ই-পেপার সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত ও সংকটময় মধ্যপ্রাচ্য

খন্দকার আপন হোসাইন:
১৮ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৩৭

খ্রিষ্টপূর্ব ৭০০০ অব্দে ঐতিহাসিক নগর সভ্যতার সন্ধান পাওয়া একটি দেশ হচ্ছে ইরান। একটি আলাদা জাতি ও সাম্রাজ্য হিসেবে ইরান প্রতিষ্ঠা পায় সম্রাট মেডিসের মাধ্যমে। ১৫০১ খ্রিস্টাব্দে সাফাভিদ রাজবংশের হাত ধরে একটি স্বাধীন শিয়া রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইরান। অপরদিকে ১৯৪৮ সালের ১৪ মে স্বাধীনতা ঘোষণার মাধ্যমে প্যালেস্টাইনের অভ্যন্তরে ইসরায়েল রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। মূলত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও পশ্চিমা মিত্রদের সহযোগিতায় মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল রাষ্ট্রের আবির্ভাব। জন্মলগ্ন থেকেই ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্রসহ যাবতীয় সহযোগিতা পেয়ে আসছে। সেই সহযোগিতা প্যালেস্টাইনের প্রতি ইসরায়েলের মারমুখো নীতি বাস্তবায়নে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। অপরদিকে প্যালেস্টাইন মুসলমানদের প্রতি ইসরায়েলের আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে ইরানের সজাগ দৃষ্টি কখনোই সহজভাবে গ্রহণ করেনি ইসরায়েল। ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যকার দ্বন্দ্বে প্রায় প্রতিটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের মৌন সমর্থন প্যালেস্টাইনের প্রতি। শুধু সমর্থন নয় সহমর্মিতা ও সর্বপ্রকার সহযোগিতার মাধ্যমে প্যালেস্টাইনের পক্ষে দৃঢ় অবস্থানের কারণে ইরানের প্রতি ইসরাইলের দীর্ঘদিনের আক্রোশ। সেই আক্রোশের বহিঃপ্রকাশই ইরান-ইসরাইল সাম্প্রতিক সংঘাতের সূত্রপাত ঘটিয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে নজিরবিহীন হামলা করে হামাস। সেই হামলার পর থেকে হামাসের অস্ত্রদাতা ও পরামর্শদাতা হিসেবে ইরানকে দোষারোপ করে আসছে ইসরায়েল। প্রচন্ড জেদ ও ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে ২০২৪ সালের পহেলা এপ্রিল সিরিয়ার দামেস্কে ইরানি কনস্যুলেট ভবনে হামলা করে বসে ইসরায়েল। ইরান রেভ্যুলেশনারি গার্ডসের তথ্যানুযায়ী ওই হামলায় এলিট ফোর্স কুদসের সিনিয়র কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা জাহেদিসহ সাতজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছে। এই ঘটনার বারোদিনের মাথায় ইসরায়েলে প্রতিশোধমূলক আক্রমণ চালায় ইরান। ১৩ই এপ্রিল ২০২৪ তারিখে ইরান নিজস্ব ভূখণ্ড থেকে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যদিয়ে ইসরায়েলে অপারেশন ট্রু প্রমিজ নামক সামরিক অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের একটি বিমানঘাঁটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইসরায়েল সেনাবাহিনীর তথ্যমতে ৩০০টিরও বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। এরমধ্যে ৯৯ শতাংশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েল সীমায় প্রবেশের পূর্বেই ধ্বংস করতে সমর্থ হয়েছে বলে ইসরায়েলের দাবী। যাইহোক ইরানের উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। ইসরায়েলের মিত্রদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো হয়েছে পুরোপুরি যুদ্ধ শুরু না করেও ১০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ইসরায়েলকে হতভম্ব করার সক্ষমতা ইরানের রয়েছে। চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের রাজনীতিবিষয়ক উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী আলি বাঘেরি কানির স্পষ্ট হুঁশিয়ারি হলো "ইসরায়েল পাল্টা হামলা চালালে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে জবাব দেবে তেহরান।"

