ত্রীকে স্পিকার

ভারতে আটকে থাকা ৯১ মৎস্যজীবীকে ফিরিয়ে আনলো সরকার

তোফায়েলসহ ১৬ জন সাবেক এমপি-মন্ত্রীর মৃত্যুতে সংসদে শোক প্রস্তাব

ডেঙ্গু মোকাবেলায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

জুয়ার বিজ্ঞাপনে ছবি ব্যবহার করায় ফেডারেশনের ওপর ক্ষুব্ধ এমবাপে

গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে দিনে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ১৮০০০ মেগাওয়াট

আদ্-দ্বীনে মারা যাওয়া প্রতি শিশুর পরিবার পাবে ৮০ লাখ টাকা: শিশির মনির

সীমান্তে পুশ ইন ঠেকাতে ৬০ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন

১০০ দিনে ১১৮৫ খুন, ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণের তথ্য দিল টিআইবি

সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নির্বাচিত ৫ জন

জামায়াত থাকতে আরেকটি জামায়াতের ‘প্রোম্যাক্স’ দল প্রয়োজন ছিল না: রাশেদ

সীমান্তে পুশ ইন ইস্যু আলোচনা হবে বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবশেষে সাফ জয়ের দেড় কোটি টাকা পেলেন সাবিনারা

হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচার

এলএনজিকে বাড়তি কর সুবিধা দিয়ে ১৩০০ কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

পোলিশ রূপকথা থামিয়ে ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতলেন রাশিয়ার মিরা

রামিসা হত্যার রায় তিন মাসের মধ্যে কার্যকর সম্ভব : আইনমন্ত্রী

উচ্চ আদালতে রামিসার মামলার শুনানি এগিয়ে আনতে সুপারিশ করা হবে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী পরিকল্পনা আছে: মাহদী আমিন

জাবিপ্রবির নেতৃত্বে বাকৃবির অধ্যাপক ড. আমির হোসেন