
এ বিষয়ে আখতার বলেন, আমার প্রতিপক্ষ নানাভাবে কালোটাকা ও পেশীশক্তি ব্যবহার করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তারই অংশ হিসেবে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তিনি প্রশাসনকে সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানান।
১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের এ প্রার্থী জিডিতে উল্লেখ করেন, বিকেল অনুমানিক সাড়ে ৫টার সময় তিনি পীরগাছা থানার ছাওলা ইউনিয়নের কিশামত গ্রামে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা চালানোর সময় অপরিচিত মোবাইল নম্বর থেকে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনা নিয়ে শনিবার রাত ১১টার দিকে আখতার হোসেন এক ভিডিও বার্তায় দাবি করেন, সারাদেশের মতো তার আসনেও শাপলা কলির নেতাকর্মীদের নানা সময়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে। প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া হয়েছে, গোপনেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।
এনসিপি এ নেতা ওই ভিডিও বার্তায় আরও বলেন, ভয় দেখিয়ে, উড়ো কথা বলে, প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে কোনোভাবেই আমাদের জয়যাত্রাকে থামিয়ে রাখা যাবে না।
এ ব্যাপারে পীরগাছা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলাম বলেন, একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন ভুক্তভোগী। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে, গত বছরের ১৭ মে ডাকযোগে পাঠানো এক চিঠিতে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছিলেন আখতার হোসেন।
উল্লেখ্য, পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত রংপুর-৪ আসনে এনসিপির আখতার হোসেন (শাপলা কলি) ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মাহবুবার রহমান (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের জাহিদ হোসেন (হাতপাখা), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আবু সাহমা (রিকশা), বাংলাদেশ কংগ্রেসের উজ্জ্বল চন্দ্র রায় (ডাব), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-মাকর্সবাদী’র প্রগতি বর্মণ তমা (কাঁচি) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ্ আলম বাসার (হরিণ)।
এ আসনে বর্তমানে মোট ভোটার ৫ লাখ ৯ হাজার ৯০৬ জন। এর মধ্যে ৪ হাজার ৬৪৩ জন ভোটার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন। দুই উপজেলার ১৬৩টি ভোটকেন্দ্রের ৯৪৪টি বুথে ভোটগ্রহণ করা হবে।
আমার বার্তা /জেএইচ