ইসরায়েল বিভিন্ন সময়ে ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা করার হুমকি দিয়েছে। কারণ ইরানের অস্ত্র কর্মসূচিকে তারা নিজেদের জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করেছে। ইরানি গোয়েন্দা সংস্থার ধারণা অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক গবেষণাকেন্দ্রগুলোতে ইসরায়েলি হামলার আশঙ্কা আছে। ইরান ইসরায়েলের চেয়ে আয়তন ও জনসংখ্যায় যেমন বৃহৎ আবার সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও পিছিয়ে নেই। একটা দীর্ঘস্থায়ী বৃহৎ যুদ্ধে অস্তিত্ব ধরে রাখার জন্য ইরানের তুলনায় দেশ হিসেবে ইসরায়েল বেশ ছোট। সুতরাং ইসরায়েলকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার ঘোষণা ইরানের শক্তি সামর্থের বিষয়টি সামনে এনে দাড় করায়। ইরানের বিপ্লবী সরকার ইসরায়েল রাষ্ট্রের অস্তিত্বকে বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনী ইসরায়েল-ফিলিস্তিন দুই রাষ্ট্র সমাধানে ইসরায়েলের অস্তিত্বকে স্বতঃসিদ্ধ মনে করে না। অন্যদিকে ইরানের ইসরায়েল বিরোধী মনোভাব ও সামগ্রিক উত্থানকে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে ইসরায়েলের শাসকগোষ্ঠী। এই স্নায়ুগত মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের কারণে কখনো একসুরে কথা বলতে পারেনি দেশ দুটি।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সাম্প্রতিক আতঙ্কে শান্তিকামী বিশ্বজনতা সন্ত্রস্ত ও হতচকিত। এমনিতেই বিশ্ববাসী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে শঙ্কিত। নতুন করে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের ঝনঝনানি বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে এই যুদ্ধ শুরু হলে আবারও বিশ্বযুদ্ধের মুখোমুখি হতে পারে আবালবৃদ্ধবনিতা। তা না হলে, ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ ক্রুসেডেও পরিনত হতে পারে। ইসরাইল ও ইরানের সামরিক শক্তির এই প্রদর্শন আরববিশ্বসহ সমগ্র বিশ্বে যুদ্ধের ভয়ার্ত বাণী ছড়িয়ে দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যীয় অঞ্চলে এই মুহূর্তে একটি আঞ্চলিক যুদ্ধ শুরু হলে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে তা ছোট করে দেখার কোন অবকাশ নেই। কেননা এই যুদ্ধ কেবল আঞ্চলিক ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে মনে হচ্ছে না। এর বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়া আরও ভয়াবহ হবে। ইরান-ইসরাইল দ্বন্দ্ব উপসাগরীয় দেশগুলোকে যুদ্ধে নামতে একরকম বাধ্য করবে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীনকেও এ সংঘাতে টেনে আনবে। সুতরাং বিস্ফোরক বৈশ্বিক সংঘর্ষের আশঙ্কা নিতান্তই অমূলক নয়।

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানি শাসকদের কঠোর জবাবে সন্তুষ্ট নয় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। কানাডার স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ইসরায়েলের প্রতি। প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো তার বক্তব্যে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের আকাশ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এছাড়া বাইডেন প্রশাসনের সমর্থন বরাবরই ইসরায়েলের প্রতি। আবার আরববিশ্বের অধিকাংশ মুসলিম প্রধান দেশসহ রাশিয়ার সমর্থনই হচ্ছে ইরানের ভরসার জায়গা। রাশিয়া অতিসম্প্রতি ইরানকে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মতো কিছু উন্নত সরঞ্জাম সরবরাহ করে ইরানের মনোবল আরও দৃঢ় করেছে।

যুদ্ধ কখনো শান্তি বয়ে আনে না। যুদ্ধের পরিস্থিতি শুনলে কেবল বর্বরতা, নৃশংসতা, ধ্বংসযজ্ঞের প্রতিচ্ছবি দৃশ্যপটে চিত্রিত হয়। যুদ্ধে জয় পরাজয় সময়ে ব্যাপার। কিন্তু যুদ্ধকালীন সময়ের ব্যবধানে হাজারো নারী, শিশুর করুণ মৃত্যু, খাদ্যাভাব, নির্ঘুম দিবস-রজনী, দুশ্চিন্তা স্বাভাবিক পৃথিবীকে অসুস্থ করে তোলে। যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতির চাকা মন্থর করে দেয়। ধ্বংস ও ক্ষতির তালিকা ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। যেকোনো যুদ্ধ জনজীবনের জন্য অভিশাপ হলেও কিছু মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করে। দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধদুর্যোগের মধ্য দিয়ে কয়েকটি চিহ্নিত দেশ ব্যবসায়িক সুবিধা বাগিয়ে নেয়। প্রথমে উস্কানিমূলক আচরণের মাধ্যমে যেকোনো দুটি দেশকে যুদ্ধে নামায়। এরপর যুদ্ধরত দেশ দুটিতেই অস্ত্র বিক্রি করে নিজ দেশের অর্থনীতি বহুগুণে শক্তিশালী করে। সেরকম একটি পশ্চিমা অপচেষ্টা ইরান-ইসরাইল দ্বন্দ্বকে যুদ্ধের রূপ দিতে পারে। পশ্চিমা স্বার্থান্বেষী কয়েকটি দেশ ইসরায়েলের আক্রমণে সমর্থন ও ইরানি প্রতিশোধে উস্কানি দিয়ে বিশ্ববাসীকে নতুন একটি যুদ্ধময় পরিস্থিতির লীলা দেখানোর চেষ্টা করছে।

ইসরায়েল-ইরান পারস্পরিক হামলা প্রতিহামলা যদি সত্যিই যুদ্ধে রূপ নেয় তবে সে যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে। মুক্তবাজার অর্থনীতি চরম সংকটের পড়বে। অর্থনৈতিক মন্দায় নিম্ন আয়ের দেশগুলো দারিদ্র্যের চরমসীমা অতিক্রম করতে পারে। ইরান-ইসরায়েল দ্বন্দ্ব মধ্যপ্রাচ্যের তেলের বাজারকে প্রভাবিত করবে। তেল উৎপাদন ও রপ্তানি প্রক্রিয়া ব্যহত হবে। এতে করে তেলের দাম বেড়ে যাবে। ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। এছাড়া ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সবচেয়ে বড় সংকটটি হবে মানবিক সংকট। কারণ যুদ্ধাক্রান্ত এলাকায় খাদ্য ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা সহজ হবে না। তুমুল ঘাতপ্রতিঘাতের কারণে বিশ্ব সাহায্য সংস্থাসমূহের ত্রাণ সময়মত যথাস্থানে পৌঁছাতে ব্যর্থ হবে। এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশের জন্যও হতাশাব্যাঞ্জক। বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশের বেশকিছু উন্নয়নশীল দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য হচ্ছে তৈরি পোশাক। চলমান হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ ও ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে সংকটময় মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান দশা তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে তৈরি পোশাক রপ্তানি সন্দেহাতীতভাবে কমে যাবে।

নিঃসন্দেহে ইসরায়েল-ইরান পরস্পর বৈরি দেশ। তবে সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমা দেশগুলোসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশেও সংঘাত ছড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইরান-ইসরায়েল প্রশ্নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সচেষ্ট হতে হবে। পূর্ণ যুদ্ধ শুরুর পূর্বেই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতে হবে। বিশ্ব মোড়লদের মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির গভীরতা উপলব্ধি করতে হবে। ফিলিস্তিন সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পথ বাতলে দিতে হবে। ইসরাইলের আগ্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ইরান-ইসরাইল সংঘাত নির্মূল করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সীমান্তে সামরিক সংঘাত এড়াতে ইরান ও ইসরায়েল সমর্থকগোষ্ঠীকে সর্বোচ্চ সংযম দেখাতে হবে।

লেখক : শিক্ষক, গবেষক ও সংগঠক।

আমার বার্তা/জেএইচ

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের গ্রহণযোগ্যতা ও আরাকান আর্মি

রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মির (এ এ) সাথে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সংঘাত চলমান রয়েছে। মিয়ানমারের আভ্যন্তরীণ এই

গণিত ভীতি দূর করতে করণীয়

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এখন ছুটছে কলেজে ভর্তির পেছনে। করোনা পরিস্থিতির পর এবারই

সুস্থ বিকাশের জন্য পারিবারিক বন্ধন অপরিহার্য

১৫ মে বিশ্ব পরিবার দিবস। পরিবারের প্রতি গুরুত্ব ও সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর ১৫ মে তারিখে

বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধু কন্যা- পরম্পরা নেতৃত্বে মহাকাশে বাংলাদেশ

একটি দেশকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে পরিচালিত করার জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন ভিশনারি নেতৃত্ব। তাদের ভাবনা
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মারা গেলেন বরেণ্য সাহিত্যিক হোসেনউদ্দীন হোসেন

ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুর খবরে বেড়েছে তেলের দাম

রাইসির মৃত্যু মুসলিম বিশ্বের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি: ফখরুল

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

বৃক্ষ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ বিষয়ক গবেষণা বৃদ্ধি করা হবে

১২৬ দেশে যেতে জটিলতা কাটছে বাংলাদেশিদের

সিইসির বেতন ১০৫০০০, ইসিরা পাবেন ৯৫০০০

ভারত থেকে রেলের ২০০ বগি কেনার চুক্তি সই

রাজধানীতে গরমে আনসার সদস্যের মৃত্যু

তাপপ্রবাহ নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাউশির নতুন নির্দেশনা

বঙ্গবন্ধু শান্তি পদক ঘোষণা, পুরস্কার কোটি টাকা ও স্বর্ণ পদক

অটোরিকশা চলাচলে নীতিমালা করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অর্থনীতি শূন্যে ঝুলছে, যেকোনো সময় ক্র্যাশল্যান্ডিং হতে পারে: রিজভী

ব্যাটারিচালিত রিকশা নির্দিষ্ট এলাকায় চালানোর ব্যবস্থার নির্দেশ

দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কা দুই দলের সঙ্গেই জেতা উচিত: মাশরাফি

বাজেট অধিবেশন শুরু ৫ জুন

ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক

খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিতে দক্ষরা বিশেষ মেধাসম্পন্ন: জবি উপাচার্য

বিসিবির এইচপি দলে জায়গা পেলেন যে ২৫ ক্রিকেটার

কুমিল্লায় ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত