
১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নেদারল্যান্ডসের বোলারদের চাপে কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে পাকিস্তান। ৩ উইকেটের চেয়ে আসর শুরু করেছে সালমান আলী আগারা।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়রি) কলম্বোর সিনহলিজ স্পোর্টস গ্রাউন্ডে পাকিস্তানের আমন্ত্রণে ব্যাট করতে নেমে ১৪৭ রান করে অলআউট হয় নেদারল্যান্ডস। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৭ উইকেট হারালেও ফাহিম আশরাফের ১১ বলে ২৯ রানের ক্যামিওতে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ২৭ রানে ফিরে যান ওপেনার সাইম আইয়ুব (২৪)। ১২ রানের বেশি করতে পারেননি অধিনায়ক সালমান। ৫৩ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। দলীয় ৯৮ রানে ৩ বলের ব্যবধানে বিদায় নেন আরেক সাহিবজাদা ফারহান (৪৭) ও উসমান খান (০)।
দলের বোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ১৫ রান করা বাবর আজমও ফিরলে ১০০ রানে পতন হয় পঞ্চম উইকেটের। ১৫তম ওভারের শেষ বলে মোহাম্মদ নওয়াজ (৬) ও শাদাব খান (৮) বিদায় নিলে ১৪৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে পাকিস্তান।
৭ উইকেট হারানোয় শঙ্কা তৈরি হয় জয়ের। শেষ ১৮ বলে তখন জেতার জন্য দরকার হয় ৩৩ রান। তবে ওভারে দৃঢ়তা দেখিয়ে ১১ বলে ২৯ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছান। দুই ৪ ও ৩ ছক্কায় ১১ ২৯ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিই।
নেদারল্যান্ডসের হয়ে দুটি করে উইকেট পেয়েছেন আর্য দত্ত ও পল ফন মিকেরেন। একটি করে উইকেট গেছে লোগান ফন বিক, কাইল ক্লেইন ও ফন ডার মারউইয়ের ঝুলিতে।
এর আগে, বিতর্ক ও নাটকীয়তাকে সঙ্গী করে শুরু হয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আগে ব্যাটিং করে ১৪৭ রানে অলআউট হয় ডাচরা। টস জিতে ডাচদের ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলী আগা।
শুরুটা ভালোই করেছিল ডাচরা। ১৩ ওভারে ৩ উইকেটে ১০০ রান সংগ্রহ করে বড় সংগ্রহের বার্তা দিচ্ছিলো। ১০৫ রানে হারায় ৪ উইকেট। কিন্তু ১২৭ থেকে ১৪৭ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রানে থেমে যায় স্কট এডওয়ার্ডসের দলের ইনিংস।
নেদারল্যান্ডসের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান এসেছে অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডসের ব্যাট থেকে। ৩০ রান করেছেন বাস ডি লিড। ২৪ রান এসেছে ওপেনার মাইকেল লেভিটের ব্যাটে।
পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট পেয়েছেন সালমান মির্জা। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন মোহাম্মদ নওয়াজ, আবরার আহমেদ ও সাইম আইয়ুব। একটি উইকেট পেয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।
আমার বার্তা/এমই

