
বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজতে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় ছয়টি দেশের কূটনীতিকদের একটি প্রতিনিধিদল সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন (MIEZ) পরিদর্শন করেছেন। গতকাল শনিবার (১১ এপ্রিল) তারা এই পরিদর্শন করেন।
প্রতিনিধি দলে ব্রুনাই দারুসসালামের হাই কমিশনার হারিস বিন ওথমান, মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওথমান, মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মো, ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত নিনা কাইংলেট, সিঙ্গাপুরের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স মিচেল লি এবং মিসেস সুফাওয়াদি ওংসাওয়াসদি, মিনিস্টার কাউন্সেলর এবং থাইল্যান্ডের মিশনের ডেপুটি চিফ উপস্থিত ছিলেন।
মেঘনা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)-এর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল এবং এমজিআই-এর সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তাইফ বিন ইউসুফ প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান এবং এমজিআই-এর কারখানা ও এমআইইজেড-এর বিনিয়োগকারী সুবিধাগুলো পরিদর্শনের জন্য তাঁদের ধন্যবাদ জানান।
পরিদর্শনকালে কূটনীতিকরা জোনগুলোর প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের জন্য এমজিআই-এর প্রদত্ত সুবিধাদিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তাঁরা জানান, এমজিআই-এর অর্থনৈতিক জোনগুলোতে বিনিয়োগের সুযোগ অন্বেষণের জন্য তাঁরা নিজ নিজ দেশের অন্যান্য ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সাথে বিষয়টি আলোচনা করবেন।
এমজিআই-এর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল বলেন, “আমাদের অর্থনৈতিক জোনগুলো সম্পূর্ণরূপে চালু এবং আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী নির্মিত। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যাতে কোনো বিলম্ব ছাড়াই স্থাপনা থেকে উৎপাদনে যেতে পারেন, তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো রয়েছে।”
তিনি বলেন, “এমজিআই-এর ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে আমরা বৈশ্বিক ব্যবসাগুলোকে এখানে সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় স্বচ্ছতা ও গতি প্রদান করি এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে এই অংশীদারিত্বগুলো বাংলাদেশের শিল্পোন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”
বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের জন্য এমজিআই-এর তিনটি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে: মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চল, মেঘনা শিল্প অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং কুমিল্লা অর্থনৈতিক অঞ্চল।
গ্রুপটি তার অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে ব্যাপক সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ আধুনিক ও বিনিয়োগ-বান্ধব কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, জাপান, নরওয়ে, ভারত, চীন, সুইজারল্যান্ড এবং বেলজিয়ামের কোম্পানিগুলো ইতোমধ্যে এই অঞ্চলগুলোতে কারখানা স্থাপন করেছে।
আমার বার্তা/এমই

