ই-পেপার রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

জিয়াউর রহমান দেশের ক্রান্তিলগ্নে বার বার কান্ডারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন

আমার বার্তা অনলাইন:
০৩ জুন ২০২৬, ১১:২১

“শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের ক্রান্তিলগ্নে বার বার কান্ডারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন” বলে মন্তব্য করেছেন চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রহমান।

স্বাধীনতার ঘোষক বীর উত্তম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে আজ মঙ্গলবার এক আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজনে তিনি এ কথা বলেন।

বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর, চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন, বিটিভির প্যাকেজ প্রিভিউ কমিটির সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক আহমেদ তেপান্তরসহ বোর্ডের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে এস এম আব্দুর রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের ক্রান্তিলগ্নে বার বার কান্ডারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। ২৫ মার্চের ভয়াল রাত্রির পর যদি তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন তবে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত দ্বিধাগ্রস্থ জাতি সংকল্পবদ্ধ হয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে না পরতেন তাহলে যুদ্ধের ও বিজয়ের ইতিহাস হয়তো ভিন্নভাবে লিখা হতো। ঠিক তেমনি ভাবে ৭৫ এর ৭ নভেম্বর দেশের সংকটময় মূহুর্তে দেশের হাল না ধরলে দেশ এক গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হতো। স্বাধীনতার পর যখন তিনি দেশ গড়ার দায়িত্ব পান তখন তিনি সবাইকে সাথে নিয়ে অভ্যন্তরীণ শান্তি প্রতিষ্ঠা ও বর্হিবিশ্বের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে মনোনিবেশ করেন। চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নেও তার বলিষ্ট ভূমিকা ছিল। তিনিই চলচ্চিত্রকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা করেন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তার আমলেই প্রবর্তিত হয়। বিএফডিসিকে ঢেলে সাজানো, ফিল্ম সিটি প্রতিষ্ঠা, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ প্রতিষ্ঠা তার হাত ধরেই শুরু হয়েছিল। নতুনকুঁড়ি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অঙ্গণে প্রতিভা অন্বেষন তার আমলেই জাতীয় পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ে।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্য মিশা সওদাগর বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন সততার বিমূর্ত প্রতীক। দেশ গঠনে প্রেসিডেন্ট জিয়ার আত্মনিয়োগ তাঁকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ের মনিকোঠায় স্থান দিয়েছিল। তার খাল খনন কর্মসূচি, তরুনদের নিয়ে স্কাউট গঠন ও পরিচালনা ইত্যাদি কার্যক্রম তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করে। তিনি মানুষের অন্তরে এমনভাবে গেঁথে গিয়েছিলেন যে, তার শাহাদত বরণের পর নামাজে জানাজায় স্বরণকালের সর্বোচ্চ মানুষের ঢল নেমেছিল।

চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি ও সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্য আওলাদ হোসেন বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়ার রাজনীতি ছিল অন্তর্ভূক্তিমূলক। তিনি সেনা প্রধান হয়েও রাজনীতিতে এসে সাধারণ জনগণের কাতারে নিজেকে দাড় করিয়ে সবার সাথে মিলেমিশে এদেশকে গড়তে চেয়েছিলেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পূনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। তার মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসন আমলে বাংলাদেশ বহিবিশ্বের নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে পেরেছিলেন। জনশক্তি রপ্তানি, কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন তার আমলের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। তিনি সবাইকে শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে যার যার অবস্থান থেকে দেশ গঠনে ভূমিক রাখার আহ্বান জানান।

বক্স অফিসে ঝড়, তবু এই সিনেমা নিয়ে বিতর্ক কেন?

৪ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে বড় আয়োজনের তেলুগু ছবি ‘পেদ্দি’। বুচি বাবু সানার এ ছবির

মাইগ্রেশন ফিল্ম ফেস্টে অংশ নিচ্ছে ‘নীল সমুদ্রের ওপারে’

অবৈধ অভিবাসন, মানবপাচার এবং দালালচক্রের প্রতারণার ভয়াবহ পরিণতি তুলে ধরে নির্মিত হয়েছে সচেতনতামূলক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

কন্যাসন্তানের মা হলেন বুবলী

দীর্ঘদিনের নানা গুঞ্জন ও আলোচনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সুখবর জানালেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম

নায়িকাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ক্যামেরাবন্দির অধিকার নেই: জাহ্নবী কাপুর

বর্তমান সময়ে শোবিজ অঙ্গনে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে তারকাদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত ও শরীরের নির্দিষ্ট অংশকে ফোকাস
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভারতে মোদি সরকারের পতনের শঙ্কা তৈরি করছে ভাইরাল ‘তেলাপোকা পার্টি’

হাজারো সমর্থকের সমাবেশের পর দেশব্যাপী বিক্ষোভের হুঁশিয়ারি সিজেপির

একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

সংসদে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে স্টাডি করে নেবেন: মন্ত্রীকে স্পিকার

ভারতে আটকে থাকা ৯১ মৎস্যজীবীকে ফিরিয়ে আনলো সরকার

তোফায়েলসহ ১৬ জন সাবেক এমপি-মন্ত্রীর মৃত্যুতে সংসদে শোক প্রস্তাব

ডেঙ্গু মোকাবেলায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

জুয়ার বিজ্ঞাপনে ছবি ব্যবহার করায় ফেডারেশনের ওপর ক্ষুব্ধ এমবাপে

গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে দিনে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ১৮০০০ মেগাওয়াট

আদ্-দ্বীনে মারা যাওয়া প্রতি শিশুর পরিবার পাবে ৮০ লাখ টাকা: শিশির মনির

সীমান্তে পুশ ইন ঠেকাতে ৬০ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন

১০০ দিনে ১১৮৫ খুন, ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণের তথ্য দিল টিআইবি

সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নির্বাচিত ৫ জন

জামায়াত থাকতে আরেকটি জামায়াতের ‘প্রোম্যাক্স’ দল প্রয়োজন ছিল না: রাশেদ

সীমান্তে পুশ ইন ইস্যু আলোচনা হবে বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবশেষে সাফ জয়ের দেড় কোটি টাকা পেলেন সাবিনারা

হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচার

এলএনজিকে বাড়তি কর সুবিধা দিয়ে ১৩০০ কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

পোলিশ রূপকথা থামিয়ে ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতলেন রাশিয়ার মিরা

রামিসা হত্যার রায় তিন মাসের মধ্যে কার্যকর সম্ভব : আইনমন্ত্রী