ই-পেপার মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

আদালতের রায়ে ক্ষমতা ফিরে পেলেন দ. কোরিয়ার অভিশংসিত ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট

আমার বার্তা অনলাইন
২৪ মার্চ ২০২৫, ১১:০০

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হান ডাক-সু তার হারানো পদ ফিরে পেয়েছেন আদালতের রায়ে।

গত বছরের ডিসেম্বরে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল সংসদে আইনপ্রণেতাদের ভোটে অভিশংসিত হওয়ার দুই সপ্তাহ পর একই পরিণতি হয় ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হান ডাক-সুরও। খবর রয়টার্সের।

বার্তাসংস্থাটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (২৪ মার্চ) দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুর ক্ষমতা পুনর্বহাল করেছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল অভিশংসিত হওয়ার ফলে গত ১৪ ডিসেম্বর দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন ৭৫ বয়সী এ নেতা। কিন্তু মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায় তাকেও অভিশংসিত করেন আইনপ্রণেতারা।

তবে, আদালতের আদেশের পর প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের কাছ থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন হান ডাক-সু। দক্ষিণ কোরিয়ার সাম্প্রতিক অস্থির রাজনীতিতে অনেক বড় ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে এটিকে।

আদালতের রায়ের পর হান বলেন, সাংবিধানিক আদালতের বিজ্ঞ সিদ্ধান্তের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমি বরখাস্ত থাকাকালীন কঠোর পরিশ্রমের এ সময়ে মন্ত্রিসভার সদস্যরা যেভাবে দায়িত্ব পালন করেছে, সেজন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।

টেলিভিশনে সম্প্রচারিত মন্তব্যে হান বলেন, আমরা বিশ্বব্যাপী পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া প্রস্তুত ও বাস্তবায়নের জন্য একসাথে কাজ করব এবং ভূ-রাজনৈতিক রূপান্তরের যুগে দক্ষিণ কোরিয়া যাতে ভালোভাবে বিকশিত হতে থাকে তা নিশ্চিত করব।

মূলত, ২০২২ সালের মে মাস থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন হান ডাক-সু। আর প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের অভিশংসনের পর গত বছরের ডিসেম্বরে তিনি দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তবে এর দুই সপ্তাহের মাথায় তিনি নিজেও অভিশংসিত হন এবং সেই পদক্ষেপ পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির চলমান সংবিধানিক সংকট আরও বাড়িয়ে তুলেছিল।

গত বছরের ৩ ডিসেম্বর সামরিক আইন জারি করার ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর দক্ষিণ কোরিয়ার সংসদে প্রেসিডেন্ট ইউনকে অভিশংসিত করার পর প্রধানমন্ত্রী হান ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। মূলত দেশটিতে সেসময় যে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছিল তা থেকে দেশকে মুক্ত করতে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল হানের।

কিন্তু বিরোধী এমপিরা অভিযোগ করেছিলেন, তিনি ইউনের অভিশংসন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার দাবি প্রত্যাখ্যান করছেন। এরপর ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে দেশটির পার্লামেন্টে বিশৃঙ্খলার মধ্যেই তাকে অভিশংসনের জন্য ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়। সেই ভোটাভুটিতে মোট ১৯২ জন আইনপ্রণেতা তার অভিশংসনের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।

রয়টার্স বলছে, ইউনের সামরিক আইন ঘোষণা এশিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক মিত্র দক্ষিণ কোরিয়াকে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটে ফেলে দেয় এবং বিভিন্ন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিশংসন, পদত্যাগ এবং ফৌজদারি অভিযোগের মধ্যে দেশটিতে নেতৃত্বের শূন্যতা তৈরি করে।

সোমবার আদালতের বিচারপতিরা সাত-এক ভোটে হানের অভিশংসন বাতিল করার রায় দিয়েছেন। আট বিচারপতির মধ্যে পাঁচজন বলেছেন, অভিশংসন প্রস্তাব বৈধ, কিন্তু আদালতের বিবৃতি অনুসারে, হানকে অভিশংসন করার মতো পর্যাপ্ত কারণ ছিল না। তিনি সংবিধান বা আইন লঙ্ঘন করেননি।

আর দুই বিচারপতি রায় দিয়েছেন, ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হানের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব শুরু থেকেই অবৈধ ছিল। কারণ সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ আইনপ্রণেতা এটি পাস করেননি।

আমার বার্তা/জেএইচ

সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের সফরে ব্রিটিশ রাজাকে মৌচাক দেখালেন ট্রাম্প দম্পতি

চারদিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানি ক্যামিলা। ইরান যুদ্ধ ঘিরে ওয়াশিংটনের

পরমাণু আলোচনা ঘিরে ইরানের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রুবিও

নতুন প্রস্তাবের আড়ালে ইরান সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করছে বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। নতুন

যুদ্ধ শেষ করতে ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব গ্রহণে ট্রাম্পের অস্বীকৃতি

যুদ্ধ বন্ধ এবং পরমাণু প্রকল্প ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাতে নতুন যে প্রস্তাবটি

হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিলো ইরান

যুদ্ধ বন্ধে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। এতে প্রাথমিকভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিশ্বের ৩৩তম বাংলাদেশ

মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গণআন্দোলনের তুলনা করা হলে মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা হয়

থানায় মামলা করতে গিয়ে হয়রানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে

জ্বালানি লোডিং শুরু, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশ

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকারে দীর্ঘদিন কারাগারে থাকতে হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৯ জনের মৃত্যু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

বিদ্যমান সম্পদের অদক্ষ ব্যবহারই স্বাস্থ্য খাতের বড় সংকট: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার হুমকির ভিত্তি নেই: র‌্যাব

সংসদ অধিবেশনে ভারতীয় ভিসা নিয়ে সুখবর দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আ.লীগ আমলে প্রশাসনে রাজনীতিকীকরণ ব্যাপক বিস্তার লাভ করে

সরাইলে বিকল ট্রাক মেরামতের সময় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় হেলপার নিহত

ন্যার পূর্বাভাস দিবে বাকৃবি গবেষকদের উদ্ভাবিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের সফরে ব্রিটিশ রাজাকে মৌচাক দেখালেন ট্রাম্প দম্পতি

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনাসহ ২২ কোচের বেতন জানতে চেয়েছে বাফুফে

গুলশানে হাসপাতাল থেকে ভারতীয় নারীর মরদেহ উদ্ধার

রাষ্ট্র পরিচালনার ২ চ্যালেঞ্জ: অর্থনৈতিক চাপ ও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি

ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহারে ঢাকা শহরের ঝুঁকি বাড়ছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ঢাবির একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি পেলেন অধ্যাপক সুদীপ

জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যনির্বাহী কমিটির ১৫তম সভা অনুষ্ঠিত

অপতথ্য দিয়ে গণমাধ্যমের ফটোকার্ড মেনে নেবে না সরকার: তথ্য উপদেষ্টা